চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

উপর্যুপরি ছুরির কোপে ক্ষতবিক্ষত হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেডে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন চিলমারীর এক মাংস ব্যবসায়ী। টানা পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও রেজাউল করিম নামে ওই মাংস ব্যবসায়ী এখনো মৃত্যুঝুঁকিতে রয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা হলেও আসামিরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।
রেজাউল করিমের স্ত্রী রাজভানু বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আগের থেকে কিছুটা উন্নতি হলেও ডাক্তারের ভাষ্যমতে তিনি এখনো শঙ্কা মুক্ত নন।’
পূর্ব শত্রুতার জেরে তাঁর স্বামীকে ডেকে নিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি চিলমারী মডেল থানায় রেজাউল করিমের স্ত্রী রাজভানু বেগম বাদী হয়ে মামলা করেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের গত ৭ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে মামলার ৪ নম্বর আসামি নিরাশা ব্যাপারী কৌশলে ব্রহ্মপুত্র নদের ধারে মাংস ব্যবসায়ী রেজাউল করিমকে ডেকে নিয়ে যায়। এ সময় ওত পেতে থাকা মামলার আসামি মেরাজুল হক (৪৮), গোলাপী বেগম (৩৭), সিরাজুল হক (৩৬) সহ আরও ৩ / ৪ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র দিয়ে রেজাউলকে উপর্যুপরি আঘাত করেন।
এ সময় ওই মাংস ব্যবসায়ী রক্তাক্ত অবস্থায় দৌড়ে বাড়িতে আসেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় মাংস ব্যবসায়ী রেজাউল করিমকে চিলমারী হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
ঘটনার সময় ওই মাংস ব্যবসায়ীর কাছে থাকা সাড়ে ৫ লাখ টাকাও ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে থানাহাট ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মাহবুবুর রশিদ বিপ্লব বলেন, ‘এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় মামলা দায়ের করলেও রেজাউলকে মারধরের সঠিক কারণটি আমি জানি না। তবে ঘটনাটি প্রেমঘটিত বলে আমি লোকমুখে শুনেছি।’
চিলমারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

উপর্যুপরি ছুরির কোপে ক্ষতবিক্ষত হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেডে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন চিলমারীর এক মাংস ব্যবসায়ী। টানা পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও রেজাউল করিম নামে ওই মাংস ব্যবসায়ী এখনো মৃত্যুঝুঁকিতে রয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা হলেও আসামিরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।
রেজাউল করিমের স্ত্রী রাজভানু বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আগের থেকে কিছুটা উন্নতি হলেও ডাক্তারের ভাষ্যমতে তিনি এখনো শঙ্কা মুক্ত নন।’
পূর্ব শত্রুতার জেরে তাঁর স্বামীকে ডেকে নিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি চিলমারী মডেল থানায় রেজাউল করিমের স্ত্রী রাজভানু বেগম বাদী হয়ে মামলা করেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের গত ৭ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে মামলার ৪ নম্বর আসামি নিরাশা ব্যাপারী কৌশলে ব্রহ্মপুত্র নদের ধারে মাংস ব্যবসায়ী রেজাউল করিমকে ডেকে নিয়ে যায়। এ সময় ওত পেতে থাকা মামলার আসামি মেরাজুল হক (৪৮), গোলাপী বেগম (৩৭), সিরাজুল হক (৩৬) সহ আরও ৩ / ৪ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র দিয়ে রেজাউলকে উপর্যুপরি আঘাত করেন।
এ সময় ওই মাংস ব্যবসায়ী রক্তাক্ত অবস্থায় দৌড়ে বাড়িতে আসেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় মাংস ব্যবসায়ী রেজাউল করিমকে চিলমারী হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
ঘটনার সময় ওই মাংস ব্যবসায়ীর কাছে থাকা সাড়ে ৫ লাখ টাকাও ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে থানাহাট ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মাহবুবুর রশিদ বিপ্লব বলেন, ‘এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় মামলা দায়ের করলেও রেজাউলকে মারধরের সঠিক কারণটি আমি জানি না। তবে ঘটনাটি প্রেমঘটিত বলে আমি লোকমুখে শুনেছি।’
চিলমারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে