কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

দেশব্যাপী আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপির একটি অংশ। রোববার (১৮ মে) দুপুরে পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ভিপি কামাল উদ্দিন।
বড়বাড়ি রোড থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে বাজার প্রদক্ষিণ করে পাটমহালে গিয়ে শেষ হয়। মিছিল চলাকালে আওয়ামী লীগের পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির বিরুদ্ধেও স্লোগান দেওয়া হয়, যা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভাইরাল ভিডিও সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুর ১২টার দিকে বের হওয়া মিছিলে পাকুন্দিয়া উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাকিল মাহমুদ সম্রাট ‘হুঁশিয়ারি’ দিয়ে একাধিক স্লোগান দেন। এ ঘটনায় উপজেলা ছাত্রদলে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাজহারুল হক উজ্জ্বল বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা সাম্য হত্যার প্রতিবাদে পাকুন্দিয়া সরকারি কলেজে আমাদের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি ছিল। সেই কর্মসূচিতে অংশ না নিয়ে শাকিল মাহমুদ সম্রাট বিএনপির মিছিলে গিয়ে বিব্রতকর স্লোগান দিয়েছেন। এতে আমাদের দলের মধ্যে সম্প্রীতি বিনষ্ট হয়েছে। বিষয়টি জেলা ছাত্রদলকে জানানো হবে।’
বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারাও। কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক ইকরাম হোসেন বলেন, ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদল আমাদের সঙ্গে ছিল। এখন এ ধরনের আচরণ উদ্বেগজনক। সিনিয়র নেতাদের উচিত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া।’
সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব মো. খলিলুর রহমান মুজাহিদ বলেন, ‘মতপার্থক্য গণতন্ত্রেরই অংশ, কিন্তু স্লোগানে যে ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তা অনভিপ্রেত ও নিন্দনীয়। এমন অপসংস্কৃতি থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে।’
বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেওয়া ভিপি কামাল উদ্দিন বলেন, ‘এটি দলীয় কোনো স্লোগান নয়, মিছিলে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ছিল, তারাই এই স্লোগান দিয়েছে।’
জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক পিপি জালাল উদ্দিন বলেন, ‘এই কর্মসূচি উপজেলা বিএনপি কিংবা কেন্দ্রঘোষিত নয়, ব্যক্তিকেন্দ্রিক আয়োজন ছিল। স্লোগানগুলো বিএনপির দলীয় অবস্থান নয়, যারা দিয়েছে তা তাদের নিজস্ব মতামত।’
ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে পাকুন্দিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামী। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় সংগঠনের আমির মাওলানা আব্দুল জব্বার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘বিএনপির মিছিল থেকে যে স্লোগান—‘একটা একটা জামাত ধর, ধইরা ধইরা জবাই কর’—দেওয়া হয়েছে, তা ভয়াবহ উসকানিমূলক ও ঘৃণ্য। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’
জামায়াতের শুরা সদস্য ও কিশোরগঞ্জ জেলা আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী বলেন, ‘বিএনপি ও জামায়াত দীর্ঘদিন একসঙ্গে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন করেছে। বর্তমানে এমন কোনো আচরণ করা যাবে না, যাতে আওয়ামী লীগ লাভবান হয় বা আমাদের মধ্যে বিভেদ তৈরি হয়।’

দেশব্যাপী আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপির একটি অংশ। রোববার (১৮ মে) দুপুরে পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ভিপি কামাল উদ্দিন।
বড়বাড়ি রোড থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে বাজার প্রদক্ষিণ করে পাটমহালে গিয়ে শেষ হয়। মিছিল চলাকালে আওয়ামী লীগের পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির বিরুদ্ধেও স্লোগান দেওয়া হয়, যা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভাইরাল ভিডিও সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুর ১২টার দিকে বের হওয়া মিছিলে পাকুন্দিয়া উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাকিল মাহমুদ সম্রাট ‘হুঁশিয়ারি’ দিয়ে একাধিক স্লোগান দেন। এ ঘটনায় উপজেলা ছাত্রদলে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাজহারুল হক উজ্জ্বল বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা সাম্য হত্যার প্রতিবাদে পাকুন্দিয়া সরকারি কলেজে আমাদের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি ছিল। সেই কর্মসূচিতে অংশ না নিয়ে শাকিল মাহমুদ সম্রাট বিএনপির মিছিলে গিয়ে বিব্রতকর স্লোগান দিয়েছেন। এতে আমাদের দলের মধ্যে সম্প্রীতি বিনষ্ট হয়েছে। বিষয়টি জেলা ছাত্রদলকে জানানো হবে।’
বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারাও। কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক ইকরাম হোসেন বলেন, ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদল আমাদের সঙ্গে ছিল। এখন এ ধরনের আচরণ উদ্বেগজনক। সিনিয়র নেতাদের উচিত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া।’
সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব মো. খলিলুর রহমান মুজাহিদ বলেন, ‘মতপার্থক্য গণতন্ত্রেরই অংশ, কিন্তু স্লোগানে যে ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তা অনভিপ্রেত ও নিন্দনীয়। এমন অপসংস্কৃতি থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে।’
বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেওয়া ভিপি কামাল উদ্দিন বলেন, ‘এটি দলীয় কোনো স্লোগান নয়, মিছিলে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ছিল, তারাই এই স্লোগান দিয়েছে।’
জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক পিপি জালাল উদ্দিন বলেন, ‘এই কর্মসূচি উপজেলা বিএনপি কিংবা কেন্দ্রঘোষিত নয়, ব্যক্তিকেন্দ্রিক আয়োজন ছিল। স্লোগানগুলো বিএনপির দলীয় অবস্থান নয়, যারা দিয়েছে তা তাদের নিজস্ব মতামত।’
ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে পাকুন্দিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামী। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় সংগঠনের আমির মাওলানা আব্দুল জব্বার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘বিএনপির মিছিল থেকে যে স্লোগান—‘একটা একটা জামাত ধর, ধইরা ধইরা জবাই কর’—দেওয়া হয়েছে, তা ভয়াবহ উসকানিমূলক ও ঘৃণ্য। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’
জামায়াতের শুরা সদস্য ও কিশোরগঞ্জ জেলা আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী বলেন, ‘বিএনপি ও জামায়াত দীর্ঘদিন একসঙ্গে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন করেছে। বর্তমানে এমন কোনো আচরণ করা যাবে না, যাতে আওয়ামী লীগ লাভবান হয় বা আমাদের মধ্যে বিভেদ তৈরি হয়।’

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২১ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
২৫ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
২৭ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
৩০ মিনিট আগে