কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

সারা দেশে ছাত্র জনতার ওপর গণহত্যা, গণগ্রেপ্তার, হামলা-মামলা, গুম-খুন ও শিক্ষকদের ওপর ন্যক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে এবং ছাত্র সমাজের ৯ দফা দাবি আদায়ে কিশোরগঞ্জে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ছাত্র-জনতার গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে কিশোরগঞ্জে বাদ জুমা শহরের ঐতিহাসিক শহীদী মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে গণমিছিলটি বের করা হয়।
গণমিছিলে কয়েক হাজার ছাত্র-ছাত্রী ও নানা শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেন। গণমিছিল থেকে ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘আমার ভাই মরল কেন, জবাব চাই দিতে হবে’, ‘স্বৈরাচার স্বৈরাচার, শেখ হাসিনা স্বৈরাচার’, ‘রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে’ ইত্যাদি নানা স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা।
এ সময় তাঁরা ‘কে বলে? বাংলা ছাড়, এই মুহূর্তে গদি ছাড়’, ‘সম্পদের হিসাব পরে, লাশের হিসাব আগে’ ইত্যাদি নানা স্লোগান সংবলিত ফেস্টুন বহন করেন।
গণমিছিলটি শহরের গৌরাঙ্গবাজার মোড়, স্টেশন রোড, কালীবাড়ী মোড়, বটতলা মোড় হয়ে গুরুদয়াল সরকারি কলেজ, হারুয়া, আখড়া বাজার ও ঈশাখাঁ রোড দিয়ে পুনরায় গৌরাঙ্গবাজার মোড় হয়ে ইসলামিয়া সুপার মার্কেট এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে কোটাবিরোধী আন্দোলনের কিশোরগঞ্জ জেলার প্রধান সমন্বয়কারী অভি চৌধুরীসহ কয়েকজন বক্তব্য রাখেন।
তাঁরা বক্তব্যে বলেন, ছাত্রসমাজের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ব না। কোনো দমন-পীড়নের মাধ্যমে ছাত্রসমাজকে দমিয়ে রাখা যাবে না।
এদিকে গণমিছিলকে কেন্দ্র করে বিপুলসংখ্যক পুলিশ জেলা আওয়ামী লীগ ও কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানা ঘিরে রাখে। এ ছাড়া শহরে সেনাবাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখা যায়।
ছবির ক্যাপশনে-ছাত্র-জনতার গণমিছিলে বিক্ষোভ প্রদর্শন। ছবি আজকের পত্রিকা।

সারা দেশে ছাত্র জনতার ওপর গণহত্যা, গণগ্রেপ্তার, হামলা-মামলা, গুম-খুন ও শিক্ষকদের ওপর ন্যক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে এবং ছাত্র সমাজের ৯ দফা দাবি আদায়ে কিশোরগঞ্জে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ছাত্র-জনতার গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে কিশোরগঞ্জে বাদ জুমা শহরের ঐতিহাসিক শহীদী মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে গণমিছিলটি বের করা হয়।
গণমিছিলে কয়েক হাজার ছাত্র-ছাত্রী ও নানা শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেন। গণমিছিল থেকে ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘আমার ভাই মরল কেন, জবাব চাই দিতে হবে’, ‘স্বৈরাচার স্বৈরাচার, শেখ হাসিনা স্বৈরাচার’, ‘রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে’ ইত্যাদি নানা স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা।
এ সময় তাঁরা ‘কে বলে? বাংলা ছাড়, এই মুহূর্তে গদি ছাড়’, ‘সম্পদের হিসাব পরে, লাশের হিসাব আগে’ ইত্যাদি নানা স্লোগান সংবলিত ফেস্টুন বহন করেন।
গণমিছিলটি শহরের গৌরাঙ্গবাজার মোড়, স্টেশন রোড, কালীবাড়ী মোড়, বটতলা মোড় হয়ে গুরুদয়াল সরকারি কলেজ, হারুয়া, আখড়া বাজার ও ঈশাখাঁ রোড দিয়ে পুনরায় গৌরাঙ্গবাজার মোড় হয়ে ইসলামিয়া সুপার মার্কেট এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে কোটাবিরোধী আন্দোলনের কিশোরগঞ্জ জেলার প্রধান সমন্বয়কারী অভি চৌধুরীসহ কয়েকজন বক্তব্য রাখেন।
তাঁরা বক্তব্যে বলেন, ছাত্রসমাজের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ব না। কোনো দমন-পীড়নের মাধ্যমে ছাত্রসমাজকে দমিয়ে রাখা যাবে না।
এদিকে গণমিছিলকে কেন্দ্র করে বিপুলসংখ্যক পুলিশ জেলা আওয়ামী লীগ ও কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানা ঘিরে রাখে। এ ছাড়া শহরে সেনাবাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখা যায়।
ছবির ক্যাপশনে-ছাত্র-জনতার গণমিছিলে বিক্ষোভ প্রদর্শন। ছবি আজকের পত্রিকা।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
১ ঘণ্টা আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তা ছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
১ ঘণ্টা আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে