কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল মুক্তমঞ্চের আশপাশে গড়ে ওঠা শতাধিক অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জেলা পুলিশের উদ্যোগে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। এতে মুক্তমঞ্চে আনন্দময় সময় কাটানোর সুযোগ ফিরে পাচ্ছে জেলা শহরবাসী। অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করায় আনন্দিত গুরুদয়াল সরকারি কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ জেলা শহরের লক্ষাধিক মানুষ।
এর আগে ২০২৩ সালের ২১ জুলাই আজকের পত্রিকায় ‘শতাধিক অবৈধ দোকানে নির্মলতা হারাচ্ছে কিশোরগঞ্জের মুক্তমঞ্চ’ শিরোনামে এবং ২০২৪ সালের ১৫ জানুয়ারি ‘অবৈধ দখল বাড়ছে, উচ্ছেদ অভিযান নেই’—এই শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়।
গুরুদয়াল সরকারি কলেজের স্নাতকোত্তরে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী মো. সাইফুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের কলেজের শিক্ষার্থীরা মুক্তমঞ্চের বেঞ্চে বসতে পারত না। অবৈধ দোকানপাটের দখলে ছিল এসব বেঞ্চ। এসব বেঞ্চে বসামাত্রই বাজে ব্যবহার করতেন তাঁরা। এসব অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ হওয়ার কারণে আমরা শিক্ষার্থীরা এখানে স্বাচ্ছন্দ্যে বসতে পারব। নির্বিঘ্নে গ্রুপ স্টাডিও করতে পারব। ধন্যবাদ পুলিশ প্রশাসনকে।’
গুরুদয়াল মুক্তমঞ্চে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী জেলা শহরের রথখলা এলাকার বাসিন্দা শরীফুল আলম বলেন, ‘মুক্তমঞ্চ এলাকায় বসতে গেলে আর কোনো বাধা আসবে না। কোনো দোকানদার এসে বলবে না খাবার অর্ডার দেন, না হয় উঠে যান। মুক্তমঞ্চ যেন মুক্তই থাকে—এমন প্রত্যাশা আমাদের। পুলিশ প্রশাসনের জন্য আমাদের দুর্ভোগ কমেছে, তাই তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।’
গুরুদয়াল মুক্তমঞ্চে ঘুরতে আসা প্রায় ৩০ জন দর্শনার্থীরা বলেন, ‘স্থানীয় প্রভাবশালীদের প্ররোচনায় এসব ভাসমান দোকান দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছিল। গজিয়ে ওঠা এসব টং দোকান কারও তোয়াক্কা করত না। ঘুরতে আসা সাধারণ জনগণের সঙ্গে খারাপ আচরণসহ অশ্লীল ভাষায় গালাগালও করত। এ ছাড়া কিশোর গ্যাংয়ের উপদ্রব তো ছিলই। আমরা ধন্যবাদ জানাই পুলিশ প্রশাসনকে, তারা মুক্তমঞ্চ প্রভাবশালী সিন্ডিকেটকে তোয়াক্কা না করে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ায়।’
সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এ এম ওবায়েদ ও খাইরুল ইসলাম বলেন, ‘মুক্তমঞ্চের পাশে যে পার্ক রয়েছে তার দোলনাগুলোতে তালা দেওয়া থাকে। কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়রকে এ বিষয়ে অবহিত করলেও কোনো ফল পাওয়া যায়নি। ধন্যবাদ জানাই কিশোরগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখকে তিনি মুক্তমঞ্চের আশপাশে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদসহ শিশুদের খেলাধুলার দোলনাগুলোও শিকল মুক্ত করেছেন। গুরুদয়াল কলেজ মুক্তমঞ্চে যেন অবৈধ দোকানপাট গড়ে উঠতে না পারে সে জন্য তদারকি অব্যাহত থাকুক।’
কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ বলেন, জনগণ যে দুর্ভোগ পোহাত তা থেকে পরিত্রাণ দেওয়ার জন্য সকলের সহযোগিতায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এ ছাড়া শহরের যানজট নিরসনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল মুক্তমঞ্চের আশপাশে গড়ে ওঠা শতাধিক অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জেলা পুলিশের উদ্যোগে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। এতে মুক্তমঞ্চে আনন্দময় সময় কাটানোর সুযোগ ফিরে পাচ্ছে জেলা শহরবাসী। অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করায় আনন্দিত গুরুদয়াল সরকারি কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ জেলা শহরের লক্ষাধিক মানুষ।
এর আগে ২০২৩ সালের ২১ জুলাই আজকের পত্রিকায় ‘শতাধিক অবৈধ দোকানে নির্মলতা হারাচ্ছে কিশোরগঞ্জের মুক্তমঞ্চ’ শিরোনামে এবং ২০২৪ সালের ১৫ জানুয়ারি ‘অবৈধ দখল বাড়ছে, উচ্ছেদ অভিযান নেই’—এই শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়।
গুরুদয়াল সরকারি কলেজের স্নাতকোত্তরে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী মো. সাইফুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের কলেজের শিক্ষার্থীরা মুক্তমঞ্চের বেঞ্চে বসতে পারত না। অবৈধ দোকানপাটের দখলে ছিল এসব বেঞ্চ। এসব বেঞ্চে বসামাত্রই বাজে ব্যবহার করতেন তাঁরা। এসব অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ হওয়ার কারণে আমরা শিক্ষার্থীরা এখানে স্বাচ্ছন্দ্যে বসতে পারব। নির্বিঘ্নে গ্রুপ স্টাডিও করতে পারব। ধন্যবাদ পুলিশ প্রশাসনকে।’
গুরুদয়াল মুক্তমঞ্চে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী জেলা শহরের রথখলা এলাকার বাসিন্দা শরীফুল আলম বলেন, ‘মুক্তমঞ্চ এলাকায় বসতে গেলে আর কোনো বাধা আসবে না। কোনো দোকানদার এসে বলবে না খাবার অর্ডার দেন, না হয় উঠে যান। মুক্তমঞ্চ যেন মুক্তই থাকে—এমন প্রত্যাশা আমাদের। পুলিশ প্রশাসনের জন্য আমাদের দুর্ভোগ কমেছে, তাই তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।’
গুরুদয়াল মুক্তমঞ্চে ঘুরতে আসা প্রায় ৩০ জন দর্শনার্থীরা বলেন, ‘স্থানীয় প্রভাবশালীদের প্ররোচনায় এসব ভাসমান দোকান দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছিল। গজিয়ে ওঠা এসব টং দোকান কারও তোয়াক্কা করত না। ঘুরতে আসা সাধারণ জনগণের সঙ্গে খারাপ আচরণসহ অশ্লীল ভাষায় গালাগালও করত। এ ছাড়া কিশোর গ্যাংয়ের উপদ্রব তো ছিলই। আমরা ধন্যবাদ জানাই পুলিশ প্রশাসনকে, তারা মুক্তমঞ্চ প্রভাবশালী সিন্ডিকেটকে তোয়াক্কা না করে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ায়।’
সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এ এম ওবায়েদ ও খাইরুল ইসলাম বলেন, ‘মুক্তমঞ্চের পাশে যে পার্ক রয়েছে তার দোলনাগুলোতে তালা দেওয়া থাকে। কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়রকে এ বিষয়ে অবহিত করলেও কোনো ফল পাওয়া যায়নি। ধন্যবাদ জানাই কিশোরগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখকে তিনি মুক্তমঞ্চের আশপাশে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদসহ শিশুদের খেলাধুলার দোলনাগুলোও শিকল মুক্ত করেছেন। গুরুদয়াল কলেজ মুক্তমঞ্চে যেন অবৈধ দোকানপাট গড়ে উঠতে না পারে সে জন্য তদারকি অব্যাহত থাকুক।’
কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ বলেন, জনগণ যে দুর্ভোগ পোহাত তা থেকে পরিত্রাণ দেওয়ার জন্য সকলের সহযোগিতায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এ ছাড়া শহরের যানজট নিরসনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে