সাজন আহম্মেদ পাপন, কিশোরগঞ্জ

২০১৬ সালের ৭ জুলাই ঈদুল ফিতরের দিন সকালে কিশোরগঞ্জ শহরে ঈদগাহমুখী মানুষের ঢল। নামাজ শুরুর আগেই ভয়াল এক বিস্ফোরণ কাঁপিয়ে দেয় পুরো এলাকা। শহরের আজিমউদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের পাশে, মুফতি মোহাম্মদ আলী মসজিদসংলগ্ন সড়কে পুলিশের চেকপোস্টে হামলা চালায় জঙ্গিরা। রাজধানীর গুলশানের হোলি আর্টিজান হামলার ছয় দিন পর দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাতস্থলে এই হামলা আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয় দেশজুড়ে।
সেদিনের হামলায় কনস্টেবল আনছারুল হক, জহিরুল ইসলাম ও গৃহবধূ ঝরনা রানী ভৌমিক নিহত হন। নিহত হন এক জঙ্গি আবির হোসেন। আহত হন আরও ১২ পুলিশ সদস্য ও চার মুসল্লি। গুলির আঘাতে নিহত ঝরনা রানীর স্মরণে হামলার স্থানের গলিটির নাম রাখা হয়েছে ‘ঝরনা রানী ভৌমিক সড়ক’। আট বছর পরও সেই গলির বাসাবাড়ির দেয়ালে গুলির দাগ এখনো রয়ে গেছে।
ঘটনার তিন দিন পর পাকুন্দিয়া থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দীন বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় ২৪ জনকে আসামি করা হয়। এদের মধ্যে ১৯ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন। বেঁচে থাকা পাঁচ আসামির মধ্যে চারজন বর্তমানে কারাগারে এবং একজন জামিনে রয়েছেন। মামলা বর্তমানে ঢাকার সন্ত্রাস দমন ট্রাইব্যুনাল-২–এ বিচারাধীন।
সরকারি কৌঁসুলি জালাল উদ্দিন বলেন, ১০১ জন সাক্ষীর মধ্যে ৭২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। আগামী ১৭ আগস্ট পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ নির্ধারিত আছে। দ্রুত বিচারকাজ শেষ করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার প্রত্যাশা জানান তিনি।
নিহত ঝরনা রানীর দুই ছেলে বাসুদেব ভৌমিক ও শুভদেব ভৌমিক আজও বিচারের অপেক্ষায়। শুভদেব বর্তমানে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, ‘আমাদের মা নির্মমভাবে খুন হয়েছেন। বিচার না দেখে বাবা মারা গেছেন। আমরা এখন শুধু ন্যায়বিচার চাই।’
ঘটনার দিন হামলায় আহত পুলিশ কনস্টেবল রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের তৎপরতা না থাকলে জঙ্গিদের পরিকল্পনা ভয়াবহ রূপ নিত।’
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মুকিত সরকার বলেন, ‘মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। সাক্ষ্য গ্রহণ প্রায় শেষ। আদালত সকল সাক্ষ্য প্রমাণ বিবেচনায় রায় দেবেন। আমরা ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।’

২০১৬ সালের ৭ জুলাই ঈদুল ফিতরের দিন সকালে কিশোরগঞ্জ শহরে ঈদগাহমুখী মানুষের ঢল। নামাজ শুরুর আগেই ভয়াল এক বিস্ফোরণ কাঁপিয়ে দেয় পুরো এলাকা। শহরের আজিমউদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের পাশে, মুফতি মোহাম্মদ আলী মসজিদসংলগ্ন সড়কে পুলিশের চেকপোস্টে হামলা চালায় জঙ্গিরা। রাজধানীর গুলশানের হোলি আর্টিজান হামলার ছয় দিন পর দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাতস্থলে এই হামলা আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয় দেশজুড়ে।
সেদিনের হামলায় কনস্টেবল আনছারুল হক, জহিরুল ইসলাম ও গৃহবধূ ঝরনা রানী ভৌমিক নিহত হন। নিহত হন এক জঙ্গি আবির হোসেন। আহত হন আরও ১২ পুলিশ সদস্য ও চার মুসল্লি। গুলির আঘাতে নিহত ঝরনা রানীর স্মরণে হামলার স্থানের গলিটির নাম রাখা হয়েছে ‘ঝরনা রানী ভৌমিক সড়ক’। আট বছর পরও সেই গলির বাসাবাড়ির দেয়ালে গুলির দাগ এখনো রয়ে গেছে।
ঘটনার তিন দিন পর পাকুন্দিয়া থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দীন বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় ২৪ জনকে আসামি করা হয়। এদের মধ্যে ১৯ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন। বেঁচে থাকা পাঁচ আসামির মধ্যে চারজন বর্তমানে কারাগারে এবং একজন জামিনে রয়েছেন। মামলা বর্তমানে ঢাকার সন্ত্রাস দমন ট্রাইব্যুনাল-২–এ বিচারাধীন।
সরকারি কৌঁসুলি জালাল উদ্দিন বলেন, ১০১ জন সাক্ষীর মধ্যে ৭২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। আগামী ১৭ আগস্ট পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ নির্ধারিত আছে। দ্রুত বিচারকাজ শেষ করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার প্রত্যাশা জানান তিনি।
নিহত ঝরনা রানীর দুই ছেলে বাসুদেব ভৌমিক ও শুভদেব ভৌমিক আজও বিচারের অপেক্ষায়। শুভদেব বর্তমানে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, ‘আমাদের মা নির্মমভাবে খুন হয়েছেন। বিচার না দেখে বাবা মারা গেছেন। আমরা এখন শুধু ন্যায়বিচার চাই।’
ঘটনার দিন হামলায় আহত পুলিশ কনস্টেবল রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের তৎপরতা না থাকলে জঙ্গিদের পরিকল্পনা ভয়াবহ রূপ নিত।’
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মুকিত সরকার বলেন, ‘মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। সাক্ষ্য গ্রহণ প্রায় শেষ। আদালত সকল সাক্ষ্য প্রমাণ বিবেচনায় রায় দেবেন। আমরা ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে