শামিমুজ্জামান, খুলনা

করোনা মহামারির মধ্যেই খুলনা বিভাগের ১০ জেলাসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী। রোগী বাড়লেও স্বাস্থ্য বিভাগের প্রস্তুতি শুধুই কাগজে-কলমে। খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে আলাদা ওয়ার্ড থাকলেও নেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও সরঞ্জাম।
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সর্ববৃহৎ হাসপাতাল এই খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসার জন্য এখানে ‘ব্লাড সেল সেপারেটর’ মেশিনটি অকেজো অবস্থায় রয়েছে। এ কারণে চিকিৎসকদের পড়তে হচ্ছে সমস্যায়। চিকিৎসকেরা হাসপাতালে প্রয়োজনীয় লোকবল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বাড়ানোর দাবি করেছেন।
ডেঙ্গুর ভয়াবহতা ছিল ২০১৯ সালে। ওই বছর খুলনা বিভাগে ১১ হাজার ৪৭৩ জন আক্রান্ত হয়। তখন মারা যায় ৩৯ জন। যদিও গত বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ খুব ছিল না। তবে চলতি বছর থেকে আবারও শুরু হয়েছে। এ বছর এ পর্যন্ত খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছে ৬৮ জন। মারা গেছে একজন।
গত ২ আগস্ট এক দিনে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনজন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়। ৯ আগস্ট ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজু (৩৬) নামের এক যুবক মারা যান। চলতি বছর খুলনায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এটাই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা। বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে সাতজন রোগী।
এদিকে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার জন্য খুমেক হাসপাতালে গত ১৪ আগস্ট আলাদা ওয়ার্ড চালু হয়েছে। তবে এখানে পর্যাপ্ত চিকিৎসক নেই। অকেজো হয়ে পড়ে আছে ‘ব্লাড সেল সেপারেটর’ মেশিনটি। এ কারণে ডেঙ্গু আক্রান্ত গুরুতর রোগীদের সুচিকিৎসা দিতে পারছেন না চিকিৎসকেরা।
এ ব্যাপারে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগের প্রধান ডা. এস এম তুষার আলম বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার জন্য ‘ব্লাড সেল সেপারেটর’ মেশিন খুব বেশি প্রয়োজন। তবে তা নষ্ট থাকায় তাঁদের চিকিৎসা দিতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। একই হাসপাতালের এমও সুহাষ রঞ্জন হালদার বলেন, হাসপাতালে জনবলের সংকট রয়েছে। আর কিছু জনবল যুক্ত হলে আক্রান্তদের চিকিৎসা আরও ভালোভাবে দেওয়া যেত। কেননা, ডেঙ্গু আক্রান্তদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড হয়েছে, কিন্তু হাসপাতালে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ হয়নি। যা রয়েছে তা দিয়েই চিকিৎসা চলছে। ডেঙ্গু রোগী বাড়লে সুচিকিৎসায় হিমশিম খেতে হবে বলেও জানান তিনি।
সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য ইতিমধ্যে সব উপজেলা হাসপাতালে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে তাদের ডেঙ্গু টেস্টের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যা আছে তা দিয়েই সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
অপরদিকে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধে কেসিসির পক্ষ থেকে অভিযান চালানো হচ্ছে। খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আব্দুল আজিজ বলেন, মশার উপদ্রব রোধে খুলনা সিটি করপোরেশনের কাজ চলমান রয়েছে। কেসিসির ৪৬টি ফগার মেশিন রয়েছে। আরও ২০টি ফগার মেশিনের ওয়ার্ক অর্ডার হয়েছে।
প্রতিদিনই ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশকনিধন অভিযান চলমান আছে। এ ছাড়া মশা নিধনে আমাদের ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চলছে। বৃষ্টি হলে কালো তেল স্প্রে করা হচ্ছে। আর সব নালায় লার্ভিসাইড স্প্রে করা হয়েছে। এতে মশার উপদ্রব কমে যাবে।

করোনা মহামারির মধ্যেই খুলনা বিভাগের ১০ জেলাসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী। রোগী বাড়লেও স্বাস্থ্য বিভাগের প্রস্তুতি শুধুই কাগজে-কলমে। খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে আলাদা ওয়ার্ড থাকলেও নেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও সরঞ্জাম।
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সর্ববৃহৎ হাসপাতাল এই খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসার জন্য এখানে ‘ব্লাড সেল সেপারেটর’ মেশিনটি অকেজো অবস্থায় রয়েছে। এ কারণে চিকিৎসকদের পড়তে হচ্ছে সমস্যায়। চিকিৎসকেরা হাসপাতালে প্রয়োজনীয় লোকবল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বাড়ানোর দাবি করেছেন।
ডেঙ্গুর ভয়াবহতা ছিল ২০১৯ সালে। ওই বছর খুলনা বিভাগে ১১ হাজার ৪৭৩ জন আক্রান্ত হয়। তখন মারা যায় ৩৯ জন। যদিও গত বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ খুব ছিল না। তবে চলতি বছর থেকে আবারও শুরু হয়েছে। এ বছর এ পর্যন্ত খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছে ৬৮ জন। মারা গেছে একজন।
গত ২ আগস্ট এক দিনে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনজন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়। ৯ আগস্ট ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজু (৩৬) নামের এক যুবক মারা যান। চলতি বছর খুলনায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এটাই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা। বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে সাতজন রোগী।
এদিকে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার জন্য খুমেক হাসপাতালে গত ১৪ আগস্ট আলাদা ওয়ার্ড চালু হয়েছে। তবে এখানে পর্যাপ্ত চিকিৎসক নেই। অকেজো হয়ে পড়ে আছে ‘ব্লাড সেল সেপারেটর’ মেশিনটি। এ কারণে ডেঙ্গু আক্রান্ত গুরুতর রোগীদের সুচিকিৎসা দিতে পারছেন না চিকিৎসকেরা।
এ ব্যাপারে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগের প্রধান ডা. এস এম তুষার আলম বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার জন্য ‘ব্লাড সেল সেপারেটর’ মেশিন খুব বেশি প্রয়োজন। তবে তা নষ্ট থাকায় তাঁদের চিকিৎসা দিতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। একই হাসপাতালের এমও সুহাষ রঞ্জন হালদার বলেন, হাসপাতালে জনবলের সংকট রয়েছে। আর কিছু জনবল যুক্ত হলে আক্রান্তদের চিকিৎসা আরও ভালোভাবে দেওয়া যেত। কেননা, ডেঙ্গু আক্রান্তদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড হয়েছে, কিন্তু হাসপাতালে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ হয়নি। যা রয়েছে তা দিয়েই চিকিৎসা চলছে। ডেঙ্গু রোগী বাড়লে সুচিকিৎসায় হিমশিম খেতে হবে বলেও জানান তিনি।
সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য ইতিমধ্যে সব উপজেলা হাসপাতালে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে তাদের ডেঙ্গু টেস্টের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যা আছে তা দিয়েই সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
অপরদিকে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধে কেসিসির পক্ষ থেকে অভিযান চালানো হচ্ছে। খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আব্দুল আজিজ বলেন, মশার উপদ্রব রোধে খুলনা সিটি করপোরেশনের কাজ চলমান রয়েছে। কেসিসির ৪৬টি ফগার মেশিন রয়েছে। আরও ২০টি ফগার মেশিনের ওয়ার্ক অর্ডার হয়েছে।
প্রতিদিনই ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশকনিধন অভিযান চলমান আছে। এ ছাড়া মশা নিধনে আমাদের ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চলছে। বৃষ্টি হলে কালো তেল স্প্রে করা হচ্ছে। আর সব নালায় লার্ভিসাইড স্প্রে করা হয়েছে। এতে মশার উপদ্রব কমে যাবে।

ট্রেড ইউনিয়নের নামে হয়রানি, খাদ্য মূল্যস্ফীতি, ওয়ান স্টপ সার্ভিসের অভাব ও নিয়মবহির্ভূত স্ট্রিট ফুডের বিস্তারে দেশের রেস্তোরাঁ খাত আগে থেকেই সংকটে ছিল। নতুন করে যোগ হয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) চরম সংকট। বাড়তি দাম দিয়েও সময়মতো মিলছে না এলপিজি। এতে অনেক রেস্তোরাঁই বন্ধের পথে রয়েছে।
৩৮ মিনিট আগে
শরীয়তপুর সদর উপজেলায় আলোচিত শিশু হৃদয় খান নিবিড় হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে ২১ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে শরীয়তপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
১ ঘণ্টা আগে
ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া খাদ্যগুদামে (এলএসডি) রেকর্ড ছাড়া অতিরিক্ত ৩ হাজার ৪৫০ কেজি চালের সন্ধান পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)। আজ মঙ্গলবার দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম এই অভিযান পরিচালনা করে। এতে নেতৃত্বে দেন ঠাকুরগাঁও সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আজমীর শরীফ।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর একটি হাসপাতাল থেকে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) লাশটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে, গতকাল সোমবার রাতে নিজ বাসা থেকে হাত, পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করেন মেয়ের জামাই। পরে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
১ ঘণ্টা আগে