
খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভয়াবহ আগুন লেগেছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে অগ্নিকাণ্ড সবার নজরে আসে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিটসহ উদ্ধারকাজে যোগ দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

নার্ভের অপারেশন করাতে এক মাসের বেশি সময় আগে রামপাল থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে এসেছেন সুলতানা আক্তার নাইচ। তিন বছরের শিশুসন্তান নিয়ে তাঁর স্বামীও রয়েছেন সঙ্গে। অপারেশনের তারিখ ছিল ২০ মে। সেদিনই হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) আগুন লাগে।

খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতাল ভবনের তৃতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২০ মে) ভোর ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে শিশুটিকে হাসপাতালের হামের আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি করানোর কয়েক ঘণ্টার পর মারা যায়। এ নিয়ে খুলনাঞ্চলে হামের উপসর্গ নিয়ে ১০টি শিশু মারা গেছে।