খুলনা প্রতিনিধি

জামিনে মুক্তির পর আবার আটক হয়েছেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় খুলনা জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পরপরই তাঁকে আটক করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
পরে ২০১৮ সালের একটি চাঁদাবাজির মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আজ বৃহস্পতিবার তাঁকে অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মো. আনিসুর রহমানের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৈমুর ইসলাম বলেন, ২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারি খুলনা সদর থানাধীন রয়েল মোড়ে ফ্যাশান জোন বাই লিন্ডা নামক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন, ভাঙচুর, লুটপাট ও ককটেল ফাটিয়ে ত্রাস সৃষ্টির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় চলতি বছরের ১৮ মার্চ খুলনা থানায় মামলা দায়ের হয়।
এই মামলায় মিজানুর রহমান মিজান সন্দিগ্ধ আসামি। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে খুলনা সদরসহ বিভিন্ন থানায় অভিযোগ রয়েছে।
তিনি জানান, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মামলায় তাঁকে আটকাদেশের আবেদন করে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর আদালতে হাজির করা হলে বিচারক আবেদন গ্রহণ করে মিজানুর রহমান মিজানকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিকে জামিন পাওয়ার পর জেলগেট থেকে বারবার গ্রেপ্তার করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মিজানের পরিবার। মিজানের ছোট বোন অ্যাডভোকেট সুলতানা রহমান শিল্পী বলেন, ‘আমার ভাই অপরাধী হলে আদালতের মাধ্যমে সুরাহা হোক। কিন্তু একের পর এক মামলায় জামিন হওয়ার পর জেলগেট থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। নতুন নতুন মিথ্যা মামলায় হয়রানি করা হচ্ছে। আমার ভাই অসুস্থ, তাঁর উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন। কিন্তু একাধিক মামলায় জামিন পেয়েও তিনি বাড়িতে ফিরতে পারছেন না। তাঁর বিরুদ্ধে যেসব মামলা দেওয়া হচ্ছে, তার একটিতেও তিনি এজাহারনামীয় আসামি নন। কিন্তু প্রতিটি মামলাতেই তাঁকে সন্দিগ্ধ আসামি করা হচ্ছে; যা দুঃখজনক।’
উল্লেখ্য, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক সাবেক সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিজানকে ৮ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন।
তাঁর বিরুদ্ধে খুলনার বিভিন্ন থানায় ৪টি মামলা রয়েছে। গত বছরের ২৮ জুলাই এক দফা দাবির আন্দোলন চলাকালীন মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনার বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট মামলায় তাঁকে ২৯ মে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এসব মামলায় জামিন পেয়ে বুধবার তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন।

জামিনে মুক্তির পর আবার আটক হয়েছেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় খুলনা জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পরপরই তাঁকে আটক করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
পরে ২০১৮ সালের একটি চাঁদাবাজির মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আজ বৃহস্পতিবার তাঁকে অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মো. আনিসুর রহমানের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৈমুর ইসলাম বলেন, ২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারি খুলনা সদর থানাধীন রয়েল মোড়ে ফ্যাশান জোন বাই লিন্ডা নামক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন, ভাঙচুর, লুটপাট ও ককটেল ফাটিয়ে ত্রাস সৃষ্টির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় চলতি বছরের ১৮ মার্চ খুলনা থানায় মামলা দায়ের হয়।
এই মামলায় মিজানুর রহমান মিজান সন্দিগ্ধ আসামি। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে খুলনা সদরসহ বিভিন্ন থানায় অভিযোগ রয়েছে।
তিনি জানান, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মামলায় তাঁকে আটকাদেশের আবেদন করে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর আদালতে হাজির করা হলে বিচারক আবেদন গ্রহণ করে মিজানুর রহমান মিজানকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিকে জামিন পাওয়ার পর জেলগেট থেকে বারবার গ্রেপ্তার করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মিজানের পরিবার। মিজানের ছোট বোন অ্যাডভোকেট সুলতানা রহমান শিল্পী বলেন, ‘আমার ভাই অপরাধী হলে আদালতের মাধ্যমে সুরাহা হোক। কিন্তু একের পর এক মামলায় জামিন হওয়ার পর জেলগেট থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। নতুন নতুন মিথ্যা মামলায় হয়রানি করা হচ্ছে। আমার ভাই অসুস্থ, তাঁর উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন। কিন্তু একাধিক মামলায় জামিন পেয়েও তিনি বাড়িতে ফিরতে পারছেন না। তাঁর বিরুদ্ধে যেসব মামলা দেওয়া হচ্ছে, তার একটিতেও তিনি এজাহারনামীয় আসামি নন। কিন্তু প্রতিটি মামলাতেই তাঁকে সন্দিগ্ধ আসামি করা হচ্ছে; যা দুঃখজনক।’
উল্লেখ্য, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক সাবেক সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিজানকে ৮ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন।
তাঁর বিরুদ্ধে খুলনার বিভিন্ন থানায় ৪টি মামলা রয়েছে। গত বছরের ২৮ জুলাই এক দফা দাবির আন্দোলন চলাকালীন মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনার বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট মামলায় তাঁকে ২৯ মে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এসব মামলায় জামিন পেয়ে বুধবার তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে