মাগুরার মহম্মদপুরে মধুমতির বুকে জেগে ওঠা বালুচরগুলোতে এবার বাদামের প্রচুর আবাদ হয়েছে। তবে খরতাপে পুড়ে যাচ্ছে বাদামগাছ। নষ্ট হচ্ছে শত শত বিঘা চরের জমির বাদাম। এতে ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন এই অঞ্চলের কৃষকেরা।
এদিকে খরার কারণে বাদাম উৎপাদন কমার আশঙ্কা করছেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা। এ অবস্থায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তাঁরা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপজেলা কার্যালয় সূত্র জানায়, উপজেলার রায়পুর, চরসলামতপুর, হরিনাডাঙ্গা, পাল্লা, চরপাল্লা ঝামা, রায়পাশা, চরঝামা, জাঙ্গালিয়াসহ অন্যান্য চরে চিনাবাদামের চাষ হয়েছে ৬০ হেক্টর জমিতে। কিন্তু প্রচণ্ড খরার কারণে খেতেই ফসল পুড়ে যাচ্ছে।
আজ সোমবার মধুমতি নদীর রায়পুর ঘাট এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মধুমতি নদীর চরের মধ্যে শতাধিক বিঘা জমিতে চিনাবাদাম রোপণ করা হয়েছে। সেই বাদামের জমির অধিকাংশ বাদাম গাছ রোদে পুড়ে শুকিয়ে গেছে। ফলে জমিতেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বাদাম।
রায়পুর গ্রামের কৃষক আসাদ মোল্লা জানান, গত বছর তিনি এক একর জমিতে বাদাম চাষ করেন। ভালো ফলন হওয়ায় এবার করেছেন দুই একর জমিতে। কিন্তু বৃষ্টি না আসায় প্রায় খেতের অধিকাংশ বাদামগাছ রোদে পুড়ে গেছে। লাভের পরিবর্তে এবার লোকসান গুনতে হবে।
হরিণাডাঙ্গা গ্রামের কৃষক সোবাহান মিয়া জানান, তাঁরা দুই ভাই মিলে ৩০ শতাংশ জমিতে বাদাম চাষ করেছেন। খরচ হয়েছে প্রায় ৬ হাজার টাকা। কিন্তু বৃষ্টির অভাবে খেত শুকিয়ে বাদাম নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সোবাহান আজকের পত্রিকাকে বলেন, খরার কারণে বাদামগাছ শুকিয়ে নেতিয়ে যাচ্ছে। এটা প্রাকৃতিক বিষয়। বৃষ্টির পানির বিকল্প নেই। খরার কারণে এবার ফলন কম হতে পারে।

মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে সুপেয় পানি সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার স্থাপনের প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। সেই কাজ একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে বাগিয়ে নেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ড্রাফটসম্যান শাহিন আলম। এখন সেই প্রতিষ্ঠান লাপাত্তা।
১ ঘণ্টা আগে
পরীক্ষার কক্ষে সবাই বেঞ্চে বসে লিখে যাচ্ছেন খাতায়। তাঁদের পাশে বসে লিখছেন আরেক শিক্ষার্থী কলি রানী। তাঁকে দেওয়া হয়েছে ছোট বেঞ্চ। আর সেখানে বসেই মনোযোগসহকারে পা দিয়ে উত্তর লিখে যাচ্ছেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারে তীব্র ওষুধসংকট, জনবল ঘাটতি, দায়িত্বে অবহেলাসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো। ফলে জেলার প্রত্যন্ত এলাকার প্রায় ১১ লাখ মানুষ এসব ক্লিনিক থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধসহ কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের বয়স্ক, গর্ভবতী নারী ও নিম্ন আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী।
২ ঘণ্টা আগে
আড়াই বছর ধরে থমকে রয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) কৃষি যান্ত্রিকীকরণের প্রকল্প। গত ১১ মাস বেতন পাচ্ছেন না প্রকল্পটির ৭৭ কর্মকর্তা-কর্মচারী। অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ প্রকল্পটির সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মন্ত্রণালয়ের অসহযোগিতার কারণে টাকা থাকা সত্ত্বেও সারা দেশে এর কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে