ইবি প্রতিনিধি

বিএনপি ও সমমনা দলের ডাকা চতুর্থ দফা অবরোধও কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) স্বাভাবিক নিয়মেই চলছে অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিভিন্ন বিভাগে রুটিন ক্লাস, কুইজ, মিড টার্ম ও সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা অংশ নিয়েছেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাও স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানা গেছে।
এর আগে গত ২৯ অক্টোবর পর প্রথম দফা হরতাল–অবরোধে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস চললেও পরীক্ষা বন্ধ ছিল। দ্বিতীয় দফা ৫ নভেম্বর থেকে টানা ৪৮ ঘণ্টা সারা দেশে অবরোধ কর্মসূচি ও ৭ নভেম্বরে থেকে তৃতীয় দফায় ৪৮ ঘন্টা অবরোধেও স্বাভাবিক নিয়মে চলেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসেন আজাদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা নিয়ে বিন্দুমাত্র শঙ্কা নেই। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য আমরা সর্বোচ্চ সোচ্চার। অবরোধের দিনে পুলিশি পাহারায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসগুলো আসছে। শিক্ষার্থীরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে ক্লাস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।’
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে অবরোধের দিনগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। অবরোধের সময় পুলিশ প্রটোকলে ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়া শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসগুলো ক্যাম্পাসে আসে। বিকেলে একই প্রটোকলে ক্যাম্পাস থেকে ফিরে যায়। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা অবরোধের প্রতিবাদে নিয়মিত ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে আসছে।
গত ৬ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন, রবীন্দ্র নজরুল কলাভবন ও মীর মশাররফ হোসেন ভবনের ফটকে ‘এক দফা দাবিতে সর্বাত্মক অবরোধ। রাষ্ট্র সংস্কারের কাজ চলছে, সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখিত।’ লেখা সংবলিত ব্যানার ঝুলিয়ে দেয় শাখা ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা। খবর পেয়ে ব্যানারগুলো সরিয়ে ফেলে শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয় আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিএনপি যে সন্ত্রাসীর দল, মানুষ মারার দল সেটা দেশের জনগণের কাছে স্পষ্ট হয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে এই হরতালের কোনো ধরনের প্রভাব পড়েনি। ক্লাস–পরীক্ষা চালু রাখতে শাখা ছাত্রলীগ সব সময় পাশে থাকবে।’

বিএনপি ও সমমনা দলের ডাকা চতুর্থ দফা অবরোধও কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) স্বাভাবিক নিয়মেই চলছে অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিভিন্ন বিভাগে রুটিন ক্লাস, কুইজ, মিড টার্ম ও সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা অংশ নিয়েছেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাও স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানা গেছে।
এর আগে গত ২৯ অক্টোবর পর প্রথম দফা হরতাল–অবরোধে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস চললেও পরীক্ষা বন্ধ ছিল। দ্বিতীয় দফা ৫ নভেম্বর থেকে টানা ৪৮ ঘণ্টা সারা দেশে অবরোধ কর্মসূচি ও ৭ নভেম্বরে থেকে তৃতীয় দফায় ৪৮ ঘন্টা অবরোধেও স্বাভাবিক নিয়মে চলেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসেন আজাদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা নিয়ে বিন্দুমাত্র শঙ্কা নেই। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য আমরা সর্বোচ্চ সোচ্চার। অবরোধের দিনে পুলিশি পাহারায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসগুলো আসছে। শিক্ষার্থীরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে ক্লাস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।’
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে অবরোধের দিনগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। অবরোধের সময় পুলিশ প্রটোকলে ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়া শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসগুলো ক্যাম্পাসে আসে। বিকেলে একই প্রটোকলে ক্যাম্পাস থেকে ফিরে যায়। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা অবরোধের প্রতিবাদে নিয়মিত ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে আসছে।
গত ৬ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন, রবীন্দ্র নজরুল কলাভবন ও মীর মশাররফ হোসেন ভবনের ফটকে ‘এক দফা দাবিতে সর্বাত্মক অবরোধ। রাষ্ট্র সংস্কারের কাজ চলছে, সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখিত।’ লেখা সংবলিত ব্যানার ঝুলিয়ে দেয় শাখা ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা। খবর পেয়ে ব্যানারগুলো সরিয়ে ফেলে শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয় আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিএনপি যে সন্ত্রাসীর দল, মানুষ মারার দল সেটা দেশের জনগণের কাছে স্পষ্ট হয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে এই হরতালের কোনো ধরনের প্রভাব পড়েনি। ক্লাস–পরীক্ষা চালু রাখতে শাখা ছাত্রলীগ সব সময় পাশে থাকবে।’

সোমবার ভোরে বাবুল মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো দেখতে পান। তাঁর ডাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে ওঠেন। বাবলু মিয়ার ছোট ছেলে ঘরে গিয়ে বিছানায় তার মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। তবে ঘরে বা বাড়িতে বাবলু মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
১৭ মিনিট আগে
নির্বাচনী পরিস্থিতি সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নির্বাচন পরিস্থিতি ভালোই মনে হচ্ছে। তবে প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা যাবে প্রচারণা শুরু হলে। তার আগে সবাই মনোনয়নসহ সাংবিধানিক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিচ্ছে।’
১ ঘণ্টা আগে
শহরের গোয়ালপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওয়াকার আলী দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে মাছবাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করতেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে চাঁদা তুলতে গেলে ব্যবসায়ীরা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
টানা সাত দিন ধরে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। ফলে এই জেলায় শীতের প্রভাব বেড়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
২ ঘণ্টা আগে