ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে কীটনাশক প্রয়োগ করে অর্ধশতাধিক পাখি হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বাকড়ি গ্রামের কৃষক মো. মুন্নু গেল কয়েক দিনে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। মৃত্যুর পর ওই পাখিগুলো তিনি লাঠির সঙ্গে বেঁধে ঝুলিয়ে রাখেন। গতকাল বুধবার (২১ ডিসেম্বর) সদরের আলিয়ার বাকড়ি গ্রামের মাঠে গমখেতে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রায় ১০ দিন আগে নিজের ১৮ কাঠা জমিতে গমের বীজ বপন করেন স্থানীয় কৃষক মো. মুন্নু। এরপর সেখানে শালিক, ঘুঘুসহ অন্যান্য পাখি বসে অনেক বীজ খেয়ে ফেলে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে দুই দিন পর ওই কৃষক জমিতে কীটনাশক প্রয়োগ করেন। কীটনাশক মেশানো গম খেয়ে একের পর এক পাখি মারা যেতে থাকে। এরপর মৃত পাখিগুলো রশি দিয়ে লাঠিতে বেঁধে এক সপ্তাহ ধরে খেতেই ঝুলিয়ে রাখেন তিনি। অনেক পাখি এরই মধ্যে পচে গেছে, কোনোটি শেয়ালে নিয়ে গেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয়রা জানান, গমের সঙ্গে কীটনাশক প্রয়োগের ফলে সেই গম খেয়ে পাখিগুলো মারা গেছে। কিছু পাখি পচে গেছে, কিছুতে পচা গন্ধ বের হচ্ছে, আবার অনেক পাখি কাক-শেয়ালে নিয়ে গেছে। আসলে পাখিগুলো এভাবে মেরে ঝুলিয়ে রাখা অমানবিক ঘটনা।
এদিকে কৃষক মো. মুন্নু বলেন, ‘খেতের গমবীজ ছিটানোর পর পাখিগুলো বসে তা খেয়ে ফেলছিল। তাই বীজ রক্ষার জন্যই কীটনাশক দেওয়া হয়েছিল। আর সেগুলো খেয়ে পাখি মরেছে। তবে অন্য পাখি যেন খেতে আর না বসে, এ জন্য মৃত পাখিগুলো ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। হয়তো এ কাজ করা ঠিক হয়নি।’ এ সময় তিনি ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশ না করার জন্যও ভীতি প্রদর্শন করেন।
ঝিনাইদহ বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, ‘পাখি হত্যা করা অপরাধ। আমি একটি ট্রেনিংয়ের কাজে যশোরে এসেছি। এ বিষয়ে পড়ে আপনার সঙ্গে কথা বলব।’
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা জানান, ফসলের খেতে কীটনাশক দিয়ে পাখি হত্যা অবশ্যই অপরাধ। এ ব্যাপারে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে মামলা হতে পারে। তবে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

ঝিনাইদহে কীটনাশক প্রয়োগ করে অর্ধশতাধিক পাখি হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বাকড়ি গ্রামের কৃষক মো. মুন্নু গেল কয়েক দিনে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। মৃত্যুর পর ওই পাখিগুলো তিনি লাঠির সঙ্গে বেঁধে ঝুলিয়ে রাখেন। গতকাল বুধবার (২১ ডিসেম্বর) সদরের আলিয়ার বাকড়ি গ্রামের মাঠে গমখেতে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রায় ১০ দিন আগে নিজের ১৮ কাঠা জমিতে গমের বীজ বপন করেন স্থানীয় কৃষক মো. মুন্নু। এরপর সেখানে শালিক, ঘুঘুসহ অন্যান্য পাখি বসে অনেক বীজ খেয়ে ফেলে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে দুই দিন পর ওই কৃষক জমিতে কীটনাশক প্রয়োগ করেন। কীটনাশক মেশানো গম খেয়ে একের পর এক পাখি মারা যেতে থাকে। এরপর মৃত পাখিগুলো রশি দিয়ে লাঠিতে বেঁধে এক সপ্তাহ ধরে খেতেই ঝুলিয়ে রাখেন তিনি। অনেক পাখি এরই মধ্যে পচে গেছে, কোনোটি শেয়ালে নিয়ে গেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয়রা জানান, গমের সঙ্গে কীটনাশক প্রয়োগের ফলে সেই গম খেয়ে পাখিগুলো মারা গেছে। কিছু পাখি পচে গেছে, কিছুতে পচা গন্ধ বের হচ্ছে, আবার অনেক পাখি কাক-শেয়ালে নিয়ে গেছে। আসলে পাখিগুলো এভাবে মেরে ঝুলিয়ে রাখা অমানবিক ঘটনা।
এদিকে কৃষক মো. মুন্নু বলেন, ‘খেতের গমবীজ ছিটানোর পর পাখিগুলো বসে তা খেয়ে ফেলছিল। তাই বীজ রক্ষার জন্যই কীটনাশক দেওয়া হয়েছিল। আর সেগুলো খেয়ে পাখি মরেছে। তবে অন্য পাখি যেন খেতে আর না বসে, এ জন্য মৃত পাখিগুলো ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। হয়তো এ কাজ করা ঠিক হয়নি।’ এ সময় তিনি ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশ না করার জন্যও ভীতি প্রদর্শন করেন।
ঝিনাইদহ বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, ‘পাখি হত্যা করা অপরাধ। আমি একটি ট্রেনিংয়ের কাজে যশোরে এসেছি। এ বিষয়ে পড়ে আপনার সঙ্গে কথা বলব।’
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা জানান, ফসলের খেতে কীটনাশক দিয়ে পাখি হত্যা অবশ্যই অপরাধ। এ ব্যাপারে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে মামলা হতে পারে। তবে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৩ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৪ ঘণ্টা আগে