খুলনা প্রতিনিধি

‘ভিসিকে কেন নামাইলি এবং নামায়ে কেন আনন্দ মিছিল করলি’ বলেই খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে বহিরাগত ১০-১২ জনের একটা গ্রুপ। এই অভিযোগ আহত শিক্ষার্থীদের।
শনিবার রাত ৮টার দিকে ফুলবাড়ী গেট বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে ১৯ ব্যাচের চার শিক্ষার্থী আহত হন।
আহতরা হলেন মোহন, শেখ মুজাহিদ, গালিব রাহাত ও মো. ওবায়দুল্লাহ।
আহত শিক্ষার্থী মোহন জানান, রাত ৮টার দিকে তাঁরা ফুলবাড়ী গেট বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি ফুচকার দোকানে ফুচকা খেতে যান। সেখানে ১০-১২ জন বহিরাগত তাঁদেরকে ডাক দিলে তাঁরা বলেন, ‘আমরা কুয়েটের শিক্ষার্থী, যা বলার এখানে বলেন।’
মোহন আরও জানান, পরে ধাক্কাতে ধাক্কাতে গালিব রাহাতকে পাশের একটি দোকানে নিয়ে যান এবং মারতে শুরু করেন। মারধরের সময় তাঁরা বলেন, ‘ভিসিকে কেন নামাইলি এবং নামায়ে কেন আনন্দ মিছিল করলি?’
আক্রমণকারীদের কাউকে চিনতে পেরেছেন কি না—জানতে চাইলে এ শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা একজনকে চিনতে পেরেছি।’ তবে তিনি নাম বলতে রাজি হননি।
পরে মুজাহিদ, মোহন ও ওবায়দুল্লাহ সবাইকে মারধর করেন। এরপর শিক্ষার্থীরা আহত অবস্থায় ক্যাম্পাসে এসে ক্যাম্পাসের মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি হন।
এদিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক সানজিদা রুম্পার কাছে জানতে চাইলে চার শিক্ষার্থী আহত অবস্থায় এসেছে বলে জানান। আহতদের শারীরিক অবস্থার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এদিকে শিক্ষার্থীদের ওপর আবারও বহিরাগতদের হামলার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ১০টায় প্রতিবাদ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। এই হামলাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

‘ভিসিকে কেন নামাইলি এবং নামায়ে কেন আনন্দ মিছিল করলি’ বলেই খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে বহিরাগত ১০-১২ জনের একটা গ্রুপ। এই অভিযোগ আহত শিক্ষার্থীদের।
শনিবার রাত ৮টার দিকে ফুলবাড়ী গেট বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে ১৯ ব্যাচের চার শিক্ষার্থী আহত হন।
আহতরা হলেন মোহন, শেখ মুজাহিদ, গালিব রাহাত ও মো. ওবায়দুল্লাহ।
আহত শিক্ষার্থী মোহন জানান, রাত ৮টার দিকে তাঁরা ফুলবাড়ী গেট বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি ফুচকার দোকানে ফুচকা খেতে যান। সেখানে ১০-১২ জন বহিরাগত তাঁদেরকে ডাক দিলে তাঁরা বলেন, ‘আমরা কুয়েটের শিক্ষার্থী, যা বলার এখানে বলেন।’
মোহন আরও জানান, পরে ধাক্কাতে ধাক্কাতে গালিব রাহাতকে পাশের একটি দোকানে নিয়ে যান এবং মারতে শুরু করেন। মারধরের সময় তাঁরা বলেন, ‘ভিসিকে কেন নামাইলি এবং নামায়ে কেন আনন্দ মিছিল করলি?’
আক্রমণকারীদের কাউকে চিনতে পেরেছেন কি না—জানতে চাইলে এ শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা একজনকে চিনতে পেরেছি।’ তবে তিনি নাম বলতে রাজি হননি।
পরে মুজাহিদ, মোহন ও ওবায়দুল্লাহ সবাইকে মারধর করেন। এরপর শিক্ষার্থীরা আহত অবস্থায় ক্যাম্পাসে এসে ক্যাম্পাসের মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি হন।
এদিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক সানজিদা রুম্পার কাছে জানতে চাইলে চার শিক্ষার্থী আহত অবস্থায় এসেছে বলে জানান। আহতদের শারীরিক অবস্থার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এদিকে শিক্ষার্থীদের ওপর আবারও বহিরাগতদের হামলার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ১০টায় প্রতিবাদ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। এই হামলাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

রাজধানীর মগবাজার মোড়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে লোহার পাইপ মাথায় পড়ে তাইজুল ইসলাম (২০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
১০ মিনিট আগে
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, চন্দ্রদ্বীপসহ বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কর্মসূচিতে বাধা, দোকানে চাঁদা দাবি, চাঁদা না দিলে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া কয়েকটি ঘটনায় হত্যাচেষ্টার ও সাক্ষীদের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
১৯ মিনিট আগে
নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
১ ঘণ্টা আগে
জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
১ ঘণ্টা আগে