
যশোরের মনিরামপুরে সহকর্মীর সঙ্গে ঘুরতে বেরিয়ে এক নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে মনিরামপুর থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
মামলার এজাহারে ওই নারী অভিযোগ করেছেন, গত শুক্রবার রাতে উপজেলার একটি এলাকার কবরস্থানে তিনি ধর্ষণের শিকার হন। ২৬ বছর বয়সী এই নারী অভয়নগর উপজেলায় একটি পাটকলের শ্রমিক। তাঁর একটি শিশুসন্তান রয়েছে। ৮-৯ বছর আগে স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর থেকে তিনি বাবার বাড়িতে থেকে পাটকলে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
এ ঘটনায় পুলিশ শনিবার আবু সাইদ (২৫) ও হাবিবুল্লাহ (২৩) নামের দুজনকে গ্রেপ্তারর করেছে।
ওই পরিবারের সদস্যরা জানান, শুক্রবার বিকেলে কাপড়ের দোকানের পাওনা মেটাতে উপজেলার কালীবাড়ি মোড়ে যান এই নারী শ্রমিক। সেখানে মিলের সহকর্মীর সঙ্গে দেখা হলে তাঁরা ভ্যানে করে ঘুরতে বের হন।
নারীর সহকর্মী বলেন, রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আমি এক বন্ধুর সঙ্গে কথা বলছিলাম। তখন আমার নারী সহকর্মী একটু দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আমরা কথা বলার একপর্যায়ে মোটরসাইকেলযোগে সাইদ সেখানে আসেন। এরপর আসেন হাবিবুল্লাহ। তাঁরা ওই নারীকে ধর্ষণের হুমকি দিয়ে ২ হাজার টাকা দাবি করেন। সহকর্মীকে সর্বনাশের হাত থেকে বাঁচাতে আমি মোবাইল ফোনে থাকা ২ হাজার টাকা তুলে ওদের দিই। এর পরও নারী সহকর্মীকে সর্বনাশের হাত থেকে বাঁচাতে পারিনি। আবু সাইদ ও হাবিবুল্লাহ তাঁকে নিয়ে রাত ১২টার দিকে একটি কবরস্থানে ফেলে দুজনে মিলে ধর্ষণ করেন।
ঘটনা জানাজানি হলে নেহালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা শনিবার সকাল ৯টার দিকে হাবিবুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে। এরপর বিকেল ৫টার দিকে কর্মস্থল অভয়নগরের পাটকল থেকে আবু সাইদ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন।
ওই নারীর মা বলেন, ‘ওই দিন বিকেলে কাপড়ের দোকানের বকেয়া মেটাতে আমার মেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। সেখান থেকে রাতে ওর নানার বাড়িতে গিয়ে থাকার কথা ছিল। এর মধ্যে মেয়ের এই সর্বনাশ হয়েছে। আসামিদের লোকজন বিষয়টি মিটমাটের জন্য লোকজনকে ধরাধরি করছে। আমরা পুলিশের আশ্রয়ে আইছি। এর সঠিক বিচার চাই।’
আজ রোববার মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর মোহাম্মদ গাজী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে দুজনের নামে মামলা করেছেন। আমরা দুজনকেই গ্রেপ্তার করেছি। তাঁদের আদালতে পাঠানো হবে।’

যশোরের মনিরামপুরে সহকর্মীর সঙ্গে ঘুরতে বেরিয়ে এক নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে মনিরামপুর থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
মামলার এজাহারে ওই নারী অভিযোগ করেছেন, গত শুক্রবার রাতে উপজেলার একটি এলাকার কবরস্থানে তিনি ধর্ষণের শিকার হন। ২৬ বছর বয়সী এই নারী অভয়নগর উপজেলায় একটি পাটকলের শ্রমিক। তাঁর একটি শিশুসন্তান রয়েছে। ৮-৯ বছর আগে স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর থেকে তিনি বাবার বাড়িতে থেকে পাটকলে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
এ ঘটনায় পুলিশ শনিবার আবু সাইদ (২৫) ও হাবিবুল্লাহ (২৩) নামের দুজনকে গ্রেপ্তারর করেছে।
ওই পরিবারের সদস্যরা জানান, শুক্রবার বিকেলে কাপড়ের দোকানের পাওনা মেটাতে উপজেলার কালীবাড়ি মোড়ে যান এই নারী শ্রমিক। সেখানে মিলের সহকর্মীর সঙ্গে দেখা হলে তাঁরা ভ্যানে করে ঘুরতে বের হন।
নারীর সহকর্মী বলেন, রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আমি এক বন্ধুর সঙ্গে কথা বলছিলাম। তখন আমার নারী সহকর্মী একটু দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আমরা কথা বলার একপর্যায়ে মোটরসাইকেলযোগে সাইদ সেখানে আসেন। এরপর আসেন হাবিবুল্লাহ। তাঁরা ওই নারীকে ধর্ষণের হুমকি দিয়ে ২ হাজার টাকা দাবি করেন। সহকর্মীকে সর্বনাশের হাত থেকে বাঁচাতে আমি মোবাইল ফোনে থাকা ২ হাজার টাকা তুলে ওদের দিই। এর পরও নারী সহকর্মীকে সর্বনাশের হাত থেকে বাঁচাতে পারিনি। আবু সাইদ ও হাবিবুল্লাহ তাঁকে নিয়ে রাত ১২টার দিকে একটি কবরস্থানে ফেলে দুজনে মিলে ধর্ষণ করেন।
ঘটনা জানাজানি হলে নেহালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা শনিবার সকাল ৯টার দিকে হাবিবুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে। এরপর বিকেল ৫টার দিকে কর্মস্থল অভয়নগরের পাটকল থেকে আবু সাইদ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন।
ওই নারীর মা বলেন, ‘ওই দিন বিকেলে কাপড়ের দোকানের বকেয়া মেটাতে আমার মেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। সেখান থেকে রাতে ওর নানার বাড়িতে গিয়ে থাকার কথা ছিল। এর মধ্যে মেয়ের এই সর্বনাশ হয়েছে। আসামিদের লোকজন বিষয়টি মিটমাটের জন্য লোকজনকে ধরাধরি করছে। আমরা পুলিশের আশ্রয়ে আইছি। এর সঠিক বিচার চাই।’
আজ রোববার মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর মোহাম্মদ গাজী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে দুজনের নামে মামলা করেছেন। আমরা দুজনকেই গ্রেপ্তার করেছি। তাঁদের আদালতে পাঠানো হবে।’

রাজধানীর একটি হাসপাতাল থেকে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) লাশটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে, গতকাল সোমবার রাতে নিজ বাসা থেকে হাত, পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করেন মেয়ের জামাই। পরে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
৪ মিনিট আগে
আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে তাঁদের মানিকগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে তাঁরা আদালতের বিচারক সজীব চৌধুরী তাঁদের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। এদিকে নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়ে হাসপাতালে নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনার সত্যতা
১৩ মিনিট আগে
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সেনাবাহিনীর অভিযান চলাকালে মারা যাওয়া বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান ডাবলুর (৫২) ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। কেননা তাঁর পরিবার ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, অভিযান চালানো সেনাসদস্যদের নির্যাতনে মারা গেছেন ডাবলু।
১৬ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জে কারাবন্দী আওয়ামী লীগ নেতা হুমায়ুন কবির মারা গেছেন। আজ মঙ্গলবার ঢাকা জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানান কারাগারের জেল সুপার মোহাম্মদ ফোরকান।
১ ঘণ্টা আগে