সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেনের বিরুদ্ধে ৫ কোটি টাকার মানহানির মামলা হয়েছে। সাতক্ষীরার যুগ্ম জেলা জজ প্রথম আদালতে গত বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) মামলাটি করেন অবসরপ্রাপ্ত ডিআইজি প্রিজন্স শেখ আব্দুল অমিক। আদালতের বিচারক শহিদুল ইসলাম বিবাদীপক্ষকে সমন ইস্যু করার নির্দেশ দিয়েছেন।
এ মামলার পরবর্তী দিন ধার্য রয়েছে আগামী ৭ অক্টোবর। শেখ আব্দুল অমিক সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁকাল গ্রামের বাসিন্দা।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জি এম আবুবকর সিদ্দিক মামলার বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, বাদী শেখ আব্দুল অমিক দীর্ঘ ২৩ বছর দেশের বিভিন্ন কারাগারে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ২০১১ সালের ২৯ এপ্রিল অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক পদ থেকে অবসর নেন। অবসরের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কারা অধিদপ্তরের অনিয়ম নিয়ে তিনি মাঝেমধ্যে মন্তব্য করতেন। তবে তিনি সর্বদা কারা অধিদপ্তরের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে সচেষ্ট ছিলেন।
বাদীর অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করার অভিযোগে গত ২৯ এপ্রিল কারা মহাপরিদর্শক সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন স্মারক নম্বর ৫৮,০৪,০০০০,০২৮,০৫,০০১,২৫-২৭৯ অনুযায়ী তাঁকে দেশের সব কারাগারে অবাঞ্ছিত (Persona non-grata) ঘোষণা করেন। এ-সংক্রান্ত চিঠির কপি ইতিমধ্যে সব কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এতে বাদী সামাজিকভাবে হেয় হয়েছেন। তাঁর সম্মানও ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলায় আরজি পেশ করা হয়, অবসরপ্রাপ্ত একজন জ্যেষ্ঠ কারা কর্মকর্তা হিসেবে বাদীকে দেশের সব কারাগারে প্রবেশে নিষিদ্ধ করা অন্যায় ও বেআইনি। এ ঘটনায় গত ১৮ মে মহাপরিদর্শককে প্রতিবাদপত্র দেওয়া হয়। পরে আইনজীবীর মাধ্যমে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়।
প্রতিবাদপত্র ও লিগ্যাল নোটিশ দেওয়ার পরও বিবাদীপক্ষ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। এ কারণে তিনি সাতক্ষীরা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করেছেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জি এম আবুবকর সিদ্দিক আদালতে বলেন, ‘আমার মক্কেলকে বেআইনিভাবে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে অপমান করা হয়েছে। এ জন্য মানহানির ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে।’
জি এম আবুবকর জানান, গত ১৪ আগস্ট আদালতে মামলা করেন তাঁর মক্কেল। কিন্তু আদালত নির্দিষ্ট পরিমাণ কোর্ট ফি দিয়ে মামলা করার আদেশ দেন। গত বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) বাদীপক্ষ সেই নির্দিষ্ট পরিমাণ কোর্ট ফি দাখিল করার পর আদালত বিবাদীপক্ষকে সমন ইস্যু করার নির্দেশ দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপক্ষের পিপি (সরকারি কৌঁসুলি) অসীম কুমার মণ্ডল বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। মহাপরিদর্শকের পক্ষ হতে কেন এ ধরনের আদেশ দেওয়া হয়েছিল, আদালতে তিনি তাঁর যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করবেন।

কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেনের বিরুদ্ধে ৫ কোটি টাকার মানহানির মামলা হয়েছে। সাতক্ষীরার যুগ্ম জেলা জজ প্রথম আদালতে গত বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) মামলাটি করেন অবসরপ্রাপ্ত ডিআইজি প্রিজন্স শেখ আব্দুল অমিক। আদালতের বিচারক শহিদুল ইসলাম বিবাদীপক্ষকে সমন ইস্যু করার নির্দেশ দিয়েছেন।
এ মামলার পরবর্তী দিন ধার্য রয়েছে আগামী ৭ অক্টোবর। শেখ আব্দুল অমিক সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁকাল গ্রামের বাসিন্দা।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জি এম আবুবকর সিদ্দিক মামলার বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, বাদী শেখ আব্দুল অমিক দীর্ঘ ২৩ বছর দেশের বিভিন্ন কারাগারে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ২০১১ সালের ২৯ এপ্রিল অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক পদ থেকে অবসর নেন। অবসরের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কারা অধিদপ্তরের অনিয়ম নিয়ে তিনি মাঝেমধ্যে মন্তব্য করতেন। তবে তিনি সর্বদা কারা অধিদপ্তরের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে সচেষ্ট ছিলেন।
বাদীর অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করার অভিযোগে গত ২৯ এপ্রিল কারা মহাপরিদর্শক সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন স্মারক নম্বর ৫৮,০৪,০০০০,০২৮,০৫,০০১,২৫-২৭৯ অনুযায়ী তাঁকে দেশের সব কারাগারে অবাঞ্ছিত (Persona non-grata) ঘোষণা করেন। এ-সংক্রান্ত চিঠির কপি ইতিমধ্যে সব কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এতে বাদী সামাজিকভাবে হেয় হয়েছেন। তাঁর সম্মানও ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলায় আরজি পেশ করা হয়, অবসরপ্রাপ্ত একজন জ্যেষ্ঠ কারা কর্মকর্তা হিসেবে বাদীকে দেশের সব কারাগারে প্রবেশে নিষিদ্ধ করা অন্যায় ও বেআইনি। এ ঘটনায় গত ১৮ মে মহাপরিদর্শককে প্রতিবাদপত্র দেওয়া হয়। পরে আইনজীবীর মাধ্যমে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়।
প্রতিবাদপত্র ও লিগ্যাল নোটিশ দেওয়ার পরও বিবাদীপক্ষ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। এ কারণে তিনি সাতক্ষীরা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করেছেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জি এম আবুবকর সিদ্দিক আদালতে বলেন, ‘আমার মক্কেলকে বেআইনিভাবে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে অপমান করা হয়েছে। এ জন্য মানহানির ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে।’
জি এম আবুবকর জানান, গত ১৪ আগস্ট আদালতে মামলা করেন তাঁর মক্কেল। কিন্তু আদালত নির্দিষ্ট পরিমাণ কোর্ট ফি দিয়ে মামলা করার আদেশ দেন। গত বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) বাদীপক্ষ সেই নির্দিষ্ট পরিমাণ কোর্ট ফি দাখিল করার পর আদালত বিবাদীপক্ষকে সমন ইস্যু করার নির্দেশ দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপক্ষের পিপি (সরকারি কৌঁসুলি) অসীম কুমার মণ্ডল বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। মহাপরিদর্শকের পক্ষ হতে কেন এ ধরনের আদেশ দেওয়া হয়েছিল, আদালতে তিনি তাঁর যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করবেন।

সোমবার ভোরে বাবুল মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো দেখতে পান। তাঁর ডাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে ওঠেন। বাবলু মিয়ার ছোট ছেলে ঘরে গিয়ে বিছানায় তার মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। তবে ঘরে বা বাড়িতে বাবলু মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
১৮ মিনিট আগে
নির্বাচনী পরিস্থিতি সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নির্বাচন পরিস্থিতি ভালোই মনে হচ্ছে। তবে প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা যাবে প্রচারণা শুরু হলে। তার আগে সবাই মনোনয়নসহ সাংবিধানিক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিচ্ছে।’
১ ঘণ্টা আগে
শহরের গোয়ালপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওয়াকার আলী দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে মাছবাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করতেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে চাঁদা তুলতে গেলে ব্যবসায়ীরা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
টানা সাত দিন ধরে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। ফলে এই জেলায় শীতের প্রভাব বেড়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
২ ঘণ্টা আগে