
কুষ্টিয়ার মিরপুরে নিখোঁজের ৯ ঘণ্টা পর রাইসা খাতুন (৭) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাড়ির পেছনের একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে দুপুর ১২টা থেকে রাইসাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বহলবাড়িয়া ইউনিয়নের নওদা খাদিমপুর এলাকায়। রাইসা ওই এলাকার আকরাম সরদারের মেয়ে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুর ১২টা থেকে রাইসাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান মেলেনি। রাত ৯টার দিকে বাড়ির পেছনের একটি ডোবায় তার মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘তদন্ত করে যেটা ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটি পা পিছলে ডোবার পানিতে পড়ে মারা গেছে। তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।’

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘পল্লবীতে শিশু হত্যার বিচারকার্যে আদালতের কাছে আসামির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করা হবে। আমাদের কাছে যে তথ্য-প্রমাণ আছে, তাতে আসামির সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত হবে, এটা আমাদের প্রত্যাশা।’ আজ রোববার (৩১ মে) সকালে শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়া
৮ মিনিট আগে
‘পুলিশের চাকরি ওয়ান কাইন্ড অব বিজনেস’—এমন বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে নেত্রকোনার কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল হাসেমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ রোববার সকালে তাঁকে প্রত্যাহার করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার সকালে বাড়ি থেকে কচুয়া বাজারে দোকানের উদ্দেশে রওনা হন তাঁর বাবা। তবে দুপুরের দিকে দোকানটি বন্ধ দেখেন ছানাউল্লাহ। পাশের দোকানদার জানান, তাঁর বাবা অসুস্থতার কথা বলে বাড়ি চলে গেছেন। তবে বাড়িতে নুরুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি।
১ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনায় বাস ও ব্যাটারিচালিত রিকশার সংঘর্ষে মা ও দুই মেয়ে নিহত হয়েছেন। এতে অটোরিকশার চালকসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে