কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার খোকসায় খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে খাইয়ে পাঁচ বছরের শিশুসন্তান হত্যার দায়ে সৎমাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার দুপুরে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এই রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁকে পুলিশি পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। কুষ্টিয়া জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট অনূপ কুমার নন্দী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত নাছিমা বেগম কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার চর ভাবনীপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং খোকসা উপজেলার আমবাড়ীয়া গ্রামের বাদশা প্রামাণিকের দ্বিতীয় স্ত্রী।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ সালে দুই সন্তান রেখে প্রথম স্ত্রী মারা যান খোকসা উপজেলার আমবাড়ীয়া গ্রামের হাসেন প্রামাণিকের ছেলে বাদশা প্রামাণিকের। এরপর কুমারখালী উপজেলার চর ভাবনীপুর গ্রামের বাসিন্দা নাছিমা বেগমকে বিয়ে করেন তিনি।
দ্বিতীয় বিয়ের পর আগের পক্ষের শ্বশুর দুরুদ আলী বাদশার দুই সন্তান শাহীন (৫) ও রায়হানকে (৭) লালনপালনের জন্য নিয়ে যান। ২০০৮ সালের ২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে ঈদ উপলক্ষে জামা কেনার জন্য দুই সন্তানকে বাদশার বাড়ি দিয়ে যান তাঁর শ্বশুর। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পরদিন বাদশার ছোট ছেলে শাহীনকে দুপুরের খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে খাইয়ে দেন নাছিমা বেগম।
এ সময় অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পর শাহীনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পরদিন বাদশা প্রামাণিক বাদী হয়ে খোকসা থানায় মামলা করেন। এই মামলায় গ্রেপ্তারের পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নাছিমা তাকে বিষ খাইয়ে হত্যার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দেন।
২০০৯ সালের ২৭ জানুয়ারি একমাত্র আসামি ও শাহীনের সৎমা নাছিমার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা খোকসা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান। দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত।

কুষ্টিয়ার খোকসায় খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে খাইয়ে পাঁচ বছরের শিশুসন্তান হত্যার দায়ে সৎমাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার দুপুরে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এই রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁকে পুলিশি পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। কুষ্টিয়া জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট অনূপ কুমার নন্দী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত নাছিমা বেগম কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার চর ভাবনীপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং খোকসা উপজেলার আমবাড়ীয়া গ্রামের বাদশা প্রামাণিকের দ্বিতীয় স্ত্রী।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ সালে দুই সন্তান রেখে প্রথম স্ত্রী মারা যান খোকসা উপজেলার আমবাড়ীয়া গ্রামের হাসেন প্রামাণিকের ছেলে বাদশা প্রামাণিকের। এরপর কুমারখালী উপজেলার চর ভাবনীপুর গ্রামের বাসিন্দা নাছিমা বেগমকে বিয়ে করেন তিনি।
দ্বিতীয় বিয়ের পর আগের পক্ষের শ্বশুর দুরুদ আলী বাদশার দুই সন্তান শাহীন (৫) ও রায়হানকে (৭) লালনপালনের জন্য নিয়ে যান। ২০০৮ সালের ২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে ঈদ উপলক্ষে জামা কেনার জন্য দুই সন্তানকে বাদশার বাড়ি দিয়ে যান তাঁর শ্বশুর। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পরদিন বাদশার ছোট ছেলে শাহীনকে দুপুরের খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে খাইয়ে দেন নাছিমা বেগম।
এ সময় অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পর শাহীনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পরদিন বাদশা প্রামাণিক বাদী হয়ে খোকসা থানায় মামলা করেন। এই মামলায় গ্রেপ্তারের পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নাছিমা তাকে বিষ খাইয়ে হত্যার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দেন।
২০০৯ সালের ২৭ জানুয়ারি একমাত্র আসামি ও শাহীনের সৎমা নাছিমার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা খোকসা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান। দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত।

ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফুল ইসলাম জানান, গতকাল রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লাগে নাঈমের প্রাইভেটকারটির। এতে মোটরসাইকেলের আরোহীরা নঈমকে প্রাইভেটকার থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে এলোপাতাড়ি মারধর করে।
৪ মিনিট আগে
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় পুকুর খননে বাধা দেওয়ায় আহমেদ জুবায়ের (২৩) নামের এক তরুণকে হত্যার ঘটনায় বিপ্লব হোসেন (৫২) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ওয়াপদা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
৩২ মিনিট আগে
এসআই সুমন চন্দ্র শেখ আরও বলেন, ওই যুবকের মাথাসহ শরীরের একাধিক জায়গায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। কে বা কারা তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করেছে, তা তাৎক্ষণিক জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্তের পর বলা যাবে। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে তেলবাহী লরির সংঘর্ষে দুই চালকসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সদর উপজেলার বড় খোঁচাবাড়ি এলাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে