বাগেরহাট প্রতিনিধি

প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমাল উপকূলে আঘাত হানার রাতে মারা যান উরফুল বেগম (৮১)। জোয়ারের পানিতে চারদিক থই থই। মায়ের মরদেহ নিয়ে বিপাকে পড়েন ছেলে। পরে গ্রাম-পুলিশের সহায়তায় মরদেহ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয় দুদিন। আজ বুধবার পর্যন্ত ওই এলাকায় জমে হাঁটু পরিমাণ পানির মধ্যেও কাঠের বাক্সে ভরে দাফন করা হয় তাঁকে।
এই ঘটনা ঘটেছে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বারুইখালী ইউনিয়নের পায়রাতলা গ্রামে। উরফুল বেগম ওই গ্রামের হোসেন আলী হাওলাদারের স্ত্রী।
উরফুল বেগমের ৭ ছেলে ও ৩ মেয়ে। তারা সবাই জীবিকার প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে থাকেন। বাড়িতে শুধু দেলোয়ার হাওলাদার নামের এক ছেলে থাকেন। আজ দাফনের দিনেও তার সব ছেলে-মেয়েরা এসে উপস্থিত হতে পারেননি বলে জানা গেছে।
দেলোয়ার হাওলাদার বলেন, ‘মা মারা যাওয়ার পরও পানির কারণে কারও সাথে যোগাযোগ করতে পারছিলাম না। বাড়িঘর সব পানিতে ভরে গেছে। তিন দিন হয়ে গেছে মাকে মাটি দিতে পারি নাই। একটু পানি কমছে, বড় কষ্টে মাকে মাটি দিয়েছি।’
এ বিষয়ে বারুইখালী ইউনিয়ন পরিষদের নারী ইউপি সদস্য হালিমা বেগম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ওই নারী মারা গেছে ঘূর্ণিঝড়ের প্রথম দিনে। খবর পেয়ে গ্রাম-পুলিশ ইউনুস আলী হাওলাদারের সহায়তায় মরদেহ ঘরের আড়ার সাথে বেঁধে ঝুলিয়ে রাখছিল। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে শরণখোলায় প্রচুর পানি ওঠে। আমাদের এখানে একটি সরকারি খাল আছে, সেখানে বাঁধ দেওয়ার কারণে পানি কোথাও নামতে পারে নাই। পানির জন্য দাফন দিতে পারে নাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) গোসল করিয়ে বরফ দিয়ে রেখে দিয়েছিল। আজকে একটু পানি নামার পর সকালে দাফন করা হয়েছে।’

প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমাল উপকূলে আঘাত হানার রাতে মারা যান উরফুল বেগম (৮১)। জোয়ারের পানিতে চারদিক থই থই। মায়ের মরদেহ নিয়ে বিপাকে পড়েন ছেলে। পরে গ্রাম-পুলিশের সহায়তায় মরদেহ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয় দুদিন। আজ বুধবার পর্যন্ত ওই এলাকায় জমে হাঁটু পরিমাণ পানির মধ্যেও কাঠের বাক্সে ভরে দাফন করা হয় তাঁকে।
এই ঘটনা ঘটেছে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বারুইখালী ইউনিয়নের পায়রাতলা গ্রামে। উরফুল বেগম ওই গ্রামের হোসেন আলী হাওলাদারের স্ত্রী।
উরফুল বেগমের ৭ ছেলে ও ৩ মেয়ে। তারা সবাই জীবিকার প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে থাকেন। বাড়িতে শুধু দেলোয়ার হাওলাদার নামের এক ছেলে থাকেন। আজ দাফনের দিনেও তার সব ছেলে-মেয়েরা এসে উপস্থিত হতে পারেননি বলে জানা গেছে।
দেলোয়ার হাওলাদার বলেন, ‘মা মারা যাওয়ার পরও পানির কারণে কারও সাথে যোগাযোগ করতে পারছিলাম না। বাড়িঘর সব পানিতে ভরে গেছে। তিন দিন হয়ে গেছে মাকে মাটি দিতে পারি নাই। একটু পানি কমছে, বড় কষ্টে মাকে মাটি দিয়েছি।’
এ বিষয়ে বারুইখালী ইউনিয়ন পরিষদের নারী ইউপি সদস্য হালিমা বেগম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ওই নারী মারা গেছে ঘূর্ণিঝড়ের প্রথম দিনে। খবর পেয়ে গ্রাম-পুলিশ ইউনুস আলী হাওলাদারের সহায়তায় মরদেহ ঘরের আড়ার সাথে বেঁধে ঝুলিয়ে রাখছিল। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে শরণখোলায় প্রচুর পানি ওঠে। আমাদের এখানে একটি সরকারি খাল আছে, সেখানে বাঁধ দেওয়ার কারণে পানি কোথাও নামতে পারে নাই। পানির জন্য দাফন দিতে পারে নাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) গোসল করিয়ে বরফ দিয়ে রেখে দিয়েছিল। আজকে একটু পানি নামার পর সকালে দাফন করা হয়েছে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে