কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

কয়েক দিনের বৃষ্টিতে যশোরের কেশবপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় হরিহর নদের পানি বেড়েছে। হরিহর নদের মধ্যকুল সাহাপাড়া ও খোঁজাখালি খালের স্লুইসগেট গেটের দক্ষিণ অংশে ভবানিপুর ও দক্ষিণপাড়ায় পানি ঢুকে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। সড়ক উঠেছে পানি, ভেসে গেছে মাছের ঘের। পৌর এলাকায় পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন ১ হাজার ১০ পরিবার।
এদিকে কেশবপুর শহরের চারানি বাজার ও ট্রাক টার্মিনালের পূর্ব অংশে হরিহর নদের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী মানুষেরা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রসহ গবাদিপশু নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাচ্ছেন। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও হরিহর নদের উপচে পড়া পানির কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল সোমবার রাতে হরিহর নদের শাখা খোঁজাখালির স্লুইসগেট গেটের দক্ষিণ অংশে পানি উপচে নতুন করে পৌর এলাকার ভবানিপুর ও দক্ষিণপাড়া প্লাবিত হয়েছে। ওই এলাকার মানুষের বাড়ি-ঘরে এখনো হাঁটুপানি। এ ছাড়া হরিহর নদের মধ্যকুল সাহাপাড়া অংশে পানি ঢুকে পড়ায় বিপাকে পড়েছে ওই এলাকার মানুষ। ভবানীপুর এলাকায় ভেসে গেছে মাছের ঘের ও পুকুর।
ভবানীপুর এলাকার ফারুক খান বলেন, ‘একদিনের ব্যবধানে তার বাড়িতে এখন হাঁটুপানি। একই এলাকার গৃহবধূ শাহিদা সুলতানা বলেন, তাদের পুকুর ভেসে প্রায় ৫০ হাজার টাকার মাছ চলে গেছে। ভেসে গেছে রফিকুল ইসলামের একটি মাছের ঘের। এলাকায় পানি বৃদ্ধি পেয়ে এখন বন্যায় রূপ নিয়েছে।’
পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন বলেন, পৌরসভার সব কটি ওয়ার্ডেই এখন পানি ঢুকে পড়েছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডের ১ হাজার ১০টি পরিবার পানিবন্দী হয়ে দুর্ভোগে রয়েছে। যেভাবে পানি বাড়ছে এতে পৌরসভার ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সজীব সাহা বলেন, পৌরসভা, মঙ্গলকোট ও পাঁজিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন মাছের ঘের এবং পুকুর ভেসে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ঘের ও পুকুরের সংখ্যা নিরূপণের কাজ শুরু করা হয়েছে।
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সুমন সিকদার বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় হরিহর নদে এক ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া হরিহরের শাখা খোঁজাখালি খালের স্লুইসগেট গেটের দক্ষিণ অংশে পানি উপচে ভবানিপুর এলাকায় ঢুকে পড়ছে। এতে ওই এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

কয়েক দিনের বৃষ্টিতে যশোরের কেশবপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় হরিহর নদের পানি বেড়েছে। হরিহর নদের মধ্যকুল সাহাপাড়া ও খোঁজাখালি খালের স্লুইসগেট গেটের দক্ষিণ অংশে ভবানিপুর ও দক্ষিণপাড়ায় পানি ঢুকে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। সড়ক উঠেছে পানি, ভেসে গেছে মাছের ঘের। পৌর এলাকায় পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন ১ হাজার ১০ পরিবার।
এদিকে কেশবপুর শহরের চারানি বাজার ও ট্রাক টার্মিনালের পূর্ব অংশে হরিহর নদের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী মানুষেরা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রসহ গবাদিপশু নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাচ্ছেন। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও হরিহর নদের উপচে পড়া পানির কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল সোমবার রাতে হরিহর নদের শাখা খোঁজাখালির স্লুইসগেট গেটের দক্ষিণ অংশে পানি উপচে নতুন করে পৌর এলাকার ভবানিপুর ও দক্ষিণপাড়া প্লাবিত হয়েছে। ওই এলাকার মানুষের বাড়ি-ঘরে এখনো হাঁটুপানি। এ ছাড়া হরিহর নদের মধ্যকুল সাহাপাড়া অংশে পানি ঢুকে পড়ায় বিপাকে পড়েছে ওই এলাকার মানুষ। ভবানীপুর এলাকায় ভেসে গেছে মাছের ঘের ও পুকুর।
ভবানীপুর এলাকার ফারুক খান বলেন, ‘একদিনের ব্যবধানে তার বাড়িতে এখন হাঁটুপানি। একই এলাকার গৃহবধূ শাহিদা সুলতানা বলেন, তাদের পুকুর ভেসে প্রায় ৫০ হাজার টাকার মাছ চলে গেছে। ভেসে গেছে রফিকুল ইসলামের একটি মাছের ঘের। এলাকায় পানি বৃদ্ধি পেয়ে এখন বন্যায় রূপ নিয়েছে।’
পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন বলেন, পৌরসভার সব কটি ওয়ার্ডেই এখন পানি ঢুকে পড়েছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডের ১ হাজার ১০টি পরিবার পানিবন্দী হয়ে দুর্ভোগে রয়েছে। যেভাবে পানি বাড়ছে এতে পৌরসভার ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সজীব সাহা বলেন, পৌরসভা, মঙ্গলকোট ও পাঁজিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন মাছের ঘের এবং পুকুর ভেসে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ঘের ও পুকুরের সংখ্যা নিরূপণের কাজ শুরু করা হয়েছে।
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সুমন সিকদার বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় হরিহর নদে এক ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া হরিহরের শাখা খোঁজাখালি খালের স্লুইসগেট গেটের দক্ষিণ অংশে পানি উপচে ভবানিপুর এলাকায় ঢুকে পড়ছে। এতে ওই এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
২ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
২ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে