লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি

নড়াইলের লোহাগড়ায় আওয়ামী লীগে নেতাকে ৫০০ ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে জিয়া চৌধুরী (২৮) নামের এক যুবক আটক হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের চরদৌলতপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাঞ্চন কুমার রায় এ তথ্য জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী মো. আরজ আলী ওরফে লিচু কাজী ইতনা ইউনিয়ন পাংখারচর গ্রামের বাসিন্দা এবং ইতনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক।
স্থানীয়রা জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে আওয়ামী লীগ নেতা লিচু কাজী চরদৌলতপুর বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে দিনু মোল্লার দোকানের সামনে পৌঁছালে চরদৌলতপুর গ্রামের জিয়া চৌধুরী তাঁকে ডেকে বসান। এ সময় কৌশলে পাঞ্জাবির পকেটে জিয়া একটি প্যাকেট ঢোকাতে গেলে তাঁর সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে ইয়াবার প্যাকেটটি পকেটে ঢুকিয়ে জিয়া চলে যান। পরে পুলিশ লিচু কাজীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে নেয়।
এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতা লিচু কাজীর ইয়াবা সম্পৃক্ততা নিয়ে সন্দেহ হলে এর সত্যতা জানতে মাঠে নামে লোহাগড়া থানা-পুলিশের একটি দল। অভিযান চালিয়ে ডিক্রিরচর গ্রামের জাহিদ চৌধুরীর বাড়ি থেকে জিয়াকে আটক করে পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় থানা হেফাজত থেকে বেরিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা কাজী আরজ আলী ওরফে লিচু কাজী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করতে সুপরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষের লোকজন জিয়ার মাধ্যমে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছিল। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি অভিযোগ থেকে মুক্তি পেয়েছি।’ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত জিয়াসহ অন্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাঞ্চন কুমার রায় আজকের পত্রিকাকে বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানে জিয়া চৌধুরী নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

নড়াইলের লোহাগড়ায় আওয়ামী লীগে নেতাকে ৫০০ ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে জিয়া চৌধুরী (২৮) নামের এক যুবক আটক হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের চরদৌলতপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাঞ্চন কুমার রায় এ তথ্য জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী মো. আরজ আলী ওরফে লিচু কাজী ইতনা ইউনিয়ন পাংখারচর গ্রামের বাসিন্দা এবং ইতনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক।
স্থানীয়রা জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে আওয়ামী লীগ নেতা লিচু কাজী চরদৌলতপুর বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে দিনু মোল্লার দোকানের সামনে পৌঁছালে চরদৌলতপুর গ্রামের জিয়া চৌধুরী তাঁকে ডেকে বসান। এ সময় কৌশলে পাঞ্জাবির পকেটে জিয়া একটি প্যাকেট ঢোকাতে গেলে তাঁর সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে ইয়াবার প্যাকেটটি পকেটে ঢুকিয়ে জিয়া চলে যান। পরে পুলিশ লিচু কাজীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে নেয়।
এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতা লিচু কাজীর ইয়াবা সম্পৃক্ততা নিয়ে সন্দেহ হলে এর সত্যতা জানতে মাঠে নামে লোহাগড়া থানা-পুলিশের একটি দল। অভিযান চালিয়ে ডিক্রিরচর গ্রামের জাহিদ চৌধুরীর বাড়ি থেকে জিয়াকে আটক করে পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় থানা হেফাজত থেকে বেরিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা কাজী আরজ আলী ওরফে লিচু কাজী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করতে সুপরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষের লোকজন জিয়ার মাধ্যমে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছিল। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি অভিযোগ থেকে মুক্তি পেয়েছি।’ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত জিয়াসহ অন্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাঞ্চন কুমার রায় আজকের পত্রিকাকে বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানে জিয়া চৌধুরী নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৯ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
১২ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে