
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ১৪০টি ‘ভেন্যু কেন্দ্র’ বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যশোর শিক্ষা বোর্ড। এই সিদ্ধান্তের ফলে নিজ প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা দেওয়ার যে সুযোগ ছিল, সেটি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মতিন বলেন, ‘এসএসসি পরীক্ষা নকলমুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও প্রভাবমুক্ত পরিবেশে নেওয়ার জন্য ২০২৬ সাল থেকে কোনো ভেন্যু কেন্দ্র থাকবে না।’
ভেন্যু কেন্দ্র কী?
যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে খুলনা বিভাগের ১০টি জেলায় এসএসসি পরীক্ষার জন্য ২৯৯টি কেন্দ্র রয়েছে। এসব কেন্দ্রে একাধিক প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিয়ে থাকে। যদি কোনো কেন্দ্রে সব পরীক্ষার্থীর জায়গা সংকুলান না হয়, তবে পার্শ্ববর্তী কোনো প্রতিষ্ঠানকে অতিরিক্ত কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যা ‘ভেন্যু কেন্দ্র’ নামে পরিচিত। যশোর বোর্ডের অধীনে এমন ১৪০টি ভেন্যু কেন্দ্র আছে।
অনেক প্রতিষ্ঠান এই সুযোগের অপব্যবহার করে নিজেদের শিক্ষার্থীদের নিজেদের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করত। এর ফলে পরীক্ষায় অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ উঠছিল। এই অভিযোগগুলো আমলে নিয়েই যশোর শিক্ষা বোর্ড ভেন্যু কেন্দ্র বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
নতুন নিয়ম ও শর্তাবলি
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মতিন জানান, যেসব প্রতিষ্ঠান ভেন্যু কেন্দ্র হিসেবে পরিচালিত হয়ে আসছিল, তাদের এখন থেকে নিকটস্থ অন্য কোনো কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে। এ জন্য তারা কোন কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত হতে ইচ্ছুক, তা আবেদনের মাধ্যমে বোর্ডকে জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে।
এ ক্ষেত্রে ছয়টি বিশেষ শর্ত দেওয়া হয়েছে:
অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা নিজেদের কেন্দ্রে পরীক্ষা দিলে নকলের অভিযোগ ওঠে এবং শিক্ষকেরাও নানা ধরনের অপকর্মে জড়িয়ে পড়েন। এতে পরীক্ষার পরিবেশ নষ্ট হয়। এ কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও আন্তবোর্ডের সিদ্ধান্তে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও যোগ করেন যে ভেন্যু কেন্দ্র বাতিল হলে দু-এক জায়গায় নতুন কেন্দ্র বাড়তে পারে, তবে পুরো প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য যথেষ্ট সময় হাতে আছে।
আরও খবর পড়ুন:

খুলনা মহনগরীর নিজ খামার এলাকা থেকে ৫টি অস্ত্র, ৯৬টি গুলিসহ সুরাইয়া নামের এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাঁকে আটক করা হয়। আটক ওই নারী সাতক্ষীরা সদর এলাকার বাসিন্দা।
৪৪ মিনিট আগে
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। কিছুক্ষণ পর ডা. রেজওয়ানা রশিদ বাসা থেকে হাসপাতালে এসে পৌঁছান। এ সময় মন্ত্রী তাঁর অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে তিনি ছুটিতে থাকার কথা জানান। তবে ছুটির কোনো অনুমোদিত কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
১ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার বিকেলে শিশুটিকে খালি ঘরে রেখে তার মা বাড়ির সামনের মাঠ থেকে ছাগল আনতে গিয়েছিলেন। কিছু সময় পর ঘরে এসে দেখেন মেয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছে, আর তার নিম্নাঙ্গ থেকে রক্ত ঝরছে। মায়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন গিয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার আসামি সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও হাবিবুর রহমানকে ধিক্কার জানিয়ে ইমতিয়াজ বলেন, ‘আমার মাসুম বাচ্চাকে দুধ খাওয়া থেকেও তোমরা বঞ্চিত করেছ। আমার স্ত্রী ওই চেয়ারে বসে এক দিনও শান্তি পায়নি।’
২ ঘণ্টা আগে