নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেড় বছরে পুলিশের যে ক্ষতি হয়েছে, তা আগামী ৫০ বছরেও পুনরুদ্ধার করা কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক আইজিপি নুরুল হুদা। তিনি বলেছেন, বিগত দেড় দশকে পুলিশের যে ক্ষতি হয়েছে, তা আগামী ৫০ বছরেও পুনরুদ্ধার করা কঠিন।
আজ শনিবার বিকেলে ডেইলি স্টারের উদ্যোগে রাজধানীর ডেইলি স্টার সেন্টারে আয়োজিত ‘পুলিশ সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা: নাগরিক সমাজের ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
গোলটেবিল আলোচনায় পুলিশ, আমলা, রাজনীতিক, নাগরিক সমাজ ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা ও সভাপতিত্ব করেন ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম।
আলোচনায় সাবেক আইজিপি নুরুল হুদা বলেন, পুলিশ সংস্কারের অনেক সুযোগ এসেছে, কিন্তু সেগুলো কাজে লাগানো যায়নি। সমাজে গা-ছাড়া ভাব থাকলে সংস্কার সম্ভব নয়। বিগত দেড় দশকে পুলিশের যে ক্ষতি হয়েছে, তা আগামী ৫০ বছরেও পুনরুদ্ধার করা কঠিন। পুলিশ আইন-১৮৬১ এখনো পরিবর্তন হয়নি, কারণ কেউ কেউ ক্ষমতা ধরে রাখতে চায়।
আইজিপি নুরুল হুদা কমিশনের সমালোচনা করে বলেন, এবারের কমিশন সবচেয়ে হোপলেস এবং ইনইফেকটিভ, তারা পুলিশ সমস্যার সঠিক মূল্যায়ন করতে পারেনি। আইজিপির ওপর কোনো সীমারেখা নেই, যার ফলে কেউ যা চায় করাতে পারে। পুলিশের তদন্ত ক্ষমতা নির্বাহী বিভাগের ছায়া থেকে বের করতে না পারলে কিছুই সম্ভব নয়। সংস্কারের জন্য পুলিশের ওপর থেকে নির্বাহী ক্ষমতা হ্রাস করতে হবে। লোক দেখানো সংস্কার নয়, আন্তরিকতা ও মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি।
সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘পুলিশ সংস্কারের বিভিন্ন দিক নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। আইজিপির বক্তব্য শুনে মনে হয়, ১৮৬১ সালের পুলিশ আইন পরিবর্তন করলেই পুলিশ সংস্কার হয়ে যাবে। তবে পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনায় স্বাধীন কমিশন গঠনের প্রয়োজনীয়তা ও আইনের পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। একটি জনবান্ধব স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠন জরুরি।’
বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ঐকমত্য কমিশনে পুলিশ সংস্কার নিয়ে আলোচনা খুব কম হয়েছে। অনেক সংস্কার আইনের মাধ্যমে করা সম্ভব, তবে পুলিশ কমিশনের প্রতিবেদনে পেশাদারত্ব, দায়বদ্ধতা ও নৈতিক বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করার দিকটি উপেক্ষিত হয়েছে। বাংলাদেশে পুলিশ সংস্কারের জন্য ডজনের বেশি কমিশন গঠন করা হয়েছে, কিন্তু স্বাধীন পুলিশ কমিশন বাস্তবায়ন হয়নি। জুলাই জাতীয় সনদে অন্তর্ভুক্ত ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে স্বাধীন পুলিশ কমিশন অগ্রাধিকার পেয়েছে।
স্বাধীন পুলিশ কমিশনের গঠন সম্পর্কে মজুমদার জানান, এটি ৯ সদস্যের হবে, যার মধ্যে দুজন নারী থাকবেন, প্রধান একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি হবেন। অন্য সদস্যরা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে প্রতিনিধিত্ব করবেন। এটি সাংবিধানিক কমিশন নয়, বরং একটি স্বাধীন প্রাতিষ্ঠানিক কমিশন।
১৯৫৪ সালের নির্বাচনের উদাহরণ দিয়ে বদিউল আলম বলেন, সাংবিধানিক কমিশন হলেও তা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেনি। তাই পুলিশ কমিশন আইনের মাধ্যমে গঠিত হবে, যা জনবান্ধব পুলিশ নিশ্চিত করবে। রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও মানসিকতার পরিবর্তন না হলে আইনকানুন ও বিধিবিধান করে লাভ হবে না। সুষ্ঠু নির্বাচন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে হয়েছিল, কিন্তু পরবর্তীকালে নির্বাচন কমিশন ও বিধিবিধান থাকলেও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হয়নি। সুতরাং, প্রথমেই রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তন জরুরি।
পুলিশ সংস্কার কমিশনের সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ে ভিন্ন ধরনের জবাবদিহি প্রয়োজন। লাশ উদ্ধার করতে গেলে পুলিশের খরচ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বহন করেন, পুলিশ নয়। এই প্রক্রিয়া পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। পুলিশ সংস্কার তিনটি পর্যায়ে সুপারিশ করেছে—কিছু বিষয় এখনই সংস্কার করতে হবে, কিছু মধ্যবর্তী সময়ে এবং কিছু দীর্ঘ মেয়াদে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অতীতে পুলিশ সংস্কারের জন্য যে কমিশনগুলো গঠন করা হয়েছে, তার প্রতিবেদন একটি লাইব্রেরি তৈরি করতে পারত। এবারও ৬টি কমিশন হয়েছে, ৫টির আলোচনা হয়েছে, কিন্তু পুলিশ সংস্কার কমিশন নিয়ে হয়নি। তবে সব রাজনৈতিক দল স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনে একমত। পুলিশ ও জনগণের জন্য একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করা যেতে পারে। রাজনৈতিক ব্যবহার বন্ধ করতে এবং জনগণের বন্ধু হতে পুলিশের মানসিকতা পরিবর্তন জরুরি।
আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, রাজনৈতিক সরকারের আমলে পুলিশের অপব্যবহার হয়েছে এবং হচ্ছে। হেফাজতে মৃত্যুসংক্রান্ত আইন থাকলেও পুলিশ প্রতিবছর এ আইনের পরিবর্তন চায়।
আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, ২০০৬ সাল থেকে পুলিশ সংস্কারের চেষ্টা চলছে, ২০০৭ সালের প্রতিবেদন এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। পুলিশের কার্যক্রমে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করা জরুরি। পুলিশ যেন নির্ধারণ করতে পারে, কাকে গ্রেপ্তার বা কারাগারে পাঠাবে; সেটা অন্য কেউ করতে পারবে না।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা মো. মোবারক হোসেন বলেন, পুলিশকে মারণাস্ত্র দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। একটি স্বাধীন কমিশন প্রয়োজন, সঙ্গে নৈতিক ও ধর্মীয় প্রশিক্ষণ থাকা দরকার।
ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, পুলিশের অপব্যবহার রাজনৈতিক কারণে হয়েছে। পুলিশ নিজের ইচ্ছায় এটি করেনি, আদেশ অনুযায়ী করেছে। পুলিশকে ভবিষ্যতে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার না করতে একটি সুসংগঠিত নীতিমালা ও স্বাধীন কমিশন প্রয়োজন।
সাবেক বিচারপতি ফরিদ আহম্মেদ বলেন, যে সরকারই ক্ষমতায় এসেছে, তারা পুলিশ সংস্কার করেনি। এখন সুযোগ এসেছে, তাই এটি কাজে লাগানো জরুরি। পুলিশের নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে এবং মামলাবাণিজ্য ও হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মো. মতিউর রহমান শেখ।

দেড় বছরে পুলিশের যে ক্ষতি হয়েছে, তা আগামী ৫০ বছরেও পুনরুদ্ধার করা কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক আইজিপি নুরুল হুদা। তিনি বলেছেন, বিগত দেড় দশকে পুলিশের যে ক্ষতি হয়েছে, তা আগামী ৫০ বছরেও পুনরুদ্ধার করা কঠিন।
আজ শনিবার বিকেলে ডেইলি স্টারের উদ্যোগে রাজধানীর ডেইলি স্টার সেন্টারে আয়োজিত ‘পুলিশ সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা: নাগরিক সমাজের ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
গোলটেবিল আলোচনায় পুলিশ, আমলা, রাজনীতিক, নাগরিক সমাজ ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা ও সভাপতিত্ব করেন ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম।
আলোচনায় সাবেক আইজিপি নুরুল হুদা বলেন, পুলিশ সংস্কারের অনেক সুযোগ এসেছে, কিন্তু সেগুলো কাজে লাগানো যায়নি। সমাজে গা-ছাড়া ভাব থাকলে সংস্কার সম্ভব নয়। বিগত দেড় দশকে পুলিশের যে ক্ষতি হয়েছে, তা আগামী ৫০ বছরেও পুনরুদ্ধার করা কঠিন। পুলিশ আইন-১৮৬১ এখনো পরিবর্তন হয়নি, কারণ কেউ কেউ ক্ষমতা ধরে রাখতে চায়।
আইজিপি নুরুল হুদা কমিশনের সমালোচনা করে বলেন, এবারের কমিশন সবচেয়ে হোপলেস এবং ইনইফেকটিভ, তারা পুলিশ সমস্যার সঠিক মূল্যায়ন করতে পারেনি। আইজিপির ওপর কোনো সীমারেখা নেই, যার ফলে কেউ যা চায় করাতে পারে। পুলিশের তদন্ত ক্ষমতা নির্বাহী বিভাগের ছায়া থেকে বের করতে না পারলে কিছুই সম্ভব নয়। সংস্কারের জন্য পুলিশের ওপর থেকে নির্বাহী ক্ষমতা হ্রাস করতে হবে। লোক দেখানো সংস্কার নয়, আন্তরিকতা ও মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি।
সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘পুলিশ সংস্কারের বিভিন্ন দিক নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। আইজিপির বক্তব্য শুনে মনে হয়, ১৮৬১ সালের পুলিশ আইন পরিবর্তন করলেই পুলিশ সংস্কার হয়ে যাবে। তবে পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনায় স্বাধীন কমিশন গঠনের প্রয়োজনীয়তা ও আইনের পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। একটি জনবান্ধব স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠন জরুরি।’
বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ঐকমত্য কমিশনে পুলিশ সংস্কার নিয়ে আলোচনা খুব কম হয়েছে। অনেক সংস্কার আইনের মাধ্যমে করা সম্ভব, তবে পুলিশ কমিশনের প্রতিবেদনে পেশাদারত্ব, দায়বদ্ধতা ও নৈতিক বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করার দিকটি উপেক্ষিত হয়েছে। বাংলাদেশে পুলিশ সংস্কারের জন্য ডজনের বেশি কমিশন গঠন করা হয়েছে, কিন্তু স্বাধীন পুলিশ কমিশন বাস্তবায়ন হয়নি। জুলাই জাতীয় সনদে অন্তর্ভুক্ত ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে স্বাধীন পুলিশ কমিশন অগ্রাধিকার পেয়েছে।
স্বাধীন পুলিশ কমিশনের গঠন সম্পর্কে মজুমদার জানান, এটি ৯ সদস্যের হবে, যার মধ্যে দুজন নারী থাকবেন, প্রধান একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি হবেন। অন্য সদস্যরা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে প্রতিনিধিত্ব করবেন। এটি সাংবিধানিক কমিশন নয়, বরং একটি স্বাধীন প্রাতিষ্ঠানিক কমিশন।
১৯৫৪ সালের নির্বাচনের উদাহরণ দিয়ে বদিউল আলম বলেন, সাংবিধানিক কমিশন হলেও তা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেনি। তাই পুলিশ কমিশন আইনের মাধ্যমে গঠিত হবে, যা জনবান্ধব পুলিশ নিশ্চিত করবে। রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও মানসিকতার পরিবর্তন না হলে আইনকানুন ও বিধিবিধান করে লাভ হবে না। সুষ্ঠু নির্বাচন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে হয়েছিল, কিন্তু পরবর্তীকালে নির্বাচন কমিশন ও বিধিবিধান থাকলেও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হয়নি। সুতরাং, প্রথমেই রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তন জরুরি।
পুলিশ সংস্কার কমিশনের সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ে ভিন্ন ধরনের জবাবদিহি প্রয়োজন। লাশ উদ্ধার করতে গেলে পুলিশের খরচ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বহন করেন, পুলিশ নয়। এই প্রক্রিয়া পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। পুলিশ সংস্কার তিনটি পর্যায়ে সুপারিশ করেছে—কিছু বিষয় এখনই সংস্কার করতে হবে, কিছু মধ্যবর্তী সময়ে এবং কিছু দীর্ঘ মেয়াদে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অতীতে পুলিশ সংস্কারের জন্য যে কমিশনগুলো গঠন করা হয়েছে, তার প্রতিবেদন একটি লাইব্রেরি তৈরি করতে পারত। এবারও ৬টি কমিশন হয়েছে, ৫টির আলোচনা হয়েছে, কিন্তু পুলিশ সংস্কার কমিশন নিয়ে হয়নি। তবে সব রাজনৈতিক দল স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনে একমত। পুলিশ ও জনগণের জন্য একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করা যেতে পারে। রাজনৈতিক ব্যবহার বন্ধ করতে এবং জনগণের বন্ধু হতে পুলিশের মানসিকতা পরিবর্তন জরুরি।
আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, রাজনৈতিক সরকারের আমলে পুলিশের অপব্যবহার হয়েছে এবং হচ্ছে। হেফাজতে মৃত্যুসংক্রান্ত আইন থাকলেও পুলিশ প্রতিবছর এ আইনের পরিবর্তন চায়।
আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, ২০০৬ সাল থেকে পুলিশ সংস্কারের চেষ্টা চলছে, ২০০৭ সালের প্রতিবেদন এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। পুলিশের কার্যক্রমে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করা জরুরি। পুলিশ যেন নির্ধারণ করতে পারে, কাকে গ্রেপ্তার বা কারাগারে পাঠাবে; সেটা অন্য কেউ করতে পারবে না।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা মো. মোবারক হোসেন বলেন, পুলিশকে মারণাস্ত্র দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। একটি স্বাধীন কমিশন প্রয়োজন, সঙ্গে নৈতিক ও ধর্মীয় প্রশিক্ষণ থাকা দরকার।
ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, পুলিশের অপব্যবহার রাজনৈতিক কারণে হয়েছে। পুলিশ নিজের ইচ্ছায় এটি করেনি, আদেশ অনুযায়ী করেছে। পুলিশকে ভবিষ্যতে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার না করতে একটি সুসংগঠিত নীতিমালা ও স্বাধীন কমিশন প্রয়োজন।
সাবেক বিচারপতি ফরিদ আহম্মেদ বলেন, যে সরকারই ক্ষমতায় এসেছে, তারা পুলিশ সংস্কার করেনি। এখন সুযোগ এসেছে, তাই এটি কাজে লাগানো জরুরি। পুলিশের নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে এবং মামলাবাণিজ্য ও হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মো. মতিউর রহমান শেখ।

শূন্য ভিটার ওপর দাঁড়িয়ে আছে বসতঘরের অবকাঠামো। নেই বেড়া, ছাউনি। বৃষ্টির পানিতে ভিটার মাটি ধুয়ে সমতলে মিশে গেছে অনেক আগে। এসব ঘরে এখন আর মানুষ বসবাস করে না। এমন দৃশ্য নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চর আতাউরের গুচ্ছগ্রামের ঘরগুলোর।
৭ ঘণ্টা আগে
ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে জলাতঙ্কের টিকা সরবরাহ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। হাসপাতালের জলাতঙ্ক ইউনিটের দরজায় তালা ঝুলিয়ে সাঁটানো একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘ইনজেকশন-র্যাবিস ভ্যাকসিন’ এবং ‘ইনজেকশন-আরআইজি’ সরকারি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের রাউজানে রাজনৈতিক খুনোখুনি থামছেই না। গত ১৬ মাসে উপজেলায় খুন হয়েছেন ১৯ জন। তাঁদের মধ্যে ৮ জন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান (পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং একজন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক গোলাম আকবর খন্দকারের অনুসারী।
৮ ঘণ্টা আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্তে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই ভারতীয় নাগরিককে আটক করার ঘটনা ঘটেছে। পরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাঁদের উদ্ধার করে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করেছে।
১০ ঘণ্টা আগে