Ajker Patrika

রামগড়ে ঢাকা-খাগড়াছড়ি মহাসড়কের পাশে মাটিধস, বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা

রামগড় (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি  
আপডেট : ১৩ জুলাই ২০২৬, ২০: ২৯
রামগড়ে ঢাকা-খাগড়াছড়ি মহাসড়কের পাশে মাটিধস, বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা
অতিবৃষ্টিতে মহাসড়কের পাশের মাটি ধসে গিয়ে বিপজ্জনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ছবি: আজকের পত্রিকা

টানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় ঢাকা-খাগড়াছড়ি মহাসড়কের পাশের মাটি ধসে গিয়েছে। আজ সোমবার সকাল ছয়টার দিকে উপজেলার পাতাছড়া ইউনিয়নের পাগলাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে সড়ক ও জনপথ বিভাগ ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করে বালুর বস্তা দিয়ে সাময়িক মেরামত করেছে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, অতিবৃষ্টির কারণে মহাসড়কের পাশের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাটি সরে গেছে। এতে সড়কের একটি অংশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন যাত্রীবাহী বাস, ট্রাক, পণ্যবাহী যানবাহন, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে।

স্থানীয় লোকজনের আশঙ্কা, বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে সড়কের নিচের মাটি আরও সরে যেতে পারে। এতে মহাসড়কের বড় একটি অংশ ধসে পড়ার পাশাপাশি যান চলাচল আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

এদিকে ঢাকা–খাগড়াছড়ি মহাসড়কের রামগড় বাজার থেকে রামগড় স্থলবন্দর পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ ও বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। বৃষ্টির পানি জমে গর্তগুলো ঢেকে যাওয়ায় চালকেরা সেগুলোর অবস্থান ও গভীরতা বুঝতে পারেন না। এ কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ।

স্থানীয় বাসিন্দা ও স্কুলশিক্ষক ওয়ালি উল্লাহ বলেন, `বৃষ্টি হলেই সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙে যায়। গর্তগুলো পানিতে ডুবে থাকায় চলাচলের সময় বোঝা যায় না। যানবাহন গর্তে পড়ে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। এ সড়কে আগেও একাধিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।'

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সড়কটির বেহাল অবস্থা দীর্ঘদিনের হলেও স্থায়ীভাবে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বিশেষ করে রাতে ও বৃষ্টির সময় সড়কটি দিয়ে চলাচল বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সৌম্য তালুকদার বলেন, `মাটি ধসের খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে লোক পাঠানো হয়েছে। সড়কের পাশের ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করে বালুর বস্তা দিয়ে সাময়িক মেরামত করা হয়েছে। বর্তমানে সড়কটি ঝুঁকিমুক্ত রয়েছে। বৃষ্টি শেষ হলে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ স্থায়ীভাবে মেরামত করা হবে।'

রামগড় বাজার থেকে স্থলবন্দর পর্যন্ত সড়কের বেহাল অবস্থার বিষয়টি তাঁদের জানা আছে উল্লেখ করে সৌম্য তালুকদার বলেন, সড়কটি বর্তমানে স্থলবন্দর প্রকল্পের আওতায় রয়েছে। প্রকল্প কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে একটি সমাধানে পৌঁছানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত