ঘুমের ঘোরে মানুষ নানা রকম স্বপ্ন দেখে, যার বেশির ভাগেই গভীর অর্থ বা ইঙ্গিত থাকে। ইসলামি স্বপ্নতত্ত্বে দুধকে সাধারণত পবিত্রতা, ফিতরাত (স্বাভাবিক মানবপ্রকৃতি), হালাল জীবিকা, ইলম (জ্ঞান) ও কল্যাণের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
স্বপ্নে পুরুষ বা নারীর স্তনে দুধ দেখা সম্পদ, প্রাচুর্য ও সৌভাগ্যের প্রতীক। তবে ইসলামি স্বপ্নতত্ত্ববিদদের মতে, বাস্তবে দুধ নেই এমন কোনো নারী যদি স্বপ্নে দেখেন যে তিনি কোনো পরিচিত শিশু, পুরুষ বা নারীকে দুধ পান করাচ্ছেন—তাহলে তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জীবিকা সংকুচিত হওয়া, বন্দিত্ব বা কোনো সীমাবদ্ধতায় পড়ার ইঙ্গিত বহন করতে পারে।
সব ধরনের পশুর দুধের ব্যাখ্যা এক নয়। পশুর ভিন্নতা অনুযায়ী এর তাবিরও ভিন্ন হয়: ১. উটের দুধ: নেককার স্ত্রী লাভ কিংবা বরকতময় সন্তানের সুসংবাদ। ২. গাভির দুধ: হালাল উপার্জন, বরকত ও আর্থিক প্রাচুর্যের প্রতীক। ৩. ভেড়া ও ছাগলের দুধ: সার্বিক কল্যাণ ও সুখ-শান্তির ইঙ্গিত। ৪. ঘোড়ার দুধ: ঘোড়ার দুধ পান করতে দেখলে শাসক বা প্রভাবশালী ব্যক্তির নৈকট্য লাভ এবং সমাজে সম্মান বৃদ্ধির লক্ষণ প্রকাশ পায়।
হিংস্র বা অপবিত্র প্রাণীর দুধ দেখার ব্যাখ্যা সাধারণত একটু ভিন্ন ও সতর্কতামূলক হয়ে থাকে: ১. সিংহীর দুধ: শত্রুর ওপর বিজয় লাভ এবং শক্তি ও সাহসের প্রতীক। ২. নেকড়ের দুধ: অন্যায় বা অনৈতিক উপায়ে সম্পদ অর্জন কিংবা মানসিক উদ্বেগের ইঙ্গিত। ৩. শূকরের দুধ: মানুষের বিবেক ও চিন্তাশক্তির বিকৃতি অথবা হারাম সম্পদের প্রতি ঝুঁকে পড়ার একধরনের সতর্কবার্তা। ৪. শিয়ালের দুধ: সাময়িক অসুস্থতা বা রোগব্যাধির লক্ষণ। ৫. বিড়ালের দুধ: পারিবারিক বা সামাজিক বিবাদ, শত্রুতা ও দুশ্চিন্তার প্রতীক।
দুগ্ধজাত অন্যান্য দ্রব্যের ক্ষেত্রেও পৃথক ব্যাখ্যা রয়েছে। যেমন—স্বপ্নে মাখন দেখা অফুরন্ত বরকতের প্রতীক। আর পনির দেখা কখনো সঞ্চিত সম্পদের, আবার কখনো বা দূরপাল্লার সফরে অর্জিত রিজিকের ইঙ্গিত বহন করে।
তথ্যসূত্র: ইবনে সিরিন, তফসিরুল আহলাম: ১২৪-১২৬, আল-মাকতাবাতুত তাওফিকিইয়াহ, কায়রো

গুনাহ মূলত দুই প্রকার; ১. সগিরা গুনাহ (ছোট পাপ) এবং ২. কবিরা গুনাহ (মহাপাপ)। কবিরা গুনাহ থেকে মাফ পেতে খাঁটি মনে তওবা করা আবশ্যক। তওবা ছাড়া কবিরা গুনাহ মাফ হয় না; এমনকি কোনো কোনো কবিরা গুনাহের ক্ষেত্রে তওবা ছাড়া মৃত্যুবরণ করলে কঠিন শাস্তির হুঁশিয়ারিও হাদিসে এসেছে...
১৮ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১ দিন আগে
সপ্তাহের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ দিন জুমাবার। মুমিনের জীবনে দিনটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা এ দিনের নামে স্বতন্ত্র সুরা অবতীর্ণ করেছেন। জুমার আজানের সঙ্গে সঙ্গে দুনিয়ার যাবতীয় কাজকর্ম ত্যাগ করে তাঁর দরবারে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
২ দিন আগে
হিজরি বর্ষপঞ্জির তৃতীয় মাসের নাম রবিউল আউয়াল। আরবি ভাষায় রবি শব্দের অর্থ বসন্তকাল এবং আউয়াল অর্থ প্রথম; অর্থাৎ রবিউল আউয়াল মানে হলো প্রথম বসন্ত বা বসন্তকালের সূচনা। ঋতুচক্রে প্রকৃতি যেমন শুষ্কতার খোলস ভেঙে বসন্তের ছোঁয়ায় ফুলে-ফলে সুবাসিত ও সজীব হয়ে ওঠে, ঠিক তেমনই চৌদ্দ শ বছর আগে...
২ দিন আগে