আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি

ব্যবসায়িক সম্পর্ক থেকে তাঁদের পরিচয়। সেই সূত্র ধরে চীনা পণ্য এনে দিতে ব্যাংকের মাধ্যমে কয়েক দফায় অর্ধকোটি দেন তাঁরা। কিন্তু টাকা পাওয়ার পর ওপার থেকে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। আর দেশ থেকে বিষয়টি পরিচালনা করেন ওই ব্যবসায়ীর মা। ছেলে ও মায়ের নামে টাকা আত্মসাতের এ অভিযোগে থানা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন দুই ব্যক্তি।
ঘটনাটি ঘটেছে জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে। এ ঘটনায় চলতি বছর ৩ মার্চ ও ২০ মে ইউএনও বরাবর ও থানায় পৃথক অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন সামিউল নাসিম সোনা (২৯)। তিনি বিদেশে বসে পণ্য সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়ে হাতিয়ে নেন টাকা। অপরদিকে তাঁর মা সামছুন নাহার দেশে থেকে সেটি পরিচালনা করেন। সামছুন নাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর পদে কর্মরত রয়েছেন। তাঁদের বাড়ি উপজেলার জাফরপুর গ্রামে।
ভুক্তভোগী যশোর জেলার শফিকুল ইসলাম তাঁর অভিযোগে উল্লেখ করেন, সামছুন নাহারের ছেলে সামিউল নাসিম সোনা (২৯) দুবাইয়ে অবস্থান করছেন। তিনি ইন্টারনেটের কাজে ব্যবহৃত চীনা মালামাল দেওয়ার কথা বলে ব্যাংকের মাধ্যমে ২৪ লাখ ৫২ হাজার ৫০০ টাকা নিয়েছিলেন সামিউল ইসলাম। টাকা পাওয়ার পর তিনি সব যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
অপরদিকে ফরিদপুর জেলার রাকিব হোসেন নামের আরও এক ব্যক্তির কাছ থেকেও ২৬ লাখ ২৪ হাজার টাকার মালামাল দেওয়ার কথা বলে ওই টাকা আত্মসাৎ করেন এবং তাঁর সঙ্গেও যোগাযোগ বন্ধ করে দেন সামিউল ইসলাম। এ ঘটনায় রাকিব হোসেনও আক্কেলপুর থানায় সামিউল ইসলামের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন।
ইউএনও কার্যালয় ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের প্রবাসী ছেলে সামিউল নাসিম সোনার সঙ্গে ভুক্তভোগী শফিকুল ইসলাম ও রাকিব হোসেনের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল। তাঁরা সামিউল ইসলামের মাধ্যমে চীন থেকে পণ্য বাংলাদেশে আনতেন। গত ১৬ মে পণ্য ক্রয়ের জন্য শফিকুল ইসলাম সিটি ব্যাংকের ঢাকা গুলশান শাখায় নাসিম করপোরেশন নামের হিসাব নম্বরে ২৪ লাখ ৫২ হাজার ৫০০ টাকা জমা দেন সামিউল ইসলাম সোনার অ্যাকাউন্টে।
টাকা পাওয়ার পর সামিউল ইসলাম যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। একইভাবে রাকিব হোসেনের সঙ্গেও ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থাপন করে কয়েক দফায় ২৬ লাখ ২৪ হাজার টাকা নিয়ে তাঁর সঙ্গেও যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি আমার পাওনা টাকার বিষয়ে সোনার বাড়িতে গিয়ে কোনো প্রকার প্রতিকার না পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আজ তাঁর মা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে টাকা পরিশোধ করবেন বলে ১০০ টাকার তিনটি স্ট্যাম্পে লিখিত এবং একটি চেক প্রদান করেছেন। এসব ইউএনওর কাছে জমা আছে।’
ওই স্ট্যাম্পে উল্লেখ করা হয়, আগামী ৬ জুনের মধ্য চেকে উল্লেখিত টাকা সামিউল নাসিম সোনা পরিশোধ করবেন। ওই তারিখে সামিউল নাসিম সোনা টাকা না পরিশোধ করলে তাঁর মা সামছুন নাহার আগামী ২৩ জুন যেকোনো ব্যাংকের মাধ্যমে ওই টাকা পরিশোধ করবেন। যদি মা–ছেলে দুজনেই ওই টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে প্রথম পক্ষ দ্বিতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে যেকোনো সংস্থা থেকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।
অপর ভুক্তভোগী রাকিব হোসেন বলেন, অভিযুক্ত সামিউল ইসলাম সোনা চীন থেকে পণ্য বাংলাদেশে দেওয়ার কথা বলে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেছে। টাকাগুলো নেওয়ার জন্য তাঁর মায়ের কাছে গেলে উল্টো মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেবেন বলে হুমকি দেয়। টাকার বিষয়ে থানায় লিখিত দেওয়া আছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সোনার মা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর সামছুন নাহার জানান, যেহেতু তিনি সরকারি চাকরি করেন তাই তিনি ইউএনওর কথায় স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর ও টাকা উল্লেখ করে একটি চেক জমা দেন। ছেলের টাকা আত্মসাতের বিষয়ে তিনি জানতেন না।
আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন হোসেন বলেন, তাদের বিষয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনজুরুল আলম বলেন, ‘তাদের মা-ছেলের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তারা টাকাগুলো ফেরত দেবেন মর্মে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।’

ব্যবসায়িক সম্পর্ক থেকে তাঁদের পরিচয়। সেই সূত্র ধরে চীনা পণ্য এনে দিতে ব্যাংকের মাধ্যমে কয়েক দফায় অর্ধকোটি দেন তাঁরা। কিন্তু টাকা পাওয়ার পর ওপার থেকে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। আর দেশ থেকে বিষয়টি পরিচালনা করেন ওই ব্যবসায়ীর মা। ছেলে ও মায়ের নামে টাকা আত্মসাতের এ অভিযোগে থানা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন দুই ব্যক্তি।
ঘটনাটি ঘটেছে জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে। এ ঘটনায় চলতি বছর ৩ মার্চ ও ২০ মে ইউএনও বরাবর ও থানায় পৃথক অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন সামিউল নাসিম সোনা (২৯)। তিনি বিদেশে বসে পণ্য সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়ে হাতিয়ে নেন টাকা। অপরদিকে তাঁর মা সামছুন নাহার দেশে থেকে সেটি পরিচালনা করেন। সামছুন নাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর পদে কর্মরত রয়েছেন। তাঁদের বাড়ি উপজেলার জাফরপুর গ্রামে।
ভুক্তভোগী যশোর জেলার শফিকুল ইসলাম তাঁর অভিযোগে উল্লেখ করেন, সামছুন নাহারের ছেলে সামিউল নাসিম সোনা (২৯) দুবাইয়ে অবস্থান করছেন। তিনি ইন্টারনেটের কাজে ব্যবহৃত চীনা মালামাল দেওয়ার কথা বলে ব্যাংকের মাধ্যমে ২৪ লাখ ৫২ হাজার ৫০০ টাকা নিয়েছিলেন সামিউল ইসলাম। টাকা পাওয়ার পর তিনি সব যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
অপরদিকে ফরিদপুর জেলার রাকিব হোসেন নামের আরও এক ব্যক্তির কাছ থেকেও ২৬ লাখ ২৪ হাজার টাকার মালামাল দেওয়ার কথা বলে ওই টাকা আত্মসাৎ করেন এবং তাঁর সঙ্গেও যোগাযোগ বন্ধ করে দেন সামিউল ইসলাম। এ ঘটনায় রাকিব হোসেনও আক্কেলপুর থানায় সামিউল ইসলামের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন।
ইউএনও কার্যালয় ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের প্রবাসী ছেলে সামিউল নাসিম সোনার সঙ্গে ভুক্তভোগী শফিকুল ইসলাম ও রাকিব হোসেনের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল। তাঁরা সামিউল ইসলামের মাধ্যমে চীন থেকে পণ্য বাংলাদেশে আনতেন। গত ১৬ মে পণ্য ক্রয়ের জন্য শফিকুল ইসলাম সিটি ব্যাংকের ঢাকা গুলশান শাখায় নাসিম করপোরেশন নামের হিসাব নম্বরে ২৪ লাখ ৫২ হাজার ৫০০ টাকা জমা দেন সামিউল ইসলাম সোনার অ্যাকাউন্টে।
টাকা পাওয়ার পর সামিউল ইসলাম যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। একইভাবে রাকিব হোসেনের সঙ্গেও ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থাপন করে কয়েক দফায় ২৬ লাখ ২৪ হাজার টাকা নিয়ে তাঁর সঙ্গেও যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি আমার পাওনা টাকার বিষয়ে সোনার বাড়িতে গিয়ে কোনো প্রকার প্রতিকার না পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আজ তাঁর মা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে টাকা পরিশোধ করবেন বলে ১০০ টাকার তিনটি স্ট্যাম্পে লিখিত এবং একটি চেক প্রদান করেছেন। এসব ইউএনওর কাছে জমা আছে।’
ওই স্ট্যাম্পে উল্লেখ করা হয়, আগামী ৬ জুনের মধ্য চেকে উল্লেখিত টাকা সামিউল নাসিম সোনা পরিশোধ করবেন। ওই তারিখে সামিউল নাসিম সোনা টাকা না পরিশোধ করলে তাঁর মা সামছুন নাহার আগামী ২৩ জুন যেকোনো ব্যাংকের মাধ্যমে ওই টাকা পরিশোধ করবেন। যদি মা–ছেলে দুজনেই ওই টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে প্রথম পক্ষ দ্বিতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে যেকোনো সংস্থা থেকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।
অপর ভুক্তভোগী রাকিব হোসেন বলেন, অভিযুক্ত সামিউল ইসলাম সোনা চীন থেকে পণ্য বাংলাদেশে দেওয়ার কথা বলে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেছে। টাকাগুলো নেওয়ার জন্য তাঁর মায়ের কাছে গেলে উল্টো মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেবেন বলে হুমকি দেয়। টাকার বিষয়ে থানায় লিখিত দেওয়া আছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সোনার মা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর সামছুন নাহার জানান, যেহেতু তিনি সরকারি চাকরি করেন তাই তিনি ইউএনওর কথায় স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর ও টাকা উল্লেখ করে একটি চেক জমা দেন। ছেলের টাকা আত্মসাতের বিষয়ে তিনি জানতেন না।
আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন হোসেন বলেন, তাদের বিষয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনজুরুল আলম বলেন, ‘তাদের মা-ছেলের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তারা টাকাগুলো ফেরত দেবেন মর্মে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।’

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
২ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে