আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগে স্বামী সিরাজুল ইসলামকে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে গত বুধবার সকাল ছয়টার দিকে উপজেলার রায়কালী ইউনিয়নের গুডুম্বা পূর্বপাড়া গ্রাম থেকে গৃহবধূ পান্না বিবির (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এদিন বিকেলে গৃহবধূর বাবা আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে থানায় অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেন।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, ১৫ বছর আগে সিরাজুলের সঙ্গে পান্না বিবির বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাঁদের সন্তান না হওয়ায় সিরাজুল ও তাঁর পরিবার পান্নার ওপর নির্যাতন চালাতেন। গত মঙ্গলবার বিকেলে সিরাজুল ও তাঁর স্ত্রী গম মারাইয়ের কাজ করেছিলেন। ওই দিন সন্ধ্যায় সিরাজুল ও তাঁর বড় ভাই আসাদুল ইসলাম মসজিদে শবে বরাতের মিলাদ পড়তে গিয়েছিলেন। মিলাদ শেষে রাত দশটার দিকে বাড়িতে ফিরে দেখেন স্ত্রীর গলাকাটা মরদেহ মেঝেতে পরে আছে।
তাঁরা আরও জানান, মরদেহের নিচে সাদা রঙের পলিথিনের কাগজ বিছানো ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ পরদিন বুধবার সকালে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত পান্নার স্বামী, ভাশুর আসাদুল ইসলাম, ভাবি মোছা. সাগিরা এবং প্রতিবেশী মাসুদ রানাকে থানায় নিয়ে যায়। নিহতের বাবা থানায় মামলা করলে পুলিশ সিরাজুলকে গ্রেপ্তার করে। বাকিদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেয় পুলিশ। এদিকে পুলিশের দাবি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও সিরাজুলের রক্তমাখা কাপর উদ্ধার করে।
নিহতের ভাই সিরাজুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার বোনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও অনেকে জড়িত রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই তাঁরা আমার বোনকে মারধর করতেন।’
আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে তাঁকে পরিকল্পিতভাবে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও আসামি সিরাজুল ইসলামের রক্তমাখা জামাকাপড় উদ্ধার করেছি। গতকাল তাঁকে কারাগারে পাঠিয়েছি। তাঁকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগে স্বামী সিরাজুল ইসলামকে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে গত বুধবার সকাল ছয়টার দিকে উপজেলার রায়কালী ইউনিয়নের গুডুম্বা পূর্বপাড়া গ্রাম থেকে গৃহবধূ পান্না বিবির (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এদিন বিকেলে গৃহবধূর বাবা আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে থানায় অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেন।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, ১৫ বছর আগে সিরাজুলের সঙ্গে পান্না বিবির বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাঁদের সন্তান না হওয়ায় সিরাজুল ও তাঁর পরিবার পান্নার ওপর নির্যাতন চালাতেন। গত মঙ্গলবার বিকেলে সিরাজুল ও তাঁর স্ত্রী গম মারাইয়ের কাজ করেছিলেন। ওই দিন সন্ধ্যায় সিরাজুল ও তাঁর বড় ভাই আসাদুল ইসলাম মসজিদে শবে বরাতের মিলাদ পড়তে গিয়েছিলেন। মিলাদ শেষে রাত দশটার দিকে বাড়িতে ফিরে দেখেন স্ত্রীর গলাকাটা মরদেহ মেঝেতে পরে আছে।
তাঁরা আরও জানান, মরদেহের নিচে সাদা রঙের পলিথিনের কাগজ বিছানো ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ পরদিন বুধবার সকালে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত পান্নার স্বামী, ভাশুর আসাদুল ইসলাম, ভাবি মোছা. সাগিরা এবং প্রতিবেশী মাসুদ রানাকে থানায় নিয়ে যায়। নিহতের বাবা থানায় মামলা করলে পুলিশ সিরাজুলকে গ্রেপ্তার করে। বাকিদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেয় পুলিশ। এদিকে পুলিশের দাবি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও সিরাজুলের রক্তমাখা কাপর উদ্ধার করে।
নিহতের ভাই সিরাজুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার বোনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও অনেকে জড়িত রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই তাঁরা আমার বোনকে মারধর করতেন।’
আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে তাঁকে পরিকল্পিতভাবে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও আসামি সিরাজুল ইসলামের রক্তমাখা জামাকাপড় উদ্ধার করেছি। গতকাল তাঁকে কারাগারে পাঠিয়েছি। তাঁকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এনসিপি মনোনীত সংসদ সদস্য (এমপি) প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল আমিনের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলার চেষ্টার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১ ও পুলিশ। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
৮ মিনিট আগে
রাজধানীর মগবাজার মোড়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে লোহার পাইপ মাথায় পড়ে তাইজুল ইসলাম (২০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
২৮ মিনিট আগে
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, চন্দ্রদ্বীপসহ বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কর্মসূচিতে বাধা, দোকানে চাঁদা দাবি, চাঁদা না দিলে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া কয়েকটি ঘটনায় হত্যাচেষ্টার ও সাক্ষীদের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
৩৭ মিনিট আগে
নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
১ ঘণ্টা আগে