ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে বিএনপির কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ৪৬৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। অজ্ঞাত আরও ৭০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। আজ সোমবার জেলা বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক সাকিব আহমেদ বাপ্পি বাদী হয়ে সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিন উদ্দীন মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘৪৬৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৬০০ থেকে ৭০০ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। এখনো পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি। মামলা তদন্ত চলমান রয়েছে।’
গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়ে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা বিএনপির জেলা কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় কার্যালয়ের আসবাবপত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পুড়ে যায়। এতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথি নষ্ট হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলায় ঝিনাইদহ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নায়েব আলী জোয়ারদার, ঝিনাইদহ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম অপু, সাবেক সংসদ সদস্য তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি, সদর পৌরসভার মেয়র কাইয়ূম শাহরিয়ার জাহেদী হিজল, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি জীবন কুমার বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বিশ্বাস, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সজীব হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আল-ইমরানসহ ৪৬৮ জনের নামে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ মজিদ বলেন, মামলা হয়েছে এমন একটি সংবাদ শুনেছি। তবে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দেওয়া অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ঝিনাইদহে বিএনপির কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ৪৬৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। অজ্ঞাত আরও ৭০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। আজ সোমবার জেলা বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক সাকিব আহমেদ বাপ্পি বাদী হয়ে সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিন উদ্দীন মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘৪৬৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৬০০ থেকে ৭০০ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। এখনো পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি। মামলা তদন্ত চলমান রয়েছে।’
গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়ে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা বিএনপির জেলা কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় কার্যালয়ের আসবাবপত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পুড়ে যায়। এতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথি নষ্ট হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলায় ঝিনাইদহ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নায়েব আলী জোয়ারদার, ঝিনাইদহ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম অপু, সাবেক সংসদ সদস্য তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি, সদর পৌরসভার মেয়র কাইয়ূম শাহরিয়ার জাহেদী হিজল, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি জীবন কুমার বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বিশ্বাস, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সজীব হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আল-ইমরানসহ ৪৬৮ জনের নামে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ মজিদ বলেন, মামলা হয়েছে এমন একটি সংবাদ শুনেছি। তবে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দেওয়া অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
৩ মিনিট আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
উল্লাসরত নেতা-কর্মীরা বলেন, কমিটি বিলুপ্তির এই সিদ্ধান্ত তাঁদের জন্য নতুন করে কাজ করার সুযোগ তৈরি করেছে। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁরা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে পারেননি।
১ ঘণ্টা আগে
ধুনট উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আব্দুল করিম জানান, শনিবার বিকেলে এলেঙ্গী বাজারে জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে