কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে মাজরা পোকায় আক্রান্ত হয়েছে আমন ধানের খেত। ওষুধ দিলেও নিয়ন্ত্রণে আসছে না পোকা। এতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় চাষিরা। কিন্তু পোকা নিয়ন্ত্রণে কৃষি অফিস কাজ করছে বলে জানান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কোটচাঁদপুর উপজেলায় এ বছর ৬ হাজার ১৮২ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ৪ হেক্টর কম। গত বছর এ উপজেলায় আমন ধানের চাষ হয়েছিল ৬ হাজার ১৮৬ হেক্টর জমিতে।
এ বছর মাজরা পোকায় আক্রান্ত হয়েছে আমন ধানের খেত। যা ওষুধ দিয়েও নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছেন না চাষিরা। এতে দুশ্চিন্তায় ভুগছেন তাঁরা। আশঙ্কা করছেন ধানের উৎপাদন কম হওয়ার।

তালসার গ্রামের ধানচাষি বশির আহম্মেদ বলেন, ‘তিন বিঘা জমিতে আমন ধানের চাষ করেছি। এখন ধানের শিষ আসার সময়। হঠাৎ কয়েক সপ্তাহ ধরে ধানের খেতে মাজরা পোকার আক্রমণ চোখে পড়েছে। এর পর থেকে বিভিন্ন কোম্পানির ওষুধ স্প্রে করেও কোনো লাভ হচ্ছে না। জানি না এ বছর কপালে কী আছে।’
ওই গ্রামের গজেন দাস বলেন, ‘দুই বিঘা জমিতে আমন ধান রয়েছে। পোকা দেখার পরপর ওষুধ প্রয়োগ শুরু করেছি। এরপরও কোনো কাজ করছে না ওষুধে।’
কামারকুণ্ড গ্রামের ধানচাষি আবু বক্কর সিদ্দিক (বাক্কা) বলেন, ‘চার বিঘা জমিতে আমন ধানের চাষ করেছি। পোকা দেখার পর স্প্রে করা হয়েছে। তাতেও কোনো কাজ হচ্ছে না। এখন কী ওষুধ ব্যবহার করব, সেটা নিয়ে চিন্তায় আছি।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন বলেন, ‘ধানে প্রতিবছরই মাজরা পোকার আক্রমণ হয়ে থাকে। তবে এ বছর তেমন আক্রান্ত হয় নাই। তবে যেসব জায়গা আক্রান্ত হয়েছে, সেখানে আমারা কাজ করছি।’
তিনি বলেন, ‘প্রতিষেধক হিসেবে আমরা চাষিদের ধানের জমিতে ডাল পোঁতার পরামর্শ দিচ্ছি। কারণ, ধানের জমিতে উপকারী আর অপকারী পোকা উভয়ই থাকে। জমিতে ডাল পোঁতা থাকলে একটা পাখি দিনে ১৫ শ থেকে ২ হাজার ডিম খেতে পারে। এরপরও যদি পোকা নিয়ন্ত্রণে না আসে, সে ক্ষেত্রে আমরা চাষিদের ওষুধ দেওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছি।’

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে মাজরা পোকায় আক্রান্ত হয়েছে আমন ধানের খেত। ওষুধ দিলেও নিয়ন্ত্রণে আসছে না পোকা। এতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় চাষিরা। কিন্তু পোকা নিয়ন্ত্রণে কৃষি অফিস কাজ করছে বলে জানান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কোটচাঁদপুর উপজেলায় এ বছর ৬ হাজার ১৮২ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ৪ হেক্টর কম। গত বছর এ উপজেলায় আমন ধানের চাষ হয়েছিল ৬ হাজার ১৮৬ হেক্টর জমিতে।
এ বছর মাজরা পোকায় আক্রান্ত হয়েছে আমন ধানের খেত। যা ওষুধ দিয়েও নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছেন না চাষিরা। এতে দুশ্চিন্তায় ভুগছেন তাঁরা। আশঙ্কা করছেন ধানের উৎপাদন কম হওয়ার।

তালসার গ্রামের ধানচাষি বশির আহম্মেদ বলেন, ‘তিন বিঘা জমিতে আমন ধানের চাষ করেছি। এখন ধানের শিষ আসার সময়। হঠাৎ কয়েক সপ্তাহ ধরে ধানের খেতে মাজরা পোকার আক্রমণ চোখে পড়েছে। এর পর থেকে বিভিন্ন কোম্পানির ওষুধ স্প্রে করেও কোনো লাভ হচ্ছে না। জানি না এ বছর কপালে কী আছে।’
ওই গ্রামের গজেন দাস বলেন, ‘দুই বিঘা জমিতে আমন ধান রয়েছে। পোকা দেখার পরপর ওষুধ প্রয়োগ শুরু করেছি। এরপরও কোনো কাজ করছে না ওষুধে।’
কামারকুণ্ড গ্রামের ধানচাষি আবু বক্কর সিদ্দিক (বাক্কা) বলেন, ‘চার বিঘা জমিতে আমন ধানের চাষ করেছি। পোকা দেখার পর স্প্রে করা হয়েছে। তাতেও কোনো কাজ হচ্ছে না। এখন কী ওষুধ ব্যবহার করব, সেটা নিয়ে চিন্তায় আছি।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন বলেন, ‘ধানে প্রতিবছরই মাজরা পোকার আক্রমণ হয়ে থাকে। তবে এ বছর তেমন আক্রান্ত হয় নাই। তবে যেসব জায়গা আক্রান্ত হয়েছে, সেখানে আমারা কাজ করছি।’
তিনি বলেন, ‘প্রতিষেধক হিসেবে আমরা চাষিদের ধানের জমিতে ডাল পোঁতার পরামর্শ দিচ্ছি। কারণ, ধানের জমিতে উপকারী আর অপকারী পোকা উভয়ই থাকে। জমিতে ডাল পোঁতা থাকলে একটা পাখি দিনে ১৫ শ থেকে ২ হাজার ডিম খেতে পারে। এরপরও যদি পোকা নিয়ন্ত্রণে না আসে, সে ক্ষেত্রে আমরা চাষিদের ওষুধ দেওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছি।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে