ভালোবেসে বিয়ে করার পরও স্ত্রী চলে গেছে বাপের বাড়িতে। আর সেই দুঃখে নিজেই কবর খুঁড়ে তার মধ্যে ঠাঁই নেওয়ার চেষ্টা করেছেন কাবিল ফকির (৩৮) নামে এক যুবক। পরে এলাকাবাসী তাঁকে কবর থেকে উদ্ধার করে ঘরে তুলে দিয়েছেন বলে জানা গেছে। গতকাল সোমবার ঝালকাঠি জেলা নলছিটি উপজেলার ঈশ্বরকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয়রা বলছে, নিজে কবর খুঁড়ে, বাঁশ কেটে জীবন্ত কবরের ভেতর অবস্থান নিতে চেষ্টা চালায় ওই যুবক। কাবিল ফকির পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি। কয়েক বছর আগে ঈশ্বরকাঠি গ্রামের রসূল ফকিরের ছেলে মো. কাবিল ফকির একই উপজেলার পাওতা গ্রামের দেনছের আলী হাওলাদারের মেয়ে আসমা বেগমকে বিয়ে করেন। এর কয়েক বছর পর আরও দুটি বিয়ে করেন কাবিল ফকির। তবে আসমাসহ তিন স্ত্রীকে নিয়েই বসবাস করে আসছিলেন তিনি। তবে কয়েক মাস আগে প্রথম পারিবারিক বিরোধের জের ধরে স্ত্রী আসমা তাদের তিন বছর বয়সী একমাত্র সন্তানকে নিয়ে বাপের বাড়ি চলে যান। পরে তাকে কয়েকবার বাড়ি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হলেও ব্যর্থ হন কাবিল। আর এ কারণেই জীবন্ত কবরে বসবাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান কাবিল।
এদিকে খবর পেয়ে সাংবাদিকেরা গেলে কাবিল তাদের বলেন, ‘ভালোবেসে আমি আসমাকে বিয়ে করেছি। আমার সাড়ে তিন বছরের একটি ছেলেও আছে। ওদের ছাড়া আমার জীবন বৃথা। ওদের না পেলে আমি কবরে বসেই মরে যাব। আর বেঁচে থেকে জীবন্ত লাশ হতে চাই না।’
এ ব্যাপারে ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ. কে. এম আবদুল হক বলেন, ‘কাবিল কিছুটা মানুষিক ভারসাম্যহীন। দীর্ঘদিন ধরেই সে নানা রকম পাগলামি করে আসছে। তবে নিজের কবর খোঁড়ার খবর পেয়ে আমি ওর অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলে পারিবারিকভাবে বিষয়টি সমাধানের জন্য বলেছি।’

বর্ষা এলেই মৌলভীবাজারের টিলা-পাহাড়ঘেরা জনপদে নেমে আসে আতঙ্ক। তবু ঝুঁকি নিয়ে এসব স্থানে বসবাস করছে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত চার বছরে টিলাধসে অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এরপরও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোর নিরাপদ পুনর্বাসনে দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
৩ ঘণ্টা আগে
গর্ভাবস্থার শুরু থেকে ঠাকুরগাঁও মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছিলেন রাশেদা আক্তার। চিকিৎসকদের আশ্বাস আর সাশ্রয়ী খরচের কথা ভেবে আশা করেছিলেন, সরকারি এ প্রতিষ্ঠানেই নিরাপদে জন্ম নেবে তাঁর সন্তান। কিন্তু প্রসববেদনা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার তিনি হাসপাতালে পৌঁছার পর আশাহত হন।
৩ ঘণ্টা আগে
মাগুরার শ্রীপুরে প্রতিবেশীদের হামলায় গুরুতর আহত আমিরুল মোল্যা (৫০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের সোয়া শতডাঙ্গা গ্রামে অন্তত ১০টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
৪ ঘণ্টা আগে
পাবনা শহরে রয়েছে অসংখ্য পুকুর, দিঘি ও প্রাকৃতিক জলাধার। একসময় এসব জলাধার ছিল সুপেয় পানির প্রধান উৎস, ভূগর্ভস্থ পানির ভারসাম্য রক্ষার কার্যকর মাধ্যম এবং নগরীর সৌন্দর্যের অনন্য নিদর্শন। কিন্তু দখল, দূষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এসব জলাধার হারিয়ে যাওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে