ঝালকাঠি প্রতিনিধি

ঝালকাঠির রাজাপুরে সাবেক ইউপি সদস্যসহ দুজনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনজন এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ আফরুজুল হক টুটুল। তিনি বলেন, জমি নিয়ে বিরোধ, আধিপত্য বিস্তার ও ইউপি নির্বাচন নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়নের জগাইরহাট এলাকার মসজিদসংলগ্ন রব মেম্বারের বাড়ির কাছে এ ঘটনা ঘটে। হত্যার শিকার আব্দুর রব হাওলাদার (৫৮) উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এবং সাবেক ইউপি সদস্য। নিহত অপর ব্যক্তি আব্দুর রব হাওলাদারের ভাতিজা বেলায়েত হোসেন (৫২)।
নিহত আব্দুর রব স্থানীয় মফেজ হাওলাদারের ছেলে। আর বেলায়েত হোসেন হলেন রব মেম্বারের বড় ভাই মকবুল হোসেনের ছেলে। বেলায়েত ঢাকায় একটি কোম্পানিতে চাকরি করতেন।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন আসাদ হোসেন (১৯), শাহজাহান (২৮), সজল হোসেন (২৭) ও মিজান (২৬)। গতকাল রাতেই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
রব হাওলাদারের ভাগনে মো. নাসির উদ্দিন বলেন, গতকাল সোমবার বিকেলে মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশ জগাইরাহাট এলাকার খাদেম আলীর ছেলে সজলকে তল্লাশি শেষে ছেড়ে দেয়। পরে রব মেম্বার পুলিশকে তথ্য দিয়ে সজলকে ধরাতে পাঠিয়েছিলেন এমন অভিযোগ তুলে দুই পক্ষে বাগ্বিতণ্ডা হয়।
এদিকে গতকাল রাত ৮টার দিকে ইউপি মেম্বার রব হাওলাদার, তাঁর ভাতিজা বেলায়েত হোসেন, ভাগনে নাসির ও নাসিরের শিশু ছেলে সিয়াম জগইরহাট বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। বাড়ির কাছাকাছি যাওয়ার পর ওত পেতে থাকা খাদেম আলী, তাঁর ছেলে সজল, মেহেদী, রাজন, হায়দার, মিজান, শাকিল, শহিদ, জাহিদসহ ভাড়াটিয়া ১৫-২০ জন সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালায়।
এ সময় কুপিয়ে রব হাওলাদারকে পাশের খালে ফেলে দেওয়া হয় এবং বেলায়েতকে রাস্তায় রেখে চলে যান তাঁরা। তাঁদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে গিয়ে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
রব মেম্বারের ছেলে লেকায়েত হোসেন বলেন, জমি নিয়ে জগইরহাট এলাকার খাদেম হোসেনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের বিরোধ চলছিল। এর আগে থেকে তাঁদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় আদালতে একাধিক মামলা চলছে।
রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার আকতার হোসেন নিশান ও চিকিৎসক আকরাম হোসেন জানান, দুজনকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায়, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে আগেই তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। উভয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পুলক চন্দ্র রায় বলেন, গতকাল রাতে দুজনকে কুপিয়ে হত্যার পর রাতেই অভিযান চালিয়ে আসাদ হোসেন, শাহজাহান, সজল হোসেন ও মিজানকে আটক করে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার সকালে রব মেম্বারের ছেলে লেকায়েত হোসেন বাদী হয়ে ১৫ জনের নাম উল্লেখসহ ২১ জনের নামে মামলা করলে তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
ওসি আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাকু উদ্ধার করা হয়। দুজনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য আজ সকালে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঝালকাঠির এসপি মোহাম্মদ আফরুজুল হক টুটুল বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত চারজনের মধ্যে তিনজন হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
এসপি আরও বলেন, জমি নিয়ে বিরোধ, আধিপত্য বিস্তার ও ইউপি নির্বাচন নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছে।

ঝালকাঠির রাজাপুরে সাবেক ইউপি সদস্যসহ দুজনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনজন এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ আফরুজুল হক টুটুল। তিনি বলেন, জমি নিয়ে বিরোধ, আধিপত্য বিস্তার ও ইউপি নির্বাচন নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়নের জগাইরহাট এলাকার মসজিদসংলগ্ন রব মেম্বারের বাড়ির কাছে এ ঘটনা ঘটে। হত্যার শিকার আব্দুর রব হাওলাদার (৫৮) উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এবং সাবেক ইউপি সদস্য। নিহত অপর ব্যক্তি আব্দুর রব হাওলাদারের ভাতিজা বেলায়েত হোসেন (৫২)।
নিহত আব্দুর রব স্থানীয় মফেজ হাওলাদারের ছেলে। আর বেলায়েত হোসেন হলেন রব মেম্বারের বড় ভাই মকবুল হোসেনের ছেলে। বেলায়েত ঢাকায় একটি কোম্পানিতে চাকরি করতেন।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন আসাদ হোসেন (১৯), শাহজাহান (২৮), সজল হোসেন (২৭) ও মিজান (২৬)। গতকাল রাতেই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
রব হাওলাদারের ভাগনে মো. নাসির উদ্দিন বলেন, গতকাল সোমবার বিকেলে মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশ জগাইরাহাট এলাকার খাদেম আলীর ছেলে সজলকে তল্লাশি শেষে ছেড়ে দেয়। পরে রব মেম্বার পুলিশকে তথ্য দিয়ে সজলকে ধরাতে পাঠিয়েছিলেন এমন অভিযোগ তুলে দুই পক্ষে বাগ্বিতণ্ডা হয়।
এদিকে গতকাল রাত ৮টার দিকে ইউপি মেম্বার রব হাওলাদার, তাঁর ভাতিজা বেলায়েত হোসেন, ভাগনে নাসির ও নাসিরের শিশু ছেলে সিয়াম জগইরহাট বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। বাড়ির কাছাকাছি যাওয়ার পর ওত পেতে থাকা খাদেম আলী, তাঁর ছেলে সজল, মেহেদী, রাজন, হায়দার, মিজান, শাকিল, শহিদ, জাহিদসহ ভাড়াটিয়া ১৫-২০ জন সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালায়।
এ সময় কুপিয়ে রব হাওলাদারকে পাশের খালে ফেলে দেওয়া হয় এবং বেলায়েতকে রাস্তায় রেখে চলে যান তাঁরা। তাঁদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে গিয়ে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
রব মেম্বারের ছেলে লেকায়েত হোসেন বলেন, জমি নিয়ে জগইরহাট এলাকার খাদেম হোসেনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের বিরোধ চলছিল। এর আগে থেকে তাঁদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় আদালতে একাধিক মামলা চলছে।
রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার আকতার হোসেন নিশান ও চিকিৎসক আকরাম হোসেন জানান, দুজনকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায়, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে আগেই তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। উভয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পুলক চন্দ্র রায় বলেন, গতকাল রাতে দুজনকে কুপিয়ে হত্যার পর রাতেই অভিযান চালিয়ে আসাদ হোসেন, শাহজাহান, সজল হোসেন ও মিজানকে আটক করে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার সকালে রব মেম্বারের ছেলে লেকায়েত হোসেন বাদী হয়ে ১৫ জনের নাম উল্লেখসহ ২১ জনের নামে মামলা করলে তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
ওসি আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাকু উদ্ধার করা হয়। দুজনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য আজ সকালে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঝালকাঠির এসপি মোহাম্মদ আফরুজুল হক টুটুল বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত চারজনের মধ্যে তিনজন হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
এসপি আরও বলেন, জমি নিয়ে বিরোধ, আধিপত্য বিস্তার ও ইউপি নির্বাচন নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে