ঝালকাঠি প্রতিনিধি

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সোহরাব হোসেন ওরফে বাবুল মৃধার অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে স্থানীয় বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো। তিনি ৯ নম্বর দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান।
আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে ইউনিয়নের জিরো পয়েন্ট এলাকায় শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে শতাধিক নেতা-কর্মী অংশ নেয়। তারা সড়কে বসে অবস্থান নিয়ে ‘ফ্যাসিস্ট চেয়ারম্যানের বিচার চাই’, ‘দুর্নীতিবাজ বাবুল মৃধার অপসারণ চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। এতে ওই এলাকায় কয়েক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে এবং দুই পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। চরম ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ যাত্রী ও পথচারীরা।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নাজমুল আহসান নান্টু মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক রিমন আকন, শ্রমিক দলের সভাপতি নান্টু দূরানী ও সাধারণ সম্পাদক ইউনুস হাওলাদার।
বক্তারা বলেন, চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন ভোট ছাড়াই চেয়ারম্যান হয়েছেন। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় আছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, নিয়োগ-বাণিজ্য, ত্রাণ আত্মসাৎসহ নানা অনিয়ম ও অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে কথা বললেই হয়রানিমূলক মামলা ও হুমকির শিকার হতে হয়। ইউনিয়নের উন্নয়ন কার্যক্রমেও নেই কোনো স্বচ্ছতা। তাঁরা সরকারের কাছে তাঁর অপসারণ ও অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে। কোথাও কোনো সহিংসতা বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন ওরফে বাবুল মৃধা বলেন, ‘আমি প্রথমবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার সময় কোনো দলীয় পদে ছিলাম না। পরে আমু ভাই আমাকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি করেন। যারা আন্দোলন করছে, তারা সব সময়ই উন্নয়নকাজে বাধা দিয়ে এসেছে। অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন। আমি নিয়ম মেনে ইউনিয়ন পরিচালনা করছি এবং ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে কাজ করছি।’
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুস ছালাম বলেন, চেয়ারম্যানের অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধের কারণে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে তাদের সরিয়ে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়। এ ঘটনায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সোহরাব হোসেন ওরফে বাবুল মৃধার অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে স্থানীয় বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো। তিনি ৯ নম্বর দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান।
আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে ইউনিয়নের জিরো পয়েন্ট এলাকায় শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে শতাধিক নেতা-কর্মী অংশ নেয়। তারা সড়কে বসে অবস্থান নিয়ে ‘ফ্যাসিস্ট চেয়ারম্যানের বিচার চাই’, ‘দুর্নীতিবাজ বাবুল মৃধার অপসারণ চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। এতে ওই এলাকায় কয়েক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে এবং দুই পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। চরম ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ যাত্রী ও পথচারীরা।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নাজমুল আহসান নান্টু মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক রিমন আকন, শ্রমিক দলের সভাপতি নান্টু দূরানী ও সাধারণ সম্পাদক ইউনুস হাওলাদার।
বক্তারা বলেন, চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন ভোট ছাড়াই চেয়ারম্যান হয়েছেন। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় আছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, নিয়োগ-বাণিজ্য, ত্রাণ আত্মসাৎসহ নানা অনিয়ম ও অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে কথা বললেই হয়রানিমূলক মামলা ও হুমকির শিকার হতে হয়। ইউনিয়নের উন্নয়ন কার্যক্রমেও নেই কোনো স্বচ্ছতা। তাঁরা সরকারের কাছে তাঁর অপসারণ ও অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে। কোথাও কোনো সহিংসতা বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন ওরফে বাবুল মৃধা বলেন, ‘আমি প্রথমবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার সময় কোনো দলীয় পদে ছিলাম না। পরে আমু ভাই আমাকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি করেন। যারা আন্দোলন করছে, তারা সব সময়ই উন্নয়নকাজে বাধা দিয়ে এসেছে। অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন। আমি নিয়ম মেনে ইউনিয়ন পরিচালনা করছি এবং ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে কাজ করছি।’
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুস ছালাম বলেন, চেয়ারম্যানের অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধের কারণে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে তাদের সরিয়ে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়। এ ঘটনায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে