কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের কেশবপুরে নির্বাচনের কাজে শিশুদের ব্যবহার না করার দাবিতে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ন্যাশনাল চিলড্রেনস টাস্ক ফোর্সের (এনসিটিএফ) পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে ওই স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
স্মারকলিপিতে আসন্ন ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টার লাগানো, মিছিলে, স্লোগানে, রাজনৈতিক সহিংসতায়, প্রচারণায়, ঝুঁকিপূর্ণ আচরণে শিশুদের ব্যবহার না করার দাবি জানানো হয়। এ ছাড়া স্মারকলিপিতে আরও ৪ দফা দাবি উল্লেখ করা হয়েছে।
দাবির মধ্যে রয়েছে, নির্বাচন প্রাক্কালে, নির্বাচনকালীন এবং নির্বাচনোত্তর সময়ে নির্বাচন কমিশনকে শিশুদের সুরক্ষায় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। যাতে কোনো শিশুর শারীরিক, মানসিক ও অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার সৃষ্টি না হয়। বাংলাদেশে বসবাসরত সকল সম্প্রদায়ের শিশুদের অধিকার, মানবাধিকার, নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার দায়িত্ব নির্বাচনকালীন সময়ে নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে। নির্বাচনের সময় শিশুদের লেখাপড়া, খেলাধুলা এবং তাদের মনোসামজিক সহায়তায় যাতে বিঘ্ন সৃষ্টি না হয় সেদিকে কমিশনের পক্ষ থেকে সকল রাজনৈতিক দল প্রধানদের প্রতি জোর নির্দেশনা দিতে হবে।
যদি কোনো প্রার্থী শিশুদের নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করে তাহলে সেই প্রার্থীর বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এমনকি প্রার্থীর ভোটে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত রাখার মতো যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে কার্যকর উদ্যোগ নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তুহিন হোসেনের কাছে স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল চিলড্রেন’স টাস্কফোর্সের (এনসিটিএফ) কেশবপুর উপজেলা শাখার সভাপতি শিক্ষার্থী প্রসেনজিৎ দাস, সহসভাপতি আশা দাস, শিশু গবেষক জীবন দাস, শিশু সাংবাদিক শুভ দাস, সদস্য সখি দাস, শ্রাবন্তি দাস প্রমুখ।
এ ব্যাপারে ইউএনও তুহিন হোসেন বলেন, ‘এ বিষয়ে একটি স্মারকলিপি পেয়েছি। স্মারকলিপিটি নির্বাচন কমিশনার বরাবর পাঠিয়ে দেওয়া হবে।’

যশোরের কেশবপুরে নির্বাচনের কাজে শিশুদের ব্যবহার না করার দাবিতে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ন্যাশনাল চিলড্রেনস টাস্ক ফোর্সের (এনসিটিএফ) পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে ওই স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
স্মারকলিপিতে আসন্ন ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টার লাগানো, মিছিলে, স্লোগানে, রাজনৈতিক সহিংসতায়, প্রচারণায়, ঝুঁকিপূর্ণ আচরণে শিশুদের ব্যবহার না করার দাবি জানানো হয়। এ ছাড়া স্মারকলিপিতে আরও ৪ দফা দাবি উল্লেখ করা হয়েছে।
দাবির মধ্যে রয়েছে, নির্বাচন প্রাক্কালে, নির্বাচনকালীন এবং নির্বাচনোত্তর সময়ে নির্বাচন কমিশনকে শিশুদের সুরক্ষায় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। যাতে কোনো শিশুর শারীরিক, মানসিক ও অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার সৃষ্টি না হয়। বাংলাদেশে বসবাসরত সকল সম্প্রদায়ের শিশুদের অধিকার, মানবাধিকার, নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার দায়িত্ব নির্বাচনকালীন সময়ে নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে। নির্বাচনের সময় শিশুদের লেখাপড়া, খেলাধুলা এবং তাদের মনোসামজিক সহায়তায় যাতে বিঘ্ন সৃষ্টি না হয় সেদিকে কমিশনের পক্ষ থেকে সকল রাজনৈতিক দল প্রধানদের প্রতি জোর নির্দেশনা দিতে হবে।
যদি কোনো প্রার্থী শিশুদের নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করে তাহলে সেই প্রার্থীর বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এমনকি প্রার্থীর ভোটে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত রাখার মতো যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে কার্যকর উদ্যোগ নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তুহিন হোসেনের কাছে স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল চিলড্রেন’স টাস্কফোর্সের (এনসিটিএফ) কেশবপুর উপজেলা শাখার সভাপতি শিক্ষার্থী প্রসেনজিৎ দাস, সহসভাপতি আশা দাস, শিশু গবেষক জীবন দাস, শিশু সাংবাদিক শুভ দাস, সদস্য সখি দাস, শ্রাবন্তি দাস প্রমুখ।
এ ব্যাপারে ইউএনও তুহিন হোসেন বলেন, ‘এ বিষয়ে একটি স্মারকলিপি পেয়েছি। স্মারকলিপিটি নির্বাচন কমিশনার বরাবর পাঠিয়ে দেওয়া হবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে