
যশোরের মনিরামপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষী কয়েকটি গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। তবে এ বিষয়ে কিছুই জানেন না বিদ্যালয়ের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)।
প্রধান শিক্ষকের দাবি, গাছ কাটার জন্য লিখিত অনুমতির প্রয়োজনীয়তা তিনি জানতেন না। তিনি বলেন, ইউএনওর কাছ থেকে মৌখিক অনুমতি নিয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মনিরামপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের চত্বরে শতবর্ষী ২০-৩০টি গাছ রয়েছে, যার মধ্যে রেইনট্রি ও কৃষ্ণচূড়া গাছ উল্লেখযোগ্য। দুই দিন ধরে প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে এসব গাছের মোটা ডাল কেটে ফেলার কাজ চলছে। কাটার পর কিছু অংশ মাঠে ফেলে রাখা হয়েছে, বাকিগুলো বিক্রি করা হয়েছে।

সূত্র মতে, সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গাছ কাটার বা ছাটার জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন করা প্রয়োজন। এরপর ইউএনও সরেজমিন তদন্ত করে গাছ কাটার প্রয়োজনীয়তা যাচাই করেন এবং দরপত্র আহ্বান করে নিলামের মাধ্যমে গাছ কাটা বা ছাটার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু মনিরামপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এই নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি।
স্থানীয়রা জানান, বিদ্যালয়ের গাছগুলো অনেক পুরোনো এবং গরমের সময় এগুলোর ছায়ায় শিক্ষার্থীরা বিশ্রাম নিতেন। গাছের ডাল কেটে ফেলার ফলে এখন আর আগের মতো ছায়া পাওয়া যাবে না।
প্রধান শিক্ষক আবুল বরকত মোহাম্মদ ফকর উদ্দীন বলেন, বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের চারপাশে পাতা পড়ে ময়লা হয়ে যাচ্ছিল। তাই ইউএনওর কাছে মৌখিকভাবে গাছের ডাল কাটার অনুমতি চেয়ে জানিয়েছিলেন। এরপর পাঁচ-সাতটি গাছের ডাল কেটে ২৫ মণ জ্বালানি আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, বিদ্যালয়ে বেঞ্চ তৈরির জন্য কিছু অর্থের প্রয়োজন ছিল।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউএনও নিশাত তামান্না আজকের পত্রিকাকে বলেন, শহীদ মিনারের ওপরের কিছু ডাল ছাঁটার বিষয়ে প্রধান শিক্ষক তাঁকে জানিয়েছিলেন। তবে তিনি তাতে অনুমতি দেননি। এ বিষয়ে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন।

যশোরের মনিরামপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষী কয়েকটি গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। তবে এ বিষয়ে কিছুই জানেন না বিদ্যালয়ের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)।
প্রধান শিক্ষকের দাবি, গাছ কাটার জন্য লিখিত অনুমতির প্রয়োজনীয়তা তিনি জানতেন না। তিনি বলেন, ইউএনওর কাছ থেকে মৌখিক অনুমতি নিয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মনিরামপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের চত্বরে শতবর্ষী ২০-৩০টি গাছ রয়েছে, যার মধ্যে রেইনট্রি ও কৃষ্ণচূড়া গাছ উল্লেখযোগ্য। দুই দিন ধরে প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে এসব গাছের মোটা ডাল কেটে ফেলার কাজ চলছে। কাটার পর কিছু অংশ মাঠে ফেলে রাখা হয়েছে, বাকিগুলো বিক্রি করা হয়েছে।

সূত্র মতে, সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গাছ কাটার বা ছাটার জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন করা প্রয়োজন। এরপর ইউএনও সরেজমিন তদন্ত করে গাছ কাটার প্রয়োজনীয়তা যাচাই করেন এবং দরপত্র আহ্বান করে নিলামের মাধ্যমে গাছ কাটা বা ছাটার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু মনিরামপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এই নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি।
স্থানীয়রা জানান, বিদ্যালয়ের গাছগুলো অনেক পুরোনো এবং গরমের সময় এগুলোর ছায়ায় শিক্ষার্থীরা বিশ্রাম নিতেন। গাছের ডাল কেটে ফেলার ফলে এখন আর আগের মতো ছায়া পাওয়া যাবে না।
প্রধান শিক্ষক আবুল বরকত মোহাম্মদ ফকর উদ্দীন বলেন, বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের চারপাশে পাতা পড়ে ময়লা হয়ে যাচ্ছিল। তাই ইউএনওর কাছে মৌখিকভাবে গাছের ডাল কাটার অনুমতি চেয়ে জানিয়েছিলেন। এরপর পাঁচ-সাতটি গাছের ডাল কেটে ২৫ মণ জ্বালানি আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, বিদ্যালয়ে বেঞ্চ তৈরির জন্য কিছু অর্থের প্রয়োজন ছিল।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউএনও নিশাত তামান্না আজকের পত্রিকাকে বলেন, শহীদ মিনারের ওপরের কিছু ডাল ছাঁটার বিষয়ে প্রধান শিক্ষক তাঁকে জানিয়েছিলেন। তবে তিনি তাতে অনুমতি দেননি। এ বিষয়ে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে