
জামালপুরে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডিতরা হলেন- সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নের ভাটিপাড়া এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে ছাত্তার আলী (৪০), কয়ড়ার পাড় এলাকার শামছুল হকের ছেলে আব্দুল মালেক (৪২) ও নায়েব আলীর ছেলে আনু (৩০)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ অক্টোবর রাতে সদর উপজেলায় গৃহবধূকে বাড়ি থেকে তুলে পাশের একটি বাঁশঝাড়ের নিচে নিয়ে ধর্ষণ করেন আসামিরা। পরে ঘটনাটি কাউকে জানালে তাঁকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসামিরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরদিন ভুক্তভোগী মামলা করলে তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
আইনজীবী ফজলুল হক বলেন, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আদালতের এই রায়ে মামলার বাদী সন্তুষ্ট হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবী।

বিয়ের পর যৌতুকের জন্য সাজু সরদার বিভিন্ন সময় নির্যাতন করতেন হাসিনাকে। একপর্যায়ে তাঁকে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হতো। যৌতুক হিসেবে হাসিনার বাবার কাছ থেকে নগদ লক্ষাধিক টাকা ও গরুও নেওয়া হয়েছিল বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
১৮ মিনিট আগে
শরতের শুরুতেই পঞ্চগড়ে দেখা মিলল ঘন কুয়াশার। আজ মঙ্গলবার ভোরে জেলার বিভিন্ন এলাকা ঢেকে যায় কুয়াশার ঘন চাদরে। কয়েক হাত দূরের দৃশ্যও অস্পষ্ট হয়ে পড়ায় হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীর গতিতে চলতে হয় যানবাহনগুলোকে।
২৩ মিনিট আগে
ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা খ্রিষ্টান তরুণীর নাম জয়া গাইন। সে রাজৈর থানার লখন্ডা গ্রামের পিজুস গাইনের মেয়ে। অপর তরুণী শ্রীপুরের টুপিপাড়া গ্রামের মিরাজ বিশ্বাসের মেয়ে মিরা খাতুন (১৬)। সে ধর্মে মুসলিম। বর্তমানে জয়া গাইন মিরাজ বিশ্বাসের বাড়িতে অবস্থান করছে।
১ ঘণ্টা আগে
রংপুরের পীরগাছায় একসঙ্গে তিন কন্যাসন্তান জন্ম নেওয়ায় সৌর মিয়া ও হাসি বেগমের পরিবারে নেমেছিল আনন্দের জোয়ার। কিন্তু সেই আনন্দের মাঝেই দেখা দিয়েছে চরম আর্থিক সংকট। বেকার বাবার পক্ষে তিন নবজাতকের দুধ, ডায়াপার ও চিকিৎসার খরচের পাশাপাশি প্রসূতি মায়ের চিকিৎসা ও পুষ্টিকর খাবারের জোগান দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
১ ঘণ্টা আগে