ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি

জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) নূর মোহাম্মদের ছোট ভাই ও দলীয় একাধিক নেতা বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন। এতে প্রশাসনসহ স্থানীয়দের মধ্যে নিজেকে ‘নিরপেক্ষ’ থাকার জন্য এক ঘোষণাপত্র দিয়েছেন তিনি।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় এমপি নূর মোহাম্মদ স্বাক্ষরিত ওই ঘোষণাপত্র ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি নিজের নির্বাচনী এলাকায় এক মতবিনিময় সভায় এমপি নূর মোহাম্মদ দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে দেশের যেখানেই তিনি থাকেন না কেন, সেখান থেকে ভোট চাওয়ার ঘোষণা দিয়ে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেন।
জাতীয় সংসদের লোগোযুক্ত প্যাডে ঘোষণাপত্রে এমপি নূর মোহাম্মদ লিখেছেন, ‘আমি নূর মোহাম্মদ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ সদস্য ১৩৮, জামালপুর-১, এই মর্মে ঘোষণা করিতেছি যে, আসন্ন দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি সম্পূর্ণভাবে নিরপেক্ষ এবং আমার পক্ষে কোনো ব্যক্তি প্রতিনিধি নেই।’
গত ১৩ এপ্রিল বকশীগঞ্জ সরকারি কিয়ামত উল্লাহ কলেজ মাঠে বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে এমপি নূর মোহাম্মদ বলেছিলেন, ‘যদি আপনারা সিঙ্গেল (একক প্রার্থী) হন, তারপরেও কিন্তু আমার প্রার্থীকে জিতানোর জন্য ভোট চামু।’
নির্বাচনী আচরণবিধির প্রতি ইঙ্গিত করে আওয়ামী লীগের এই সংসদ সদস্য ওই মতবিনিময় সভায় বলেন, ‘যেহেতু এখানে আমার আসার নিয়ম নাই। যেখানে থাকি, জামালপুরে থাকি, ঢাকায় থাকি, ইন্ডিয়া যাইয়ে থাকি। সব জায়গায় তো ফোনের যোগাযোগ আছে। সবার কাছেই ফোন আছে। ফোনে আমার প্রার্থীকে জিতানোর চেষ্টা করব।’ তাঁর এই মন্তব্য স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২১ মে বকশীগঞ্জ উপজেলায় ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এতে ১ লাখ ৮২ হাজার ৮১৯ জন ভোট দিতে পারবেন।
এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন এমপি নূর মোহাম্মদের ছোট ভাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি ও নীলাখায়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগকারী নজরুল ইসলাম সাত্তার। একই পদে প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রউফ তালুকদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহীনা বেগম ও সিনিয়র সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ফরিং। এ ছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে চারজন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে চারজন আওয়ামী লীগ নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ঘোষণাপত্রের বিষয়ে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের অর্থবিষয়ক সম্পাদক ও এমপি নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই আমার কাছে শেষ কথা। সে কারণেই বকশীগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমার অবস্থান একেবারে পরিষ্কার। আমি কারও পক্ষে নই।’
নূর মোহাম্মদ আরও বলেন, ‘নির্বাচনে আমার নাম ভাঙিয়ে কেউ যদি প্রভাব বিস্তার বা কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা সৃষ্টির চেষ্টা করে, এসবের দায়ভার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের নিতে হবে। জনগণ যাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে, তিনিই হবেন জনপ্রতিনিধি। কেউ আমার সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) নূর মোহাম্মদের ছোট ভাই ও দলীয় একাধিক নেতা বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন। এতে প্রশাসনসহ স্থানীয়দের মধ্যে নিজেকে ‘নিরপেক্ষ’ থাকার জন্য এক ঘোষণাপত্র দিয়েছেন তিনি।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় এমপি নূর মোহাম্মদ স্বাক্ষরিত ওই ঘোষণাপত্র ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি নিজের নির্বাচনী এলাকায় এক মতবিনিময় সভায় এমপি নূর মোহাম্মদ দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে দেশের যেখানেই তিনি থাকেন না কেন, সেখান থেকে ভোট চাওয়ার ঘোষণা দিয়ে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেন।
জাতীয় সংসদের লোগোযুক্ত প্যাডে ঘোষণাপত্রে এমপি নূর মোহাম্মদ লিখেছেন, ‘আমি নূর মোহাম্মদ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ সদস্য ১৩৮, জামালপুর-১, এই মর্মে ঘোষণা করিতেছি যে, আসন্ন দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি সম্পূর্ণভাবে নিরপেক্ষ এবং আমার পক্ষে কোনো ব্যক্তি প্রতিনিধি নেই।’
গত ১৩ এপ্রিল বকশীগঞ্জ সরকারি কিয়ামত উল্লাহ কলেজ মাঠে বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে এমপি নূর মোহাম্মদ বলেছিলেন, ‘যদি আপনারা সিঙ্গেল (একক প্রার্থী) হন, তারপরেও কিন্তু আমার প্রার্থীকে জিতানোর জন্য ভোট চামু।’
নির্বাচনী আচরণবিধির প্রতি ইঙ্গিত করে আওয়ামী লীগের এই সংসদ সদস্য ওই মতবিনিময় সভায় বলেন, ‘যেহেতু এখানে আমার আসার নিয়ম নাই। যেখানে থাকি, জামালপুরে থাকি, ঢাকায় থাকি, ইন্ডিয়া যাইয়ে থাকি। সব জায়গায় তো ফোনের যোগাযোগ আছে। সবার কাছেই ফোন আছে। ফোনে আমার প্রার্থীকে জিতানোর চেষ্টা করব।’ তাঁর এই মন্তব্য স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২১ মে বকশীগঞ্জ উপজেলায় ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এতে ১ লাখ ৮২ হাজার ৮১৯ জন ভোট দিতে পারবেন।
এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন এমপি নূর মোহাম্মদের ছোট ভাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি ও নীলাখায়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগকারী নজরুল ইসলাম সাত্তার। একই পদে প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রউফ তালুকদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহীনা বেগম ও সিনিয়র সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ফরিং। এ ছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে চারজন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে চারজন আওয়ামী লীগ নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ঘোষণাপত্রের বিষয়ে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের অর্থবিষয়ক সম্পাদক ও এমপি নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই আমার কাছে শেষ কথা। সে কারণেই বকশীগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমার অবস্থান একেবারে পরিষ্কার। আমি কারও পক্ষে নই।’
নূর মোহাম্মদ আরও বলেন, ‘নির্বাচনে আমার নাম ভাঙিয়ে কেউ যদি প্রভাব বিস্তার বা কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা সৃষ্টির চেষ্টা করে, এসবের দায়ভার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের নিতে হবে। জনগণ যাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে, তিনিই হবেন জনপ্রতিনিধি। কেউ আমার সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে