সহিবুর রহমান, হবিগঞ্জ

হবিগঞ্জ পৌরসভার বাসিন্দাদের জন্য পানি সরবরাহ করতে প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে পানি শোধনাগার। এরপর স্থানীয় সরকারমন্ত্রীকে দিয়ে সেই প্রকল্প উদ্বোধনও করানো হয়েছে। তবে ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও এই শোধনাগার থেকে একফোঁটা পানিও পায়নি পৌরবাসী। এদিকে নির্মাণকাজ শেষ হলেও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর প্রকল্পটি এখনো পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করেনি। এটি কবে উৎপাদনে যাবে কিংবা শোধনাগার থেকে কবে পানি পাওয়া যাবে, তা-ও কারও জানা নেই।
হবিগঞ্জ পৌরসভা ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৫ সালে প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে হবিগঞ্জে পানি শোধনাগার প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। একপর্যায়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে টানাপোড়েন দেখা দেয়। ফলে নির্মাণকাজ বেশ কিছুদিন বন্ধ থাকে। অবশেষে ২০২২ সালের মাঝামাঝি কাজ শেষ হয়। তবে নতুন জটিলতা দেখা দেয় বিদ্যুৎ-সংযোগ নিয়ে। পৌর কর্তৃপক্ষ পোস্টপেইড মিটার দাবি করলেও বিদ্যুৎ বিভাগ প্রিপেইড মিটার ছাড়া সংযোগ দিতে নারাজ। এভাবে কেটে যায় ১ বছর। শেষমেশ প্রিপেইড মিটার নিতে সম্মত হয় পৌরসভা। মিটার নিয়ে যখন বিদ্যুৎ বিভাগ ও পৌরসভা টানাপোড়েন চলছিল, ঠিক সেই সময় পানি শোধনাগারের প্রায় ১৫
লাখ টাকার সরঞ্জাম ও তার চুরি হয়ে যায়। এসব পুনঃস্থাপন না করেই দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে গত ১১ নভেম্বর স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলামকে দিয়ে উদ্বোধন করানো হয়।
এদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিদ্যুতের মিটার স্থাপন না করায় পানি শোধনাগারটি পরীক্ষা করা যায়নি। ফলে পৌরবাসী এখনো সেখান থেকে পানি পাচ্ছে না।
সংকট বাড়ছে
হবিগঞ্জে বর্তমানে দুটি কেন্দ্র থেকে সরবরাহ করা পানির তুলনায় গ্রাহকসংখ্যা বেশি হওয়ায় চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। সূত্র বলছে, পৌর এলাকার প্রায় ২৫ শতাংশ গ্রাহকের বাসাবাড়িতে ঠিকঠাক পানি যাচ্ছে না। আবার পানি না পেয়েও লাইন বিচ্ছিন্নের আশঙ্কায় মাসে মাসে পানির বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে অনেককে। অপরদিকে পানির স্তর নেমে যাওয়ায় নলকূপেও কাঙ্ক্ষিত পানি উঠছে না। এই দাবদাহের মধ্যে পানির তীব্র সংকটের মধ্যে রয়েছে নগরবাসী।
এ ব্যাপারে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর হবিগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী তাহমিনা তানভীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, এ প্রকল্প থেকে ঘণ্টায় ৩৫০ ঘনমিটার পানি শোধন করা যাবে। ঠিকাদারকে অবিলম্বে বিদ্যুৎ-সংযোগ ও মিটার স্থাপনের জন্য বলা হয়েছে। তিনি বলেন, হবিগঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন রাস্তা ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ চলছে। বিদ্যুৎ-সংযোগ না পেলে এসব উন্নয়নকাজের সময় পাইপলাইনসহ অন্যান্য জিনিসপত্রের ক্ষতি হয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা সম্ভব নয়। সবকিছু ঠিকঠাক হলে পৌরসভার কাছে পানি শোধনাগারটি হস্তান্তর করা হবে। কবে নাগাদ হস্তান্তর সম্ভব, তা এ মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না।
হবিগঞ্জ পৌর পানি সরবরাহ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবদুল কদ্দুছ শামীম বলেন, বিদ্যুতের মিটার নিয়ে যে ঝামেলা ছিল, তা শেষ হয়েছে। জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর এখনো পৌরসভার কাছে পানি শোধনাগারটি হস্তান্তর করেনি। কবে হস্তান্তর করবে, তা-ও জানি না।

হবিগঞ্জ পৌরসভার বাসিন্দাদের জন্য পানি সরবরাহ করতে প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে পানি শোধনাগার। এরপর স্থানীয় সরকারমন্ত্রীকে দিয়ে সেই প্রকল্প উদ্বোধনও করানো হয়েছে। তবে ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও এই শোধনাগার থেকে একফোঁটা পানিও পায়নি পৌরবাসী। এদিকে নির্মাণকাজ শেষ হলেও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর প্রকল্পটি এখনো পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করেনি। এটি কবে উৎপাদনে যাবে কিংবা শোধনাগার থেকে কবে পানি পাওয়া যাবে, তা-ও কারও জানা নেই।
হবিগঞ্জ পৌরসভা ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৫ সালে প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে হবিগঞ্জে পানি শোধনাগার প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। একপর্যায়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে টানাপোড়েন দেখা দেয়। ফলে নির্মাণকাজ বেশ কিছুদিন বন্ধ থাকে। অবশেষে ২০২২ সালের মাঝামাঝি কাজ শেষ হয়। তবে নতুন জটিলতা দেখা দেয় বিদ্যুৎ-সংযোগ নিয়ে। পৌর কর্তৃপক্ষ পোস্টপেইড মিটার দাবি করলেও বিদ্যুৎ বিভাগ প্রিপেইড মিটার ছাড়া সংযোগ দিতে নারাজ। এভাবে কেটে যায় ১ বছর। শেষমেশ প্রিপেইড মিটার নিতে সম্মত হয় পৌরসভা। মিটার নিয়ে যখন বিদ্যুৎ বিভাগ ও পৌরসভা টানাপোড়েন চলছিল, ঠিক সেই সময় পানি শোধনাগারের প্রায় ১৫
লাখ টাকার সরঞ্জাম ও তার চুরি হয়ে যায়। এসব পুনঃস্থাপন না করেই দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে গত ১১ নভেম্বর স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলামকে দিয়ে উদ্বোধন করানো হয়।
এদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিদ্যুতের মিটার স্থাপন না করায় পানি শোধনাগারটি পরীক্ষা করা যায়নি। ফলে পৌরবাসী এখনো সেখান থেকে পানি পাচ্ছে না।
সংকট বাড়ছে
হবিগঞ্জে বর্তমানে দুটি কেন্দ্র থেকে সরবরাহ করা পানির তুলনায় গ্রাহকসংখ্যা বেশি হওয়ায় চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। সূত্র বলছে, পৌর এলাকার প্রায় ২৫ শতাংশ গ্রাহকের বাসাবাড়িতে ঠিকঠাক পানি যাচ্ছে না। আবার পানি না পেয়েও লাইন বিচ্ছিন্নের আশঙ্কায় মাসে মাসে পানির বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে অনেককে। অপরদিকে পানির স্তর নেমে যাওয়ায় নলকূপেও কাঙ্ক্ষিত পানি উঠছে না। এই দাবদাহের মধ্যে পানির তীব্র সংকটের মধ্যে রয়েছে নগরবাসী।
এ ব্যাপারে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর হবিগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী তাহমিনা তানভীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, এ প্রকল্প থেকে ঘণ্টায় ৩৫০ ঘনমিটার পানি শোধন করা যাবে। ঠিকাদারকে অবিলম্বে বিদ্যুৎ-সংযোগ ও মিটার স্থাপনের জন্য বলা হয়েছে। তিনি বলেন, হবিগঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন রাস্তা ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ চলছে। বিদ্যুৎ-সংযোগ না পেলে এসব উন্নয়নকাজের সময় পাইপলাইনসহ অন্যান্য জিনিসপত্রের ক্ষতি হয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা সম্ভব নয়। সবকিছু ঠিকঠাক হলে পৌরসভার কাছে পানি শোধনাগারটি হস্তান্তর করা হবে। কবে নাগাদ হস্তান্তর সম্ভব, তা এ মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না।
হবিগঞ্জ পৌর পানি সরবরাহ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবদুল কদ্দুছ শামীম বলেন, বিদ্যুতের মিটার নিয়ে যে ঝামেলা ছিল, তা শেষ হয়েছে। জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর এখনো পৌরসভার কাছে পানি শোধনাগারটি হস্তান্তর করেনি। কবে হস্তান্তর করবে, তা-ও জানি না।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে