শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের শ্রীপুরে বিভিন্ন দাবিতে মাওনা-কালিয়াকৈর আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন কারখানার শ্রমিকেরা। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের ক্রাউন এক্সক্লুসিভ ওয়্যার লিমিটেড কারখানার শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করেন।
এ সময় সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে এবং আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করে বিক্ষোভ করা হয়। তাতে ওই সড়কে চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
কারখানা শ্রমিক মনির হোসেন বলেন, ‘কারখানা কর্তৃপক্ষ আমাদের বার্ষিক ছুটির টাকা, হাজিরা বোনাস ও নাইট বিল দিচ্ছে না। এসব দাবি করে এলেও তা মানছে না কারখানা কর্তৃপক্ষ।’
কারখানা শ্রমিক আমেনা খাতুন বলেন, ‘কারখানার লিংকিং ইনচার্জ আমাদের নারী শ্রমিকের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। আমাদের সঙ্গে সব সময় বকাঝকা করেন। আমাদের বেতন-ভাতা ঠিক সময় পরিশোধ করেন না। আমাদের যে পরিমাণ খাটান, সে তুলনায় মজুরি দেন না। আমাদের এক বছরের বার্ষিক ছুটির টাকা দেন না। এ জন্য বাধ্য হয়ে রাস্তায় নেমে এসেছি। যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের দাবিদাওয়া মেনে না নেওয়া হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত রাস্তা ছাড়ব না।’
কারখানাশ্রমিক লাভলী আক্তার বলেন, ‘গত এক বছরের বার্ষিক ছুটির টাকা বকেয়া পড়েছে। আমরা অনেক কষ্টে দিনাতিপাত করি। কারখানা কর্তৃপক্ষ দেই-দিচ্ছি করে ঘোরাচ্ছে। আমরা অনুরোধ করেও সমাধান পাচ্ছি না। দাবিদাওয়ার বিষয়ে জানাতে গেলে আমাদের কয়েকজন শ্রমিককে মারধর করেছে। চাকরিচ্যুত করারও হুমকি দেওয়া হয়। আমাদের মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেয় না।’

কারখানার মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা মোস্তাকিম রাজীব বলেন, ‘আমরা শ্রম আইন অনুযায়ী বেতনভাতা পরিশোধ করি। কিছু সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সমাধান করা হবে। তা শ্রমিকদের জানানো হয়েছে। কিন্তু এসব না শুনে কারখানার শ্রমিকেরা রাস্তায় নেমে যায়।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২-এর ভবানীপুর জোনের পরিদর্শক মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শ্রমিকেরা বিভিন্ন দাবিতে আজ সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সড়ক অবরোধ করে। কারখানা কর্তৃপক্ষ কিছু দাবি মানলেও তারা সড়ক ছাড়ছে না। তাতে সড়কের দুপাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।’

গাজীপুরের শ্রীপুরে বিভিন্ন দাবিতে মাওনা-কালিয়াকৈর আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন কারখানার শ্রমিকেরা। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের ক্রাউন এক্সক্লুসিভ ওয়্যার লিমিটেড কারখানার শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করেন।
এ সময় সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে এবং আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করে বিক্ষোভ করা হয়। তাতে ওই সড়কে চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
কারখানা শ্রমিক মনির হোসেন বলেন, ‘কারখানা কর্তৃপক্ষ আমাদের বার্ষিক ছুটির টাকা, হাজিরা বোনাস ও নাইট বিল দিচ্ছে না। এসব দাবি করে এলেও তা মানছে না কারখানা কর্তৃপক্ষ।’
কারখানা শ্রমিক আমেনা খাতুন বলেন, ‘কারখানার লিংকিং ইনচার্জ আমাদের নারী শ্রমিকের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। আমাদের সঙ্গে সব সময় বকাঝকা করেন। আমাদের বেতন-ভাতা ঠিক সময় পরিশোধ করেন না। আমাদের যে পরিমাণ খাটান, সে তুলনায় মজুরি দেন না। আমাদের এক বছরের বার্ষিক ছুটির টাকা দেন না। এ জন্য বাধ্য হয়ে রাস্তায় নেমে এসেছি। যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের দাবিদাওয়া মেনে না নেওয়া হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত রাস্তা ছাড়ব না।’
কারখানাশ্রমিক লাভলী আক্তার বলেন, ‘গত এক বছরের বার্ষিক ছুটির টাকা বকেয়া পড়েছে। আমরা অনেক কষ্টে দিনাতিপাত করি। কারখানা কর্তৃপক্ষ দেই-দিচ্ছি করে ঘোরাচ্ছে। আমরা অনুরোধ করেও সমাধান পাচ্ছি না। দাবিদাওয়ার বিষয়ে জানাতে গেলে আমাদের কয়েকজন শ্রমিককে মারধর করেছে। চাকরিচ্যুত করারও হুমকি দেওয়া হয়। আমাদের মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেয় না।’

কারখানার মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা মোস্তাকিম রাজীব বলেন, ‘আমরা শ্রম আইন অনুযায়ী বেতনভাতা পরিশোধ করি। কিছু সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সমাধান করা হবে। তা শ্রমিকদের জানানো হয়েছে। কিন্তু এসব না শুনে কারখানার শ্রমিকেরা রাস্তায় নেমে যায়।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২-এর ভবানীপুর জোনের পরিদর্শক মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শ্রমিকেরা বিভিন্ন দাবিতে আজ সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সড়ক অবরোধ করে। কারখানা কর্তৃপক্ষ কিছু দাবি মানলেও তারা সড়ক ছাড়ছে না। তাতে সড়কের দুপাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪৪ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে