
গাজীপুরের টঙ্গীতে এক রিয়েল এস্টেট কোম্পানির মালিকের অফিসের সামনে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় আতঙ্ক তৈরি করতে ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে টঙ্গীর সাতাশ বাগানবাড়ি এলাকায় মায়ের দোয়া রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কোম্পানিটির নিরাপত্তাকর্মী নান্টু মিয়াকে (৩৬) মারধরের ঘটনা ঘটেছে।
জানা গেছে, শনিবার রাতে পাঁচ ব্যক্তি অফিসের গেটে এসে মায়ের দোয়া রিয়েল এস্টেটের মালিক কামরুজ্জামানকে খুঁজতে থাকেন। পরে তারা অফিসের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে বাধা দেন নিরাপত্তাকর্মী। এ সময় তারা নিরাপত্তাকর্মী নান্টুকে এলোপাতাড়ি চড়-থাপ্পড়, কিল-ঘুষি মারে।
ঘটনার একপর্যায়ে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা তিনটি ফাঁকা গুলি ছোড়ে ও একটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক তৈরি করে। পরে একটি প্রাইভেট কারে পালিয়ে যায়।
এ ব্যাপার মায়ের দোয়া রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেড কোম্পানির মালিক মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা কেন আমাকে খুঁজছে, আমার জানা নাই। তবে ইদানীং কেউ আমার কাছে চাঁদা দাবি করেনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে নিয়ে গেছে। আমি আমার জীবনের ও কোম্পানির নিরাপত্তা দাবি করছি।’
টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুটি গুলির খোসা ও ককটেল-সদৃশ একটি বস্তু জব্দ করা হয়েছে। লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব।

চাঁদপুরের আট উপজেলায় ৯২টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে কাগজে-কলমে চিকিৎসক রয়েছেন। অথচ সেসব চিকিৎসক সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সংযুক্তিতে দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে সামান্য সেবা পেতেও ছুটতে হচ্ছে উপজেলা কিংবা জেলা সদরে।
৪১ মিনিট আগে
বাগেরহাটের চিতলমারীতে অবৈধ ড্রেজার ও রুট পারমিটবিহীন বাল্কহেড দিয়ে ভূগর্ভ থেকে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের মহোৎসব চলছে। প্রশাসনের জরিমানার পরেও উপজেলার ১০ থেকে ১২ জন চিহ্নিত ড্রেজার ও বাল্কহেডের মালিক ভূগর্ভ থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার ঘনফুট বালু উত্তোলন ও পরিবহন করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তার ভয়াল গ্রাসে প্রতিনিয়ত ঘরবাড়ি হারাচ্ছেন নদীপাড়ের মানুষেরা। গত ৭২ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর আকস্মিক ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে ৮৩টি পরিবারের বসতভিটা। এর মধ্যে ১২টি পরিবারের অন্তত সাতটি টিনের ঘর পুরোপুরি নদীতে তলিয়ে গেছে এবং কয়েকটি ঘরের আংশিক নদীতে চলে গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
জীবিকার তাগিদে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ৩৩ বছরে নিখোঁজ বরগুনার পাথরঘাটার ১৯২ জেলে। ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, উত্তাল ঢেউ ও বৈরী আবহাওয়ার কবলে ট্রলারডুবির পাশাপাশি গভীর সমুদ্রে যোগাযোগব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাও বাড়াচ্ছে এ ঝুঁকি। অনেকের পরিবার এখনো স্বজনের অপেক্ষায়।
২ ঘণ্টা আগে