গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুর মহানগরীতে চার বছর বয়সী দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার সকালে গাজীপুর মহানগরীর সালনার টেকিবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে মধ্যরাতে তাদের লাশ পাশাপাশি কবরস্থানে দাফন করা হয়। খাদ্যে বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছেন চিকিৎসকেরা।
মৃত দুই শিশু হলো গাজীপুর সদরের সালনার টেকিবাড়ি গ্রামের মো. শাহজাহানের মেয়ে মোছা. জান্নাতুল (৪) এবং গাইবান্ধার ফুলছড়ি থানার হরিচণ্ডী গ্রামের শাহ আলমের ছেলে মাহিম (৪)। তারা গাজীপুরের টেকিবাড়ি এলাকায় পাশাপাশি বাড়িতে বসবাস করত।
শিশু মাহিমের মামা মাসুদ রানা বলেন, গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সালনার টেকিবাড়ি এলাকার ভাড়া বাড়ির পাশে খেলছিল মাহিম ও জান্নাতুল। এ সময় তারা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। অবস্থার অবনতি হলে তাদের গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ওই দুই শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
জান্নাতুলের বাবা শাহজাহান বলেন, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জান্নাতুল হাঁপাতে হাঁপাতে দৌড়ে এসে জানায় কুকুর তাদের তাড়া করছে। এ সময় কিছু বুঝে ওঠার আগেই জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে সে। পরে মাহিমও তাদের ঘরে গিয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। দ্রুত তাদের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) হাসনিন জাহান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খাদ্যে বিষক্রিয়ায় মাহিম ও জান্নাতুলের মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ রাফিউল করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে দুজনের লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের মৃত্যুর কারণ জানার চেষ্টা চলছে।

গাজীপুর মহানগরীতে চার বছর বয়সী দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার সকালে গাজীপুর মহানগরীর সালনার টেকিবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে মধ্যরাতে তাদের লাশ পাশাপাশি কবরস্থানে দাফন করা হয়। খাদ্যে বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছেন চিকিৎসকেরা।
মৃত দুই শিশু হলো গাজীপুর সদরের সালনার টেকিবাড়ি গ্রামের মো. শাহজাহানের মেয়ে মোছা. জান্নাতুল (৪) এবং গাইবান্ধার ফুলছড়ি থানার হরিচণ্ডী গ্রামের শাহ আলমের ছেলে মাহিম (৪)। তারা গাজীপুরের টেকিবাড়ি এলাকায় পাশাপাশি বাড়িতে বসবাস করত।
শিশু মাহিমের মামা মাসুদ রানা বলেন, গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সালনার টেকিবাড়ি এলাকার ভাড়া বাড়ির পাশে খেলছিল মাহিম ও জান্নাতুল। এ সময় তারা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। অবস্থার অবনতি হলে তাদের গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ওই দুই শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
জান্নাতুলের বাবা শাহজাহান বলেন, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জান্নাতুল হাঁপাতে হাঁপাতে দৌড়ে এসে জানায় কুকুর তাদের তাড়া করছে। এ সময় কিছু বুঝে ওঠার আগেই জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে সে। পরে মাহিমও তাদের ঘরে গিয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। দ্রুত তাদের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) হাসনিন জাহান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খাদ্যে বিষক্রিয়ায় মাহিম ও জান্নাতুলের মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ রাফিউল করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে দুজনের লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের মৃত্যুর কারণ জানার চেষ্টা চলছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে