টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের টঙ্গীর কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে (বালক) ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে নয়ন মিয়া (২০) নামের এক বন্দীর মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ভোরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
নয়নের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রের কর্মকর্তা জামান মিয়া। তিনি বলেন, ‘নয়ন নারায়ণগঞ্জ জেলা সদর এলাকার শ্রী কৃষ্ণের ছেলে। তিনি রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার ডাকাতির প্রস্তুতি মামলায় আসামি হিসেবে দুই বছর ধরে টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে বন্দী ছিলেন।’
কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে জানা গেছে, গতকাল সোমবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ অসুস্থ হন নয়ন। উন্নয়ন কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা প্রথমে তাঁকে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। রাতে সেখানে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে অবস্থার অবনতি হলে নয়নকে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। পরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়।
জামান মিয়া বলেন, ‘গতকাল রাতে নয়নকে প্রথমে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে পরে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ও সবশেষ ঢামেকে নেওয়ার পর তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেকের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।’
এ বিষয়ে জানতে টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রের (বালক) তত্ত্বাবধায়ক মো. এহিয়াতুজ্জামানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
টঙ্গী পূর্ব থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাটি জানা নেই। আপনার কাছ থেকেই জানলাম। কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র থেকেও আমাদের জানানো হয়নি।’

গাজীপুরের টঙ্গীর কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে (বালক) ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে নয়ন মিয়া (২০) নামের এক বন্দীর মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ভোরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
নয়নের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রের কর্মকর্তা জামান মিয়া। তিনি বলেন, ‘নয়ন নারায়ণগঞ্জ জেলা সদর এলাকার শ্রী কৃষ্ণের ছেলে। তিনি রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার ডাকাতির প্রস্তুতি মামলায় আসামি হিসেবে দুই বছর ধরে টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে বন্দী ছিলেন।’
কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে জানা গেছে, গতকাল সোমবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ অসুস্থ হন নয়ন। উন্নয়ন কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা প্রথমে তাঁকে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। রাতে সেখানে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে অবস্থার অবনতি হলে নয়নকে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। পরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়।
জামান মিয়া বলেন, ‘গতকাল রাতে নয়নকে প্রথমে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে পরে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ও সবশেষ ঢামেকে নেওয়ার পর তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেকের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।’
এ বিষয়ে জানতে টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রের (বালক) তত্ত্বাবধায়ক মো. এহিয়াতুজ্জামানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
টঙ্গী পূর্ব থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাটি জানা নেই। আপনার কাছ থেকেই জানলাম। কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র থেকেও আমাদের জানানো হয়নি।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে