নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘দুর্নীতিবাজ ও খুনি তারেক জিয়ার নির্দেশে সুপরিকল্পিতভাবে আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপিকে হত্যা করা হয়েছিল। গাজীপুরবাসী ও বাংলার মানুষ এই হত্যাকাণ্ড মেনে নিতে পারেনি। গাজীপুরবাসী সেদিন গাজীপুরকে অচল করে দিয়েছিল।’
প্রতিমন্ত্রী আজ শনিবার গাজীপুরের হায়দরাবাদে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের ১৮তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন।
২০০১-২০০৬ সাল ছিল বাংলাদেশে অন্ধকারের যুগ উল্লেখ করে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সে সময় শায়খ আব্দুর রহমান, বাংলা ভাই সৃষ্টি করা হয়েছিল। এমপিদের হত্যা করা হয়েছে। গ্রেনেড হামলা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তিনি বেঁচে আছেন। কিন্তু আইভি রহমানসহ ২৪টি তাজা প্রাণ সেদিন ঝরে পড়েছিল।’
আহসান উল্লাহ মাস্টারের স্বপ্ন শ্রমিক সমাজের অধিকার আজ বাংলার মাটিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে জানিয়ে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানমর্যাদা বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর রক্ত বৃথা যায়নি। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে, কিন্তু হত্যাকারীরা নির্মূল হয়নি। তাদের নির্মূল করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সব ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে। বিএনপি দেশের উন্নয়নে খুশি হতে পারে না। তারা বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। বাংলার মানুষ বিএনপির রাজনীতিকে ঘৃণা করে, বাংলাদেশে তাদের রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত হবে না।’
এ সময় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ এমপি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি এমপি, গাজীপুর জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। এর আগে প্রতিমন্ত্রী মরহুমের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও মোনাজাত করেন।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘দুর্নীতিবাজ ও খুনি তারেক জিয়ার নির্দেশে সুপরিকল্পিতভাবে আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপিকে হত্যা করা হয়েছিল। গাজীপুরবাসী ও বাংলার মানুষ এই হত্যাকাণ্ড মেনে নিতে পারেনি। গাজীপুরবাসী সেদিন গাজীপুরকে অচল করে দিয়েছিল।’
প্রতিমন্ত্রী আজ শনিবার গাজীপুরের হায়দরাবাদে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের ১৮তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন।
২০০১-২০০৬ সাল ছিল বাংলাদেশে অন্ধকারের যুগ উল্লেখ করে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সে সময় শায়খ আব্দুর রহমান, বাংলা ভাই সৃষ্টি করা হয়েছিল। এমপিদের হত্যা করা হয়েছে। গ্রেনেড হামলা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তিনি বেঁচে আছেন। কিন্তু আইভি রহমানসহ ২৪টি তাজা প্রাণ সেদিন ঝরে পড়েছিল।’
আহসান উল্লাহ মাস্টারের স্বপ্ন শ্রমিক সমাজের অধিকার আজ বাংলার মাটিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে জানিয়ে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানমর্যাদা বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর রক্ত বৃথা যায়নি। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে, কিন্তু হত্যাকারীরা নির্মূল হয়নি। তাদের নির্মূল করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সব ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে। বিএনপি দেশের উন্নয়নে খুশি হতে পারে না। তারা বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। বাংলার মানুষ বিএনপির রাজনীতিকে ঘৃণা করে, বাংলাদেশে তাদের রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত হবে না।’
এ সময় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ এমপি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি এমপি, গাজীপুর জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। এর আগে প্রতিমন্ত্রী মরহুমের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও মোনাজাত করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে