গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুর মহানগরীর পুবাইল থানাধীন মীরের বাজার এলাকায় গতকাল শনিবার দিবাগত ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে সিলিন্ডারের গ্যাস বিস্ফোরণে আড়াই মাসের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় দগ্ধ হয়ে শিশুটির বাবা-মাও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নিহত শিশুর নাম মো. রায়হান। দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন রায়হানের বাবা রিপন হোসেন (২৩) ও মা হাফিজা আক্তার (২০)। তাঁদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা থানাধীন ঘোষপাড়ায়।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, মীরের বাজার এলাকায় সাজ্জাদ হোসেনের তিনতলা ভবনের নিচতলার একটি বাসা ভাড়া নিয়ে মাত্র দুই দিন আগে সপরিবারে বাসায় ওঠেন রিপন হোসেন। বাসায় রান্নাঘরে গ্যাস সিলিন্ডারটি নতুনভাবে স্থাপন করা হয়। গতকাল দিবাগত ভোররাতে শিশুর দুধ তৈরি করতে পানি গরম করার জন্য সিলিন্ডার গ্যাসের চুলায় আগুন জ্বালাতে যান রিপন হোসেনে স্ত্রী। এ সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং পুরো কক্ষে আগুন ধরে যায়।
এ সময় ঘরের ভেতরে থাকা রিপন, হাফিজা ও শিশু রায়হান দগ্ধ হয়। পুড়ে যায় ঘরের আসবাব ও বিছানাপত্র। তাদের চিৎকার শুনে আশপাশের ভাড়াটিয়ারা ও বাড়িওয়ালা ছুটে এসে আগুন নেভান। পরে দগ্ধ তিনজনকে প্রথমে টঙ্গীর আহসানউল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাদের জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান জানান, রিপনের শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশ ও তাঁর স্ত্রী হাফিজার শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে।
পুবাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিরুল ইসলাম বলেছেন, ‘গতকাল দিবাগত ভোররাতে চুলায় আগুন ধরানোর সময় লিকেজ থেকে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে স্বামী-স্ত্রী ও তাঁদের শিশুপুত্র দগ্ধ হয়। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে শিশুটির মৃত্যু হয় এবং অন্য দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুর্ঘটনার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

গাজীপুর মহানগরীর পুবাইল থানাধীন মীরের বাজার এলাকায় গতকাল শনিবার দিবাগত ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে সিলিন্ডারের গ্যাস বিস্ফোরণে আড়াই মাসের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় দগ্ধ হয়ে শিশুটির বাবা-মাও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নিহত শিশুর নাম মো. রায়হান। দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন রায়হানের বাবা রিপন হোসেন (২৩) ও মা হাফিজা আক্তার (২০)। তাঁদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা থানাধীন ঘোষপাড়ায়।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, মীরের বাজার এলাকায় সাজ্জাদ হোসেনের তিনতলা ভবনের নিচতলার একটি বাসা ভাড়া নিয়ে মাত্র দুই দিন আগে সপরিবারে বাসায় ওঠেন রিপন হোসেন। বাসায় রান্নাঘরে গ্যাস সিলিন্ডারটি নতুনভাবে স্থাপন করা হয়। গতকাল দিবাগত ভোররাতে শিশুর দুধ তৈরি করতে পানি গরম করার জন্য সিলিন্ডার গ্যাসের চুলায় আগুন জ্বালাতে যান রিপন হোসেনে স্ত্রী। এ সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং পুরো কক্ষে আগুন ধরে যায়।
এ সময় ঘরের ভেতরে থাকা রিপন, হাফিজা ও শিশু রায়হান দগ্ধ হয়। পুড়ে যায় ঘরের আসবাব ও বিছানাপত্র। তাদের চিৎকার শুনে আশপাশের ভাড়াটিয়ারা ও বাড়িওয়ালা ছুটে এসে আগুন নেভান। পরে দগ্ধ তিনজনকে প্রথমে টঙ্গীর আহসানউল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাদের জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান জানান, রিপনের শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশ ও তাঁর স্ত্রী হাফিজার শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে।
পুবাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিরুল ইসলাম বলেছেন, ‘গতকাল দিবাগত ভোররাতে চুলায় আগুন ধরানোর সময় লিকেজ থেকে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে স্বামী-স্ত্রী ও তাঁদের শিশুপুত্র দগ্ধ হয়। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে শিশুটির মৃত্যু হয় এবং অন্য দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুর্ঘটনার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া স্টেশনে ট্রেনের বগি থেকে মোজাহার আলী (৬০) নামের এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করছে পুলিশ। তিনি উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের মতরপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল সর্দারের ছেলে।
৯ মিনিট আগে
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
১ ঘণ্টা আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে