পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত আসামিরা ভুক্তভোগী পরিবারকে নানাভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। এর প্রতিবাদ ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।
আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার ধাপেরহাট বন্দরে গোবিন্দপুর (হিঙ্গারপাড়া) গ্রামবাসীর আয়োজনে মানববন্ধনে দুই শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন। এতে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে বক্তারা জানান, একই গ্রামের রবিউল ইসলাম (৪০) ও আব্দুর রহিম মিয়ার (৫০) মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে গত ১৭ জুন গভীর রাতে রহিম মিয়ার নেতৃত্বে দলবদ্ধ হয়ে লোকজন পেট্রল ঢেলে রবিউলের বসতবাড়িতে আগুন দেয়। অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যায় চার কক্ষবিশিষ্ট আধা পাকা ঘর, একটি টিনশেড ঘর ও একটি মনিহারি দোকান। রবিউল ইসলামের দাবি, আগুনে বাড়ি, নগদ টাকা ও মালামালসহ প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ওই ঘটনার তিন দিন পর গত ২০ জুন তিনি সাদুল্লাপুর থানায় রহিম মিয়াসহ সাতজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। কিন্তু দেড় মাস পার হলেও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করেনি। এমনকি তদন্তেও কোনো অগ্রগতি নেই। উল্টো আসামিরা মামলা তুলে নিতে তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
মানববন্ধনে বক্তারা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার না হলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে পারে। শুধু তা-ই নয়, যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিরও আশঙ্কা আছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজউদ্দিন খন্দকার বলেন, ‘অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মামলা গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে মামলাটি দেখছে। আশা করি, দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হবে।’

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত আসামিরা ভুক্তভোগী পরিবারকে নানাভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। এর প্রতিবাদ ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।
আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার ধাপেরহাট বন্দরে গোবিন্দপুর (হিঙ্গারপাড়া) গ্রামবাসীর আয়োজনে মানববন্ধনে দুই শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন। এতে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে বক্তারা জানান, একই গ্রামের রবিউল ইসলাম (৪০) ও আব্দুর রহিম মিয়ার (৫০) মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে গত ১৭ জুন গভীর রাতে রহিম মিয়ার নেতৃত্বে দলবদ্ধ হয়ে লোকজন পেট্রল ঢেলে রবিউলের বসতবাড়িতে আগুন দেয়। অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যায় চার কক্ষবিশিষ্ট আধা পাকা ঘর, একটি টিনশেড ঘর ও একটি মনিহারি দোকান। রবিউল ইসলামের দাবি, আগুনে বাড়ি, নগদ টাকা ও মালামালসহ প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ওই ঘটনার তিন দিন পর গত ২০ জুন তিনি সাদুল্লাপুর থানায় রহিম মিয়াসহ সাতজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। কিন্তু দেড় মাস পার হলেও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করেনি। এমনকি তদন্তেও কোনো অগ্রগতি নেই। উল্টো আসামিরা মামলা তুলে নিতে তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
মানববন্ধনে বক্তারা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার না হলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে পারে। শুধু তা-ই নয়, যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিরও আশঙ্কা আছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজউদ্দিন খন্দকার বলেন, ‘অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মামলা গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে মামলাটি দেখছে। আশা করি, দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে