গাইবান্ধায় মাশরুম
আনোয়ার হোসেন শামীম, গাইবান্ধা

গাইবান্ধার মাশরুম চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসকরণ প্রকল্প নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে ‘অঙ্কুরেই বিনষ্ট’ হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রথম কিস্তিতে গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ২টি প্রদর্শনী প্রকল্পে ৭ লাখ ৪৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়। এই অর্থবছরে প্রকল্প দুটি স্থাপন সম্পন্ন করার জন্য সময় বেঁধে দেওয়া হলেও এখনো ঘরের কাজই শেষ হয়নি।
প্রকল্প দুটির মধ্যে একটি গাইবান্ধা সদরের বল্লমঝড় ইউনিয়নের নারায়ণপুরে। এ মাশরুম প্রদর্শনীটি চলতি জুন মাসেও উৎপাদনে যেতে পারেনি। অপরটি বাদিয়াখালী ইউনিয়নের চুনিয়াকান্দি মৌজায়। এটি প্রকল্পের নির্বাচন ও মাশরুম চাষে উৎসাহী কৃষক নির্বাচন করেই মুখ থেমে আছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার অনুকূলে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রতিটি স্পন ও মাশরুম প্রদর্শনীর জন্য ৩ লাখ ৭৪ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু ওই অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় করা হয়নি। বরাদ্দ করা অর্থের সিংহভাগ প্রকল্প তদারককারী কর্মকর্তা-সংশ্লিষ্ট লোকজন কৌশলে মজুত করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রতিটি প্রদর্শনী প্রকল্পে ইনকিউবেশন কক্ষ, চাষঘর, স্টেরিলাইজেশন কাম ইনকুলেশন চেম্বার স্থাপন ছাড়াও মালামাল রক্ষণের জন্য র্যাক ও পরিবহনের জন্য ব্যাটারিচালিত ভ্যানের বিপরীতে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রদর্শনী প্রকল্পের ব্যয় বরাদ্দের সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি প্রদর্শনী প্রকল্পে ইনকিউবেশন কক্ষ ও তার আনুষঙ্গিক ব্যয় ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫০০ টাকা, চাষঘর ও তার আনুষঙ্গিক ব্যয় ১ লাখ ৫৩ হাজার ৫০০ টাকা, স্টেরিলাইজেশন কাম ইনকুলেশন চেম্বারের আনুষঙ্গিক ব্যয় ৩০ হাজার টাকা, সাইনবোর্ড বাবদ ২ হাজার টাকা, মার্কেটিংয়ের ভ্যান কেনা বাবদ ৪৫ হাজার টাকা, সেটিং ও পরিবহন খরচ বাবদ ৫ হাজার টাকাসহ মোট ৭ লাখ ৪ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
সরেজমিনে প্রকল্প দুটিতে দেখা যায়, চুনিয়াকান্দি মৌজায় মাশরুম প্রকল্পে কয়েকটি সিমেন্টের খুঁটি দাঁড়িয়ে আছে। চাল, বেড়া—কিছুই নেই। এই মাশরুম চাষ প্রদর্শনী উদ্যোক্তা মোছা সাহিদা বেগম বলেন, ‘এখনো ঘরে ১৪টি খুঁটি ছাড়া আর কিছুই পাইনি। আশা ছিল, একজন সফল উদ্যোক্তা হব। কিন্তু এখন বেকার হয়ে পড়েছি।’
এ দিকে গাইবান্ধা সদর উপজেলার নারায়ণপুর মৌজায় স্পন ও মাশরুম চাষ প্রদর্শনী ঘুরে দেখার সময় উৎপাদক ও উদ্যোক্তা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘প্রদর্শনী প্রকল্পটি জুন ২০২৫ অর্থবছরে স্থাপন শেষ করে উৎপাদনে যাওয়ার কথা থাকলেও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার কর্মসূচি বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতার ফলে প্রকল্প দুটির সুফল অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়েছে।’ এর কারণ হিসেবে উদ্যোক্তা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘সঠিক সময়ে ইনকিউবেশন কক্ষ নির্মাণ, চাষঘর তৈরি, স্টেরিলাইজেশন কাম ইনকুলেশন চেম্বার স্থাপন না করায় সঠিক সময়ে উৎপাদনে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানো যায়নি।’ তিনি আরও বলেন, ‘উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার দায়সারা কর্তব্য পালনের কারণে প্রকল্পের কাজে নানা অনিয়ম ও বিপত্তি দেখা দিয়েছে। প্রকল্পটির প্রয়োজনীয় সরবরাহ যেমন ইনকিউবেশনের জন্য এগজস্ট ফ্যান, কুলিং প্যাড ও কনটেইনার, দুটি পিভিসি দরজা, পানির পাম্প, ত্রিপল, ছোট পানির পাম্প, পানি স্প্রেইং সিস্টেম, সরবরাহ করা হয়নি। এসব জিনিসের দাম ২ লক্ষাধিক টাকা’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাহাদৎ হোসেন বলেন, ‘সাংবাদিকদের ভিডিও বক্তব্য বা তথ্য দিতে ওপর থেকে নিষেধ আছে। এসব দেখার দায়িত্ব তো আপনাদের না। অযথা আপনারা আমাদের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করেন। নিউজ করে আজ পর্যন্ত কিছুর সমাধান হচ্ছে?’

গাইবান্ধার মাশরুম চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসকরণ প্রকল্প নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে ‘অঙ্কুরেই বিনষ্ট’ হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রথম কিস্তিতে গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ২টি প্রদর্শনী প্রকল্পে ৭ লাখ ৪৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়। এই অর্থবছরে প্রকল্প দুটি স্থাপন সম্পন্ন করার জন্য সময় বেঁধে দেওয়া হলেও এখনো ঘরের কাজই শেষ হয়নি।
প্রকল্প দুটির মধ্যে একটি গাইবান্ধা সদরের বল্লমঝড় ইউনিয়নের নারায়ণপুরে। এ মাশরুম প্রদর্শনীটি চলতি জুন মাসেও উৎপাদনে যেতে পারেনি। অপরটি বাদিয়াখালী ইউনিয়নের চুনিয়াকান্দি মৌজায়। এটি প্রকল্পের নির্বাচন ও মাশরুম চাষে উৎসাহী কৃষক নির্বাচন করেই মুখ থেমে আছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার অনুকূলে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রতিটি স্পন ও মাশরুম প্রদর্শনীর জন্য ৩ লাখ ৭৪ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু ওই অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় করা হয়নি। বরাদ্দ করা অর্থের সিংহভাগ প্রকল্প তদারককারী কর্মকর্তা-সংশ্লিষ্ট লোকজন কৌশলে মজুত করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রতিটি প্রদর্শনী প্রকল্পে ইনকিউবেশন কক্ষ, চাষঘর, স্টেরিলাইজেশন কাম ইনকুলেশন চেম্বার স্থাপন ছাড়াও মালামাল রক্ষণের জন্য র্যাক ও পরিবহনের জন্য ব্যাটারিচালিত ভ্যানের বিপরীতে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রদর্শনী প্রকল্পের ব্যয় বরাদ্দের সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি প্রদর্শনী প্রকল্পে ইনকিউবেশন কক্ষ ও তার আনুষঙ্গিক ব্যয় ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫০০ টাকা, চাষঘর ও তার আনুষঙ্গিক ব্যয় ১ লাখ ৫৩ হাজার ৫০০ টাকা, স্টেরিলাইজেশন কাম ইনকুলেশন চেম্বারের আনুষঙ্গিক ব্যয় ৩০ হাজার টাকা, সাইনবোর্ড বাবদ ২ হাজার টাকা, মার্কেটিংয়ের ভ্যান কেনা বাবদ ৪৫ হাজার টাকা, সেটিং ও পরিবহন খরচ বাবদ ৫ হাজার টাকাসহ মোট ৭ লাখ ৪ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
সরেজমিনে প্রকল্প দুটিতে দেখা যায়, চুনিয়াকান্দি মৌজায় মাশরুম প্রকল্পে কয়েকটি সিমেন্টের খুঁটি দাঁড়িয়ে আছে। চাল, বেড়া—কিছুই নেই। এই মাশরুম চাষ প্রদর্শনী উদ্যোক্তা মোছা সাহিদা বেগম বলেন, ‘এখনো ঘরে ১৪টি খুঁটি ছাড়া আর কিছুই পাইনি। আশা ছিল, একজন সফল উদ্যোক্তা হব। কিন্তু এখন বেকার হয়ে পড়েছি।’
এ দিকে গাইবান্ধা সদর উপজেলার নারায়ণপুর মৌজায় স্পন ও মাশরুম চাষ প্রদর্শনী ঘুরে দেখার সময় উৎপাদক ও উদ্যোক্তা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘প্রদর্শনী প্রকল্পটি জুন ২০২৫ অর্থবছরে স্থাপন শেষ করে উৎপাদনে যাওয়ার কথা থাকলেও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার কর্মসূচি বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতার ফলে প্রকল্প দুটির সুফল অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়েছে।’ এর কারণ হিসেবে উদ্যোক্তা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘সঠিক সময়ে ইনকিউবেশন কক্ষ নির্মাণ, চাষঘর তৈরি, স্টেরিলাইজেশন কাম ইনকুলেশন চেম্বার স্থাপন না করায় সঠিক সময়ে উৎপাদনে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানো যায়নি।’ তিনি আরও বলেন, ‘উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার দায়সারা কর্তব্য পালনের কারণে প্রকল্পের কাজে নানা অনিয়ম ও বিপত্তি দেখা দিয়েছে। প্রকল্পটির প্রয়োজনীয় সরবরাহ যেমন ইনকিউবেশনের জন্য এগজস্ট ফ্যান, কুলিং প্যাড ও কনটেইনার, দুটি পিভিসি দরজা, পানির পাম্প, ত্রিপল, ছোট পানির পাম্প, পানি স্প্রেইং সিস্টেম, সরবরাহ করা হয়নি। এসব জিনিসের দাম ২ লক্ষাধিক টাকা’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাহাদৎ হোসেন বলেন, ‘সাংবাদিকদের ভিডিও বক্তব্য বা তথ্য দিতে ওপর থেকে নিষেধ আছে। এসব দেখার দায়িত্ব তো আপনাদের না। অযথা আপনারা আমাদের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করেন। নিউজ করে আজ পর্যন্ত কিছুর সমাধান হচ্ছে?’

রাজশাহী শহরে নির্মাণাধীন চারটি ফ্লাইওভারের নকশা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নকশার ত্রুটির কারণে ফ্লাইওভারগুলো চালু হলে উল্টো সেগুলোর মুখেই যানজট সৃষ্টি হতে পারে। এ নিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ ৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত-সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জায়গা নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তাঁতপল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করে ২০১৮ সালের শেষের দিকে। কাজের বেশ অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ।
২ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জন অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত।
৩ ঘণ্টা আগে