
আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনের বিএনপি প্রার্থী ফারুক আলম সরকারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান।

জাতীয় পার্টির (জাপা) শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনটি। এবারও দলটির শক্ত প্রার্থী আছেন এখানে। তবে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের অবস্থানও বেশ শক্তিশালী। তাঁরা একচুল ছাড় দিতেও নারাজ। সমীকরণ আরও জটিল করেছেন জাতীয় পার্টির বিদ্রোহী প্রার্থী।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধার পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটকেন্দ্র ৬৭৫টি। এর অর্ধেকের বেশি, অর্থাৎ ৩৭৯টি কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। এই আসনগুলোয় বিএনপি-জামায়াত জোটসহ ৪০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

বিএনপির ‘ফ্যামিলি কার্ড’ আসলে ফাজলামি ছাড়া কিছুই নয়। এটি মানুষকে ধোঁকা দিয়ে ভোট নেওয়ার নতুন কৌশল বলে মন্তব্য করেছেন গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মো. মাজেদুর রহমান সরকার। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, কেউ তাঁকে ‘পরাস্ত করতে পারবে না।’