গাইবান্ধা প্রতিনিধি

তীব্র শীত এবং ঘন কুয়াশার কারণে গাইবান্ধা ও নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় বোরো ধানের বীজতলায় ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। অনেক জায়গায় চারা মরে যাচ্ছে, আবার জীবিত চারাগুলো হলদে হয়ে পাতা নষ্ট হচ্ছে। ছত্রাকনাশক ও বালাইনাশক প্রয়োগ করেও কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে জমিতে চারা রোপণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা।
কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি বোরো মৌসুমে হঠাৎ তীব্র শীত এবং ঘন কুয়াশার কারণে বীজতলার চারায় ‘কোল্ড ইনজুরি’ দেখা দিয়েছে। ক্ষতি কমাতে মাঠপর্যায়ে কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি তাদের।
গাইবান্ধা: জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এ বছর গাইবান্ধায় বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ১৪০ হেক্টর জমি। বিপরীতে বীজতলা রয়েছে ৬ হাজার ৮১২ হেক্টর।
গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়নের পূর্ব কোমরনই গ্রামের কৃষক মকবুল হোসেন বলেন, ‘তীব্র শীত আর ঘন কুয়াশার কারণে অধিকাংশ বোরো বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অনেকের বীজতলা ইতিমধ্যে পুরোপুরি নষ্ট হয়েছে। আবার নতুন করে বীজতলা তৈরি করতে হবে। এতে খরচ অনেক বেড়ে যাবে।’
সরেজমিনে দেখা গেছে, তীব্র শীতের কারণে অনেক বীজতলা সাদা রং ধারণ করেছে। কোথাও চারার গোড়ায় পচন ধরেছে, আবার কোথাও চারা শুকিয়ে গেছে। বীজতলা রক্ষায় কৃষকেরা গরম পানি ছিটানো, পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা, ওষুধ প্রয়োগসহ নানা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
সুন্দরগঞ্জ বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের ফলগাছা গ্রামের কৃষক মো. সবুজ মিয়া বলেন, ‘আবাদ করার মতো মোর চাইর বিঘা ভুই আছে। ধানের বেসনোত (বীজ) মোর খরচ হইবে কম করি হইলেও ছয় হাজার ট্যাকা। বেসনও খুব সুন্দর হইছিল মোর। কয়দিনের শীতে অবস্থা খারাপ হইছে। সাদা হয়া পচি যাবার নাইকছে। নষ্ট হইলে ভুই গাইরবার বেসোন মুই কোন্টে পাইম সেই টেনশনে আছোম।’
গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে বোরো ধানের বীজতলাগুলোতে কোল্ড ইনজুরি দেখা দিয়েছে। বীজতলার যাতে কোনো ধরনের ক্ষতি না হয়, সে বিষয়ে কৃষিকর্মীরা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন। আশা করছি কৃষকেরা বীজতলা নিয়ে তেমন ক্ষতির মুখে পড়বেন না।’
নলডাঙ্গা (নাটোর): নলডাঙ্গা উপজেলায়ও একই পরিস্থিতি। হালতি বিলসহ বিভিন্ন এলাকায় কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় বোরো ধানের বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এক সপ্তাহ ধরে সূর্যের দেখা না মেলায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে। গত বুধবার থেকে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসে।
হালতি বিলের তেঘরিয়া গ্রামের কৃষক ইসাহাক আলী বলেন, ‘এবার আমি পাঁচ কাঠা জমিতে বোরো বীজতলা করেছি। কিন্তু এক সপ্তাহ ধরে চলা কনকনে ঠান্ডা আর ঘন কুয়াশায় বোরো বীজের চারা গাছের পাতা হলদে রং ধারণ করে পচে যাচ্ছে। বালাইনাশক ছিটিয়ে কাজ হচ্ছে না। আমি দুশ্চিন্তায় আছি।’
বীজতলা রক্ষায় অনেক কৃষক রাতে পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখছেন বীজতলা। পরামর্শের জন্য কৃষি কর্মকর্তাদের পাশে পাওয়া যাচ্ছে না বলে কৃষকদের কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন।

তীব্র শীত এবং ঘন কুয়াশার কারণে গাইবান্ধা ও নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় বোরো ধানের বীজতলায় ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। অনেক জায়গায় চারা মরে যাচ্ছে, আবার জীবিত চারাগুলো হলদে হয়ে পাতা নষ্ট হচ্ছে। ছত্রাকনাশক ও বালাইনাশক প্রয়োগ করেও কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে জমিতে চারা রোপণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা।
কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি বোরো মৌসুমে হঠাৎ তীব্র শীত এবং ঘন কুয়াশার কারণে বীজতলার চারায় ‘কোল্ড ইনজুরি’ দেখা দিয়েছে। ক্ষতি কমাতে মাঠপর্যায়ে কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি তাদের।
গাইবান্ধা: জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এ বছর গাইবান্ধায় বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ১৪০ হেক্টর জমি। বিপরীতে বীজতলা রয়েছে ৬ হাজার ৮১২ হেক্টর।
গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়নের পূর্ব কোমরনই গ্রামের কৃষক মকবুল হোসেন বলেন, ‘তীব্র শীত আর ঘন কুয়াশার কারণে অধিকাংশ বোরো বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অনেকের বীজতলা ইতিমধ্যে পুরোপুরি নষ্ট হয়েছে। আবার নতুন করে বীজতলা তৈরি করতে হবে। এতে খরচ অনেক বেড়ে যাবে।’
সরেজমিনে দেখা গেছে, তীব্র শীতের কারণে অনেক বীজতলা সাদা রং ধারণ করেছে। কোথাও চারার গোড়ায় পচন ধরেছে, আবার কোথাও চারা শুকিয়ে গেছে। বীজতলা রক্ষায় কৃষকেরা গরম পানি ছিটানো, পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা, ওষুধ প্রয়োগসহ নানা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
সুন্দরগঞ্জ বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের ফলগাছা গ্রামের কৃষক মো. সবুজ মিয়া বলেন, ‘আবাদ করার মতো মোর চাইর বিঘা ভুই আছে। ধানের বেসনোত (বীজ) মোর খরচ হইবে কম করি হইলেও ছয় হাজার ট্যাকা। বেসনও খুব সুন্দর হইছিল মোর। কয়দিনের শীতে অবস্থা খারাপ হইছে। সাদা হয়া পচি যাবার নাইকছে। নষ্ট হইলে ভুই গাইরবার বেসোন মুই কোন্টে পাইম সেই টেনশনে আছোম।’
গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে বোরো ধানের বীজতলাগুলোতে কোল্ড ইনজুরি দেখা দিয়েছে। বীজতলার যাতে কোনো ধরনের ক্ষতি না হয়, সে বিষয়ে কৃষিকর্মীরা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন। আশা করছি কৃষকেরা বীজতলা নিয়ে তেমন ক্ষতির মুখে পড়বেন না।’
নলডাঙ্গা (নাটোর): নলডাঙ্গা উপজেলায়ও একই পরিস্থিতি। হালতি বিলসহ বিভিন্ন এলাকায় কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় বোরো ধানের বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এক সপ্তাহ ধরে সূর্যের দেখা না মেলায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে। গত বুধবার থেকে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসে।
হালতি বিলের তেঘরিয়া গ্রামের কৃষক ইসাহাক আলী বলেন, ‘এবার আমি পাঁচ কাঠা জমিতে বোরো বীজতলা করেছি। কিন্তু এক সপ্তাহ ধরে চলা কনকনে ঠান্ডা আর ঘন কুয়াশায় বোরো বীজের চারা গাছের পাতা হলদে রং ধারণ করে পচে যাচ্ছে। বালাইনাশক ছিটিয়ে কাজ হচ্ছে না। আমি দুশ্চিন্তায় আছি।’
বীজতলা রক্ষায় অনেক কৃষক রাতে পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখছেন বীজতলা। পরামর্শের জন্য কৃষি কর্মকর্তাদের পাশে পাওয়া যাচ্ছে না বলে কৃষকদের কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন।

ভেজাল গুড় বিক্রি ও খাদ্যে ভেজাল থাকার অভিযোগে সিরাজগঞ্জ শহরের এসএস রোড ও বাজার স্টেশন এলাকায় পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে ভেজাল প্রমাণিত হওয়ায় সাত শতাধিক কেজি গুড় জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।
৬ মিনিট আগে
বগুড়ার আদমদীঘিতে শাহানুর খান মিলন নামের এক ব্যবসায়ীর বসতবাড়ির তালা ভেঙে সাত ভরি স্বর্ণালঙ্কার চুরির ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার সান্তাহার ইউনিয়নের দমদমা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বুধবার দুপুরে ওই ব্যবসায়ীর স্ত্রী তাসলিমা বেগম আদমদীঘি থানায় এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ করেন।
৮ মিনিট আগে
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় পিস্তল, গুলি ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এর মধ্যে রয়েছে ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন, ১টি গুলি, ৩ বোতল ফেনসিডিল ও ৭টি ইয়াবা।
২৪ মিনিট আগে
ফাঁদে আটকা পড়ার কারণে বাঘটির বাম পায়ের শিরা ও নার্ভ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় রক্ত চলাচল বন্ধ ছিল। বয়স্ক হওয়ায় বাঘটি তার স্বাভাবিক শক্তি হারিয়েছে। বাঘটিকে স্বাভাবিক ও সুস্থ করতে সব ধরনের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন বন্য প্রাণী চিকিৎসকেরা।
৩২ মিনিট আগে