দাগনভূঞা (ফেনী) প্রতিনিধি

ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ফেনীর ফুলগাজী উপজেলায় মুহুরি নদীর বেড়িবাঁধের দুটি স্থানে ভাঙনের কারণে ছয় গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। আজ সোমবার ভোরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুহুরি নদীর উত্তর বরইয়া ও উত্তর দৌলতপুর অংশে এই ভাঙনের সৃষ্টি হয়।
বেড়িবাঁধে ভাঙনে উপজেলার উত্তর দৌলতপুর, দক্ষিণ দৌলতপুর, পূর্ব ঘনিয়া মোড়া, উত্তর বরইয়া, দক্ষিণ বরইয়া ও বিজয়পুর গ্রামে পানি ঢুকে পড়ে। তাতে সড়ক ও আমন ধানের খেত তলিয়ে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে, বর্তমানে মুহুরি নদীর পানি বিপৎসীমার ১২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
ফুলগাজী সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. সেলিম মুহুরি নদীর বেড়িবাঁধ ভাঙনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুটি ভাঙনে ছয়টি গ্রাম এখন পর্যন্ত প্লাবিত হয়েছে। তাতে ফসলি জমি ও অনেক মৎস্য খামার পানিতে তলিয়ে গেছে। তিনি আরও গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আরিফুর রহমান বলেন, আজ সোমবার ভোর ৫টা থেকে বাঁধের বরইয়া ও দৌলতপুরের দুটি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। পানি কমার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভাঙন রোধে কোটি টাকার একটি মেগা প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। সেটি পাস হলেই টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণে কাজ শুরু করা হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানিয়া ভূঁইয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
এদিকে খবর পেয়ে ভাঙনের স্থান পরিদর্শন করেন ফুলগাজী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আল-আমীন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. মাসুদ রানা, সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. সেলিম ও পাউবোর কর্মকর্তারা।

ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ফেনীর ফুলগাজী উপজেলায় মুহুরি নদীর বেড়িবাঁধের দুটি স্থানে ভাঙনের কারণে ছয় গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। আজ সোমবার ভোরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুহুরি নদীর উত্তর বরইয়া ও উত্তর দৌলতপুর অংশে এই ভাঙনের সৃষ্টি হয়।
বেড়িবাঁধে ভাঙনে উপজেলার উত্তর দৌলতপুর, দক্ষিণ দৌলতপুর, পূর্ব ঘনিয়া মোড়া, উত্তর বরইয়া, দক্ষিণ বরইয়া ও বিজয়পুর গ্রামে পানি ঢুকে পড়ে। তাতে সড়ক ও আমন ধানের খেত তলিয়ে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে, বর্তমানে মুহুরি নদীর পানি বিপৎসীমার ১২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
ফুলগাজী সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. সেলিম মুহুরি নদীর বেড়িবাঁধ ভাঙনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুটি ভাঙনে ছয়টি গ্রাম এখন পর্যন্ত প্লাবিত হয়েছে। তাতে ফসলি জমি ও অনেক মৎস্য খামার পানিতে তলিয়ে গেছে। তিনি আরও গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আরিফুর রহমান বলেন, আজ সোমবার ভোর ৫টা থেকে বাঁধের বরইয়া ও দৌলতপুরের দুটি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। পানি কমার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভাঙন রোধে কোটি টাকার একটি মেগা প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। সেটি পাস হলেই টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণে কাজ শুরু করা হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানিয়া ভূঁইয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
এদিকে খবর পেয়ে ভাঙনের স্থান পরিদর্শন করেন ফুলগাজী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আল-আমীন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. মাসুদ রানা, সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. সেলিম ও পাউবোর কর্মকর্তারা।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে