পরশুরাম (ফেনী) প্রতিনিধি

টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে গতকাল রোববার রাত থেকে পরশুরাম উপজেলার মুহুরি, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর পানি বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
আজ সোমবার দুপুরে মুহুরি নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ওপর (স্বাভাবিক বিপৎসীমা ১৩ দশমিক ০০ সেন্টিমিটার) দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। দুপুর থেকেই উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম অলকা গ্রামে মুহুরি নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে পূর্ব অলকা, পশ্চিম অলকাসহ তিনটি গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
অপরদিকে মুহুরি নদীর ফুলগাজি উপজেলায় বেড়ি বাঁধের দুটি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ফুলগাজি উপজেলার সদরের বরইয়া ও দৌলতপুর এলাকায় বেড়িবাঁধ ভাঙনে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সোমবার দুপুর থেকে পরশুরাম-ফেনী সড়কের ফুলগাজী বাজারে পানি উঠেছে। এতে বাজারের দোকানে পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
মুহুরি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় পাড়ের এবং উপজেলার নিম্নাঞ্চলের নদীকূলবর্তী কয়েক হাজার মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।
অপর দিকে পরশুরামের একাধিক স্থানে নদীর বেড়িবাঁধ ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের রতনপুর এলাকায় সোমবার সকালে ভাঙনের ঝুঁকি দেখা দিলে গ্রামবাসী বালুর বস্তা দিয়ে ভাঙন ঠেকাতে সক্ষম হয়েছে। একই ইউনিয়নের রামপুর এলাকায় কয়েকটি স্থানে ভাঙন দেখা দিতে পারে বলে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যসহ এলাকাবাসী আশঙ্কা করছেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) অজিত দেব নাথ বলেন, উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা মোতাবেক সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। নদী ভাঙন ও বন্যা কবলিত হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে সহযোগিতার জন্য প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।
চিথলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন বলেন, ইউনিয়নের একাধিক স্থানে ভাঙনের ঝুঁকি রয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে বেড়িবাঁধে ভাঙন দেখা দিতে পারে।
চেয়ারম্যান আরও বলেন, পরশুরাম বাসীর দুঃখ কখনো শেষ হবে না। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুম আসলে নদী তীর কুলবর্তী এলাকার মানুষকে আতঙ্কে দিন কাটতে হয়। প্রতি বছর বেড়িবাঁধ ভাঙনের কারণে বিস্তীর্ণ এলাকা ফসলি জমি, মাছের ঘেরসহ ব্যাপক ক্ষতি হয়।

টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে গতকাল রোববার রাত থেকে পরশুরাম উপজেলার মুহুরি, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর পানি বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
আজ সোমবার দুপুরে মুহুরি নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ওপর (স্বাভাবিক বিপৎসীমা ১৩ দশমিক ০০ সেন্টিমিটার) দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। দুপুর থেকেই উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম অলকা গ্রামে মুহুরি নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে পূর্ব অলকা, পশ্চিম অলকাসহ তিনটি গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
অপরদিকে মুহুরি নদীর ফুলগাজি উপজেলায় বেড়ি বাঁধের দুটি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ফুলগাজি উপজেলার সদরের বরইয়া ও দৌলতপুর এলাকায় বেড়িবাঁধ ভাঙনে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সোমবার দুপুর থেকে পরশুরাম-ফেনী সড়কের ফুলগাজী বাজারে পানি উঠেছে। এতে বাজারের দোকানে পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
মুহুরি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় পাড়ের এবং উপজেলার নিম্নাঞ্চলের নদীকূলবর্তী কয়েক হাজার মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।
অপর দিকে পরশুরামের একাধিক স্থানে নদীর বেড়িবাঁধ ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের রতনপুর এলাকায় সোমবার সকালে ভাঙনের ঝুঁকি দেখা দিলে গ্রামবাসী বালুর বস্তা দিয়ে ভাঙন ঠেকাতে সক্ষম হয়েছে। একই ইউনিয়নের রামপুর এলাকায় কয়েকটি স্থানে ভাঙন দেখা দিতে পারে বলে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যসহ এলাকাবাসী আশঙ্কা করছেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) অজিত দেব নাথ বলেন, উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা মোতাবেক সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। নদী ভাঙন ও বন্যা কবলিত হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে সহযোগিতার জন্য প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।
চিথলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন বলেন, ইউনিয়নের একাধিক স্থানে ভাঙনের ঝুঁকি রয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে বেড়িবাঁধে ভাঙন দেখা দিতে পারে।
চেয়ারম্যান আরও বলেন, পরশুরাম বাসীর দুঃখ কখনো শেষ হবে না। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুম আসলে নদী তীর কুলবর্তী এলাকার মানুষকে আতঙ্কে দিন কাটতে হয়। প্রতি বছর বেড়িবাঁধ ভাঙনের কারণে বিস্তীর্ণ এলাকা ফসলি জমি, মাছের ঘেরসহ ব্যাপক ক্ষতি হয়।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৩ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে