
ফেনীতে বিভাগীয় ইজতেমায় হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি একসঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করেছেন। নামাজ শেষে মুসলিম উম্মার শান্তি, সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করা হয়। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) ফেনী-ছাগলনাইয়া সড়কের বিরিঞ্চি ব্রিকফিল্ড-সংলগ্ন মাঠে বৃহৎ এ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে গতকাল ফজরের নামাজের পর আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ ইজতেমার কার্যক্রম।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, ইজতেমায় লক্ষাধিক মুসল্লির সমাগমের সব ধরনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগত মুসল্লিদের জন্য রানীরহাট এলাকায় মাঠজুড়ে শামিয়ানা টাঙানো, পানির লাইন ও বিদ্যুৎ সংযোগ, সাইকেল গ্যারেজসহ বিভিন্ন অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। বিশাল আয়তনের এ মাঠে দূরদূরান্ত থেকে আসা ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা শামিয়ানার নিচে অবস্থান নিয়েছেন। চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলা ছাড়াও ভারত, মরক্কো, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মেহমানরা এতে অংশগ্রহণ করেন।
জেলার সর্ববৃহৎ এ জুমার নামাজে ইমামতি করেন তাবলিগ জামাতের কাকরাইল মসজিদের ইমাম মাওলানা আনাস বিন মোজাম্মেল। এদিন সকালে বয়ান করেন বাংলাদেশের তাবলিগ জামাতের মাওলানা সাদ অনুসারীদের আমির, তাবলিগ জামাতের আহলে শুরা ও কাকরাইল মসজিদের শীর্ষ মুরব্বি সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম।
আশরাফুল ইসলাম নামে জুমার নামাজে অংশ নেওয়া এক মুসল্লি বলেন, ‘সচরাচর এত বড় জুমার জামাতে অংশ নেওয়ার সুযোগ হয় না। সে জন্যই ইজতেমায় হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে এ জুমার নামাজ পড়েছি। আল্লাহ কারও অছিলায় সকলের দোয়া কবুল করবেন আশা করি।’
শাকিল নামে আরেক মুসল্লি বলেন, ‘লক্ষ্মীপুর থেকে তিন দিনের এ ইজতেমায় এসেছি। তাবলিগের মুরব্বিরা দ্বীন ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে বয়ান করছেন। এখান থেকে অর্জিত জ্ঞানে যথাযথ ধর্মীয় চর্চা করার চেষ্টা করব।’
আগামীকাল শনিবার বেলা ১১টার দিকে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এ বিভাগীয় ইজতেমা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেছেন, গত ১৭ বছর নিয়মিত বিভিন্ন টেলিভিশন টক শোতে অংশ নিয়েছি। এ সময়ে অসংখ্য রাত নির্ঘুম কাটাতে হয়েছে। অনেক সময় রাত দেড়টার দিকে শুভাকাঙ্ক্ষীরা আমাকে টেলিভিশন চ্যানেল থেকে বাসায় পৌঁছে দিয়েছেন। ডিজিএফআই ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার নজর
২৯ মিনিট আগে
মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে যমুনার ভয়াবহ ভাঙনে জিয়নপুর ইউনিয়নের বড় লাউতারা ও ছনপাড়া গ্রামের অন্তত ১০ থেকে ১২টি পরিবারের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তরা খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন। সড়ক, মসজিদ ও মাদ্রাসাও হুমকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।
৩২ মিনিট আগে
ঠাকুরগাঁওয়ের সদর, পীরগঞ্জ ও রাণীশংকৈল উপজেলায় পৃথক ঘটনায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে। গত দুই দিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে পুকুর ও নদীতে ডুবে দুজন এবং সড়ক দুর্ঘটনায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এসব মৃত্যুর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানাগুলোয় পৃথক অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বৃষ্টির মধ্যে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দশমিনা এক্সপ্রেস নামে একটি যাত্রীবাহী বাস পানিভর্তি খাদে পড়ে যায়। রোববার বিকেলে ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ অন্তত ২০ যাত্রী আহত হন। স্থানীয়দের তৎপরতায় বাসের প্রায় ৪০ যাত্রী প্রাণে বাঁচেন।
১ ঘণ্টা আগে