সোনাগাজী (ফেনী) প্রতিনিধি

ফেনীর সোনাগাজীতে যুবলীগ নেতা মকসুদ হোসেন বিপ্লবের আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী। আজ সোমবার সকালে সোনাগাজী পৌর-শহরের জিরো পয়েন্টে এই মানববন্ধন করা হয়। এ সময় মকসুদের মৃত্যুকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেন তাঁর স্বজনেরা।
মানববন্ধনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান সামছুল আরেফিন বলেন, ‘বিপ্লবের মৃত্যুর পর আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের যে অবস্থা দেখেছি, তাতে এটা কোনোভাবেই আত্মহত্যা বলে মনে হয়নি। বিপ্লবকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে মনে হয়েছে। আমি প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ করব বিপ্লবের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে যেন নিরপেক্ষ তদন্ত হয়।’
বিপ্লবের স্ত্রী আকলিমা আক্তার বলেন, ‘রফিক, নাজিম, মর্তুজাসহ অন্যরা পরিকল্পিতভাবে আমার স্বামীকে হত্যা করেছেন। ঘটনার এত দিন পেরোলেও কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি কেন? দ্রুত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাই।’
বিপ্লবের বোন নিপু আক্তার বলেন, ‘রফিক, নাজিম ও মর্তুজা ষড়যন্ত্র করে আমার ভাইকে মেরে ফেলেছেন। আমার ভাই বারবার ফেসবুক লাইভে এসে তাঁকে হত্যা করা হতে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন, নেতাদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে বলেছেন, কিন্তু কোনো প্রতিকার মেলেনি। বেঁচে থাকার আকুতি নিয়েই মরতে হলো আমার ভাইকে।’
৮ মার্চ বিপ্লবের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ, ময়নাতদন্ত শেষে পরদিন তাঁর লাশ দাফন করা হয়। এই ঘটনায় স্থানীয় ইউপির চেয়ারম্যান উম্মে রুমার স্বামী মো. রফিক এবং তাঁর সহযোগী আলী মর্তুজা, নাজিম ও করিমের নামসহ অজ্ঞাত সাতজনকে আসামি করে ৯ মার্চ সোনাগাজী মডেল থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলা দায়ের করেন বিপ্লবের স্ত্রী।

ফেনীর সোনাগাজীতে যুবলীগ নেতা মকসুদ হোসেন বিপ্লবের আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী। আজ সোমবার সকালে সোনাগাজী পৌর-শহরের জিরো পয়েন্টে এই মানববন্ধন করা হয়। এ সময় মকসুদের মৃত্যুকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেন তাঁর স্বজনেরা।
মানববন্ধনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান সামছুল আরেফিন বলেন, ‘বিপ্লবের মৃত্যুর পর আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের যে অবস্থা দেখেছি, তাতে এটা কোনোভাবেই আত্মহত্যা বলে মনে হয়নি। বিপ্লবকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে মনে হয়েছে। আমি প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ করব বিপ্লবের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে যেন নিরপেক্ষ তদন্ত হয়।’
বিপ্লবের স্ত্রী আকলিমা আক্তার বলেন, ‘রফিক, নাজিম, মর্তুজাসহ অন্যরা পরিকল্পিতভাবে আমার স্বামীকে হত্যা করেছেন। ঘটনার এত দিন পেরোলেও কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি কেন? দ্রুত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাই।’
বিপ্লবের বোন নিপু আক্তার বলেন, ‘রফিক, নাজিম ও মর্তুজা ষড়যন্ত্র করে আমার ভাইকে মেরে ফেলেছেন। আমার ভাই বারবার ফেসবুক লাইভে এসে তাঁকে হত্যা করা হতে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন, নেতাদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে বলেছেন, কিন্তু কোনো প্রতিকার মেলেনি। বেঁচে থাকার আকুতি নিয়েই মরতে হলো আমার ভাইকে।’
৮ মার্চ বিপ্লবের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ, ময়নাতদন্ত শেষে পরদিন তাঁর লাশ দাফন করা হয়। এই ঘটনায় স্থানীয় ইউপির চেয়ারম্যান উম্মে রুমার স্বামী মো. রফিক এবং তাঁর সহযোগী আলী মর্তুজা, নাজিম ও করিমের নামসহ অজ্ঞাত সাতজনকে আসামি করে ৯ মার্চ সোনাগাজী মডেল থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলা দায়ের করেন বিপ্লবের স্ত্রী।

এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে...
১৬ মিনিট আগে
খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১ ঘণ্টা আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
১ ঘণ্টা আগে