ফেনী প্রতিনিধি

ফেনীতে শ্রমিকবাহী পিকআপে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় ৬ নির্মাণশ্রমিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন চারজন। আজ সোমবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ মাইজবাড়িয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা এলাকায় ঢাকামুখী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে ৫ জন ও পরে চট্টগ্রাম নেওয়ার পথে আরও একজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়। পুলিশ ও স্বজন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

নিহতদের মধ্যে তিনজনের নাম-পরিচয় জানা গেছে। তাঁরা হলেন ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলার হাজীরহাট এলাকার মো. ফারুকের ছেলে মো. আরিফ (২২), একই উপজেলার হাজীরহাট ইউনিয়নের চর ফয়জুদ্দিন গ্রামের নুর আলমের ছেলে মহিউদ্দিন (৩৫), বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার বলই বুনিয়া ইউনিয়নের চোলমবাড়িয়া এলাকার সাবুল শেখের ছেলে নাজমুল শেখ। বাকি ৩ জনের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
এ ঘটনায় আহত অবস্থায় ৫ জনকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে গুরুতর আহত ৩ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চট্টগ্রাম নেওয়ার পথে মহিউদ্দিন মারা যান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহিউদ্দিনের চাচাশ্বশুর হানিফ মিয়া।
আহত ব্যক্তিরা হলেন জাহাঙ্গীর (৩০), মনির (৪০), সবুজ (২৫), নাগর মাঝি (৪০)। আহতরা সবাই ভোলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, নির্মাণশ্রমিকদের (রাজমিস্ত্রি) বহন করা একটি পিকআপ ফেনীর উদ্দেশে যাচ্ছিল। মহাসড়কের দক্ষিণ মাইজবাড়িয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে একটি কাভার্ড ভ্যান ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে পিকআপে থাকা শ্রমিকদের মধ্যে পাঁচজন নিহত হন। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় কয়েকজনকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।
দুর্ঘটনায় পড়েও প্রাণে বেঁচে যাওয়া নুর উদ্দিন নামের এক নির্মাণশ্রমিক বলেন, ‘সহদেবপুর এলাকার সবুজের সঙ্গে ভবনের ছাদ ঢালাইয়ের জন্য চট্টগ্রামের মিরসরাই এলাকায় ১৮ জন শ্রমিক গিয়েছিলাম। কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে ফেনীর লেমুয়ায় এলাকায় আমাদের বহনকারী পিকআপ হঠাৎ করে থেমে যায়। এ সময় পেছন থেকে একটি কাভার্ড ভ্যান আমাদের গাড়িকে ধাক্কা দিলে গাড়িতে থাকা শ্রমিকেরা ছিটকে পড়েন। এরপর কাভার্ড ভ্যান তাঁদের রাস্তায় পিষে ফেলে।’
স্থানীয় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক শফিউল আলম ডালিম বলেন, ‘যাত্রী নামিয়ে ফেনীর দিকে যাচ্ছিলাম। লেমুয়া এলাকার হাফেজিয়া মাদ্রাসার সামনে একটি পিকআপ উল্টে থাকতে দেখে থেমে দেখি অন্তত ৫ জন শ্রমিক মৃত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে আছে। ৬-৭ জনের মতো আহত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে কাতরাচ্ছেন। আমার গাড়িতে করে দুজনকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেছি।’
স্থানীয় বাসিন্দা কাওছার বলেন, ‘বিকট আওয়াজ শুনে বাড়ি থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এসে দেখি পিকআপটি আইল্যান্ডের ওপর পড়ে আছে। গাড়ির আশপাশে আহতরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে আছেন।’
ফেনী জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাইদুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনায় আহত পাঁচজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তাঁদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে বোগদাদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে হাইওয়ে থানার পুলিশসহ আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। ঘটনাস্থলেই পাঁচজন নিহত হয়েছেন। স্থানীয়রা কয়েকজনকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। কাভার্ড ভ্যানের চালক পালিয়ে গেছেন। এখন মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনের এক পাশে যান চলাচল করছে।’

ফেনীতে শ্রমিকবাহী পিকআপে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় ৬ নির্মাণশ্রমিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন চারজন। আজ সোমবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ মাইজবাড়িয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা এলাকায় ঢাকামুখী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে ৫ জন ও পরে চট্টগ্রাম নেওয়ার পথে আরও একজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়। পুলিশ ও স্বজন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

নিহতদের মধ্যে তিনজনের নাম-পরিচয় জানা গেছে। তাঁরা হলেন ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলার হাজীরহাট এলাকার মো. ফারুকের ছেলে মো. আরিফ (২২), একই উপজেলার হাজীরহাট ইউনিয়নের চর ফয়জুদ্দিন গ্রামের নুর আলমের ছেলে মহিউদ্দিন (৩৫), বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার বলই বুনিয়া ইউনিয়নের চোলমবাড়িয়া এলাকার সাবুল শেখের ছেলে নাজমুল শেখ। বাকি ৩ জনের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
এ ঘটনায় আহত অবস্থায় ৫ জনকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে গুরুতর আহত ৩ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চট্টগ্রাম নেওয়ার পথে মহিউদ্দিন মারা যান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহিউদ্দিনের চাচাশ্বশুর হানিফ মিয়া।
আহত ব্যক্তিরা হলেন জাহাঙ্গীর (৩০), মনির (৪০), সবুজ (২৫), নাগর মাঝি (৪০)। আহতরা সবাই ভোলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, নির্মাণশ্রমিকদের (রাজমিস্ত্রি) বহন করা একটি পিকআপ ফেনীর উদ্দেশে যাচ্ছিল। মহাসড়কের দক্ষিণ মাইজবাড়িয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে একটি কাভার্ড ভ্যান ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে পিকআপে থাকা শ্রমিকদের মধ্যে পাঁচজন নিহত হন। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় কয়েকজনকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।
দুর্ঘটনায় পড়েও প্রাণে বেঁচে যাওয়া নুর উদ্দিন নামের এক নির্মাণশ্রমিক বলেন, ‘সহদেবপুর এলাকার সবুজের সঙ্গে ভবনের ছাদ ঢালাইয়ের জন্য চট্টগ্রামের মিরসরাই এলাকায় ১৮ জন শ্রমিক গিয়েছিলাম। কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে ফেনীর লেমুয়ায় এলাকায় আমাদের বহনকারী পিকআপ হঠাৎ করে থেমে যায়। এ সময় পেছন থেকে একটি কাভার্ড ভ্যান আমাদের গাড়িকে ধাক্কা দিলে গাড়িতে থাকা শ্রমিকেরা ছিটকে পড়েন। এরপর কাভার্ড ভ্যান তাঁদের রাস্তায় পিষে ফেলে।’
স্থানীয় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক শফিউল আলম ডালিম বলেন, ‘যাত্রী নামিয়ে ফেনীর দিকে যাচ্ছিলাম। লেমুয়া এলাকার হাফেজিয়া মাদ্রাসার সামনে একটি পিকআপ উল্টে থাকতে দেখে থেমে দেখি অন্তত ৫ জন শ্রমিক মৃত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে আছে। ৬-৭ জনের মতো আহত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে কাতরাচ্ছেন। আমার গাড়িতে করে দুজনকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেছি।’
স্থানীয় বাসিন্দা কাওছার বলেন, ‘বিকট আওয়াজ শুনে বাড়ি থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এসে দেখি পিকআপটি আইল্যান্ডের ওপর পড়ে আছে। গাড়ির আশপাশে আহতরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে আছেন।’
ফেনী জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাইদুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনায় আহত পাঁচজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তাঁদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে বোগদাদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে হাইওয়ে থানার পুলিশসহ আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। ঘটনাস্থলেই পাঁচজন নিহত হয়েছেন। স্থানীয়রা কয়েকজনকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। কাভার্ড ভ্যানের চালক পালিয়ে গেছেন। এখন মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনের এক পাশে যান চলাচল করছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৫ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে